নীলসাগর এক্সপ্রেস ট্রেনের সময়সূচী জানা থাকলে ঢাকা, চিলাহাটি, নীলফামারী বা সৈয়দপুরের যাত্রা পরিকল্পনা অনেক সহজ হয়। ২০২৬ সালের জন্য প্রচলিত সময়সূচী অনুযায়ী, চিলাহাটি থেকে ট্রেনটি রাত ৮টায় ছেড়ে ঢাকায় ভোরে পৌঁছায়। অন্যদিকে, ঢাকা থেকে ফিরতি যাত্রা শুরু হয় সকাল ৬টা ৪৫ মিনিটে।
তবে রেলওয়ের সময়সূচী, ভাড়া ও স্টপেজে সময়ে সময়ে পরিবর্তন আসতে পারে। তাই টিকিট কাটার আগে বাংলাদেশ রেলওয়ের ই-টিকিট প্ল্যাটফর্মে ট্রেনের তারিখ, আসন ও ভাড়া মিলিয়ে নেওয়া নিরাপদ। এছাড়াও, নিচে রুটভিত্তিক সময়, ভাড়ার তালিকা, ট্রেন নম্বর, সাপ্তাহিক বন্ধ ও যাত্রীদের কাজে লাগবে এমন কয়েকটি বাস্তব টিপস দেওয়া হলো।
- চিলাহাটি থেকে ঢাকা: রাত ৮টা থেকে ভোর ৫টা ২৫ মিনিট পর্যন্ত।
- ঢাকা থেকে চিলাহাটি: সকাল ৬টা ৪৫ মিনিট থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত।
- ট্রেন নম্বর: ৭৬৫ ও ৭৬৭।
- সাপ্তাহিক বন্ধ: বুধবার।
নীলসাগর এক্সপ্রেস ট্রেনের সময়সূচী
নীলসাগর এক্সপ্রেস চিলাহাটি ও ঢাকা কমলাপুরের মধ্যে চলাচলকারী একটি আন্তঃনগর ট্রেন। চিলাহাটি থেকে ঢাকার নির্ধারিত যাত্রায় সময় লাগে প্রায় ৯ ঘণ্টা ২৫ মিনিট। একইভাবে, ঢাকা থেকে চিলাহাটি যেতে সময় লাগে প্রায় ৯ ঘণ্টা ১৫ মিনিট।
চিলাহাটি থেকে ট্রেনটি রাত ৮টায় ছাড়ে এবং ঢাকা কমলাপুরে ভোর ৫টা ২৫ মিনিটে পৌঁছানোর কথা। বিপরীত পথে ঢাকা কমলাপুর থেকে সকাল ৬টা ৪৫ মিনিটে ছেড়ে চিলাহাটিতে বিকেল ৪টায় পৌঁছায়। তবে যাত্রার দিন বিলম্ব হলে বাস্তব পৌঁছানোর সময় কিছুটা বদলাতে পারে।

নীলসাগর এক্সপ্রেসের যাত্রাপথে উত্তরবঙ্গের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ স্টেশন পড়ে। ফলে দীর্ঘপথের যাত্রী যেমন সুবিধা পান, তেমনি ঢাকার সঙ্গে নাটোর, সান্তাহার, জয়পুরহাট, সৈয়দপুর ও নীলফামারীর যাতায়াতও সহজ হয়।
ঢাকা থেকে চিলাহাটি কখন ছাড়ে?
ঢাকা থেকে চিলাহাটিগামী নীলসাগর এক্সপ্রেস সকাল ৬টা ৪৫ মিনিটে কমলাপুর রেলস্টেশন ছাড়ে। নির্ধারিত সময় অনুযায়ী বিকেল ৪টায় চিলাহাটি পৌঁছানোর কথা। নিচের তালিকায় তাই প্রধান স্টেশনগুলোর সম্ভাব্য পৌঁছানোর সময় দেওয়া হলো।
| স্টেশনের নাম | সময়সূচী |
|---|---|
| ঢাকা | সকাল ৬টা ৪৫ মিনিট |
| বিমানবন্দর | সকাল ৭টা ৮ মিনিট |
| জয়দেবপুর | সকাল ৭টা ৩৬ মিনিট |
| ইব্রাহিমাবাদ | সকাল ৮টা ৫৪ মিনিট |
| মুলাদুলি | সকাল ১০টা ১৬ মিনিট |
| নাটোর | সকাল ১০টা ৫৭ মিনিট |
| আহসানগঞ্জ | সকাল ১১টা ২০ মিনিট |
| সান্তাহার | সকাল ১১টা ৫৫ মিনিট |
| আক্কেলপুর | দুপুর ১২টা ৩৮ মিনিট |
| জয়পুরহাট | দুপুর ১২টা ৫৪ মিনিট |
| বিরামপুর | দুপুর ১টা ২৫ মিনিট |
| ফুলবাড়ী | দুপুর ১টা ৩৯ মিনিট |
| পার্বতীপুর | দুপুর ২টা |
| সৈয়দপুর | দুপুর ২টা ২৭ মিনিট |
| নীলফামারী | দুপুর ২টা ৫০ মিনিট |
| ডোমার | বিকেল ৩টা ১৬ মিনিট |
| চিলাহাটি | বিকেল ৪টা |
শহর থেকে স্টেশনে পৌঁছানোর সময় হিসাব করার ক্ষেত্রে শুধু ট্রেনের সময় দেখলেই হবে না। যেমন, ঢাকার কমলাপুর বা বিমানবন্দর স্টেশনে ভিড়, নিরাপত্তা পরীক্ষা ও প্ল্যাটফর্মে যাওয়ার সময় ধরতে অন্তত ৩০ থেকে ৪৫ মিনিট হাতে রাখা ভালো।
চিলাহাটি থেকে ঢাকা ফেরার সময়
চিলাহাটি থেকে ঢাকাগামী নীলসাগর এক্সপ্রেস রাত ৮টায় যাত্রা শুরু করে। নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী ট্রেনটি ভোরে ঢাকা কমলাপুরে পৌঁছায়। তাই রাতের যাত্রা হওয়ায় স্টেশনে অপেক্ষা করার সময় আলো, নিরাপত্তা ও স্থানীয় পরিবহন ব্যবস্থা আগে দেখে নেওয়া উপকারী।
| স্টেশনের নাম | সময়সূচী |
|---|---|
| চিলাহাটি | রাত ৮টা |
| ডোমার | রাত ৮টা ১৮ মিনিট |
| নীলফামারী | রাত ৮টা ৩৭ মিনিট |
| সৈয়দপুর | রাত ৮টা ৫৯ মিনিট |
| পার্বতীপুর | রাত ৯টা ২০ মিনিট |
| ফুলবাড়ী | রাত ৯টা ৫৮ মিনিট |
| বিরামপুর | রাত ১০টা ১১ মিনিট |
| জয়পুরহাট | রাত ১০টা ৪৩ মিনিট |
| আক্কেলপুর | রাত ১১টা |
| সান্তাহার | রাত ১১টা ২০ মিনিট |
| আহসানগঞ্জ | রাত ১১টা ৪৭ মিনিট |
| নাটোর | রাত ১২টা ১০ মিনিট |
| মুলাদুলি | রাত ১টা ১২ মিনিট |
| ইব্রাহিমপুর | রাত ২টা ৪৬ মিনিট |
| জয়দেবপুর | ভোর ৪টা ২২ মিনিট |
| ঢাকা | ভোর ৫টা ২৫ মিনিট |
প্রদত্ত দুইটি সূচিতে ঢাকার পৌঁছানোর সময় নিয়ে ৫টা ২৫ মিনিট ও ৫টা ৩০ মিনিটের সামান্য পার্থক্য দেখা যায়। একইভাবে, একটি স্টেশনের নাম ইব্রাহিমাবাদ এবং অন্য তালিকায় ইব্রাহিমপুর লেখা হয়েছে। তাই টিকিট কেনার সময় বাংলাদেশ রেলওয়ের প্রদর্শিত স্টেশন নাম ও সময়কে চূড়ান্ত ধরে নিন।
ট্রেনের ইতিহাস ও নম্বর
নীলসাগর এক্সপ্রেস ২০০৭ সালের ১ ডিসেম্বর ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট থেকে নীলফামারীর সৈয়দপুর রুটে চালু হয়। শুরুর দিকে ট্রেনটি সৈয়দপুর ও ঢাকা ক্যান্টনমেন্টের মধ্যে চলাচল করত। পরে রুট বাড়িয়ে চিলাহাটি থেকে ঢাকা কমলাপুর পর্যন্ত করা হয়।
সৈয়দপুর-চিলাহাটি রেল অবকাঠামোর কারণে এক পর্যায়ে ট্রেনটি সৈয়দপুর থেকে যাত্রা শুরু করত। তবে ২০১৫ সালের ২৮ জানুয়ারির পর আনুষ্ঠানিকভাবে চিলাহাটি থেকে কমলাপুর পর্যন্ত চলাচল শুরু করে। বর্তমানে উত্তরাঞ্চলের এই রুটে নীলসাগর এক্সপ্রেসের পাশাপাশি আন্তঃনগর চিলাহাটি এক্সপ্রেসও চলাচল করে।
নীলসাগর এক্সপ্রেসের প্রচলিত ট্রেন নম্বর ৭৬৫ ও ৭৬৭। সাধারণভাবে একটি নম্বর ঢাকা থেকে চিলাহাটি এবং অন্যটি চিলাহাটি থেকে ঢাকার যাত্রার সঙ্গে যুক্ত থাকে। তাই টিকিট কাটার সময় যাত্রার দিক অনুযায়ী নম্বরটি যাচাই করা উচিত।
টিকিটের বর্তমান ভাড়া কত?
ঢাকা কমলাপুর থেকে চিলাহাটি পর্যন্ত প্রদত্ত ভাড়ার তালিকায় শোভন চেয়ার ৬৬৫ টাকা, স্নিগ্ধা ১,২৭১ টাকা এবং এসি ১,৫২৪ টাকা। এছাড়াও, অনলাইনে টিকিট কিনলে প্রতি আসনে ২০ টাকা অতিরিক্ত চার্জ প্রযোজ্য বলে তথ্য দেওয়া হয়েছে। ভাড়া পরিবর্তনশীল হতে পারে, তাই অর্থ পরিশোধের আগে সরকারি ই-টিকিট ব্যবস্থায় শেষবারের মতো মিলিয়ে নিন।
| গন্তব্য | শোভন চেয়ার | স্নিগ্ধা | এসি |
|---|---|---|---|
| চিলাহাটি | ৬৬৫ টাকা | ১,২৭১ টাকা | ১,৫২৪ টাকা |
| ডোমার | ৬৬৫ টাকা | ১,২৭১ টাকা | ১,৫২৪ টাকা |
| নীলফামারী | ৬২৫ টাকা | ১,১৯৬ টাকা | ১,৪৩৮ টাকা |
| সৈয়দপুর | ৬০৫ টাকা | ১,১৫৬ টাকা | ১,৩৮৬ টাকা |
| পার্বতীপুর | ৫৮৫ টাকা | ১,১২২ টাকা | ১,৩৪৬ টাকা |
| ফুলবাড়ী | ৫৬৫ টাকা | ১,০৮১ টাকা | ১,২৯৪ টাকা |
| বিরামপুর | ৫৫০ টাকা | ১,০৫৩ টাকা | ১,২৬৫ টাকা |
| জয়পুরহাট | ৫১০ টাকা | ৯৭৮ টাকা | ১,১৭৩ টাকা |
| আক্কেলপুর | ৪৯৫ টাকা | ৯৪৩ টাকা | ১,১৩৩ টাকা |
| সান্তাহার | ৪৭৫ টাকা | ৯০৯ টাকা | ১,০৮৭ টাকা |
| আহসানগঞ্জ | ৪৪৫ টাকা | ৮৫৭ টাকা | ১,০২৪ টাকা |
| নাটোর | ৪২০ টাকা | ৮০৫ টাকা | ৯৬৬ টাকা |
| মুলাদুলি | ৩৭০ টাকা | ৭১৩ টাকা | ৮৫১ টাকা |
| ইব্রাহিমাবাদ | ১৪০ টাকা | ২৭১ টাকা | ৩২২ টাকা |
| জয়দেবপুর | ৫০ টাকা | ১১৫ টাকা | ১২৭ টাকা |
ফিরতি পথে একই গন্তব্যজোড়ার ভাড়া প্রযোজ্য থাকার কথা। তবে অনলাইন সার্ভিস চার্জ, আসন শ্রেণি, রেলওয়ের নতুন ভাড়া কাঠামো বা বিশেষ নির্দেশনার কারণে চূড়ান্ত অর্থের পরিমাণ বদলাতে পারে। তাই পুরনো স্ক্রিনশট বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পোস্ট দেখে টাকা পাঠাবেন না।
সুবিধা ও যাত্রার প্রস্তুতি
দীর্ঘ রুটের ট্রেন হিসেবে নীলসাগর এক্সপ্রেসে যাত্রীদের জন্য বিভিন্ন সুবিধার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। শোভন চেয়ার, স্নিগ্ধা ও এসি আসনের মধ্যে পছন্দ করা যায়। প্রদত্ত তথ্য অনুযায়ী, ট্রেনে পরিষ্কার বসার ব্যবস্থা, শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত আসন, খাবার ও পানীয় এবং নিরাপত্তার ব্যবস্থা রয়েছে।
- দীর্ঘ যাত্রায় বসার জন্য আরামদায়ক আসনের ব্যবস্থা থাকে।
- স্নিগ্ধা ও এসি শ্রেণি বেছে নিলে তুলনামূলক আরামদায়ক ভ্রমণ করা যায়।
- প্রদত্ত তথ্য অনুযায়ী, অতিরিক্ত পাঁচটি কোচ থাকায় যাত্রী ধারণক্ষমতা বেশি।
- অনলাইন ও স্টেশন কাউন্টার—দুই মাধ্যমেই টিকিট কেনার সুযোগ রয়েছে।
- খাবার ও পানীয় পাওয়ার ব্যবস্থা থাকার কথা বলা হয়েছে।
- নামাজের স্থানসহ যাত্রীদের জন্য কিছু অতিরিক্ত সুবিধা রয়েছে।
সাধারণ ভুল হলো যাত্রার সময়কে স্টেশনে পৌঁছানোর সময় ধরে নেওয়া। ধরা যাক, আপনার ট্রেন সকাল ৬টা ৪৫ মিনিটে কমলাপুর ছাড়বে। সেক্ষেত্রে শহরের যানজট, প্রবেশপথ ও টিকিট যাচাইয়ের জন্য ভোরে রওনা হওয়াই বাস্তবসম্মত। একইভাবে, রাত ৮টার ট্রেন ধরতে চিলাহাটিতে অন্তত ৩০ মিনিট আগে পৌঁছানো ভালো।
টিকিট কেনার আগে যে বিষয়গুলো দেখবেন
টিকিট কেনার সময় শুধু ভাড়া নয়, যাত্রার তারিখ, ট্রেন নম্বর, আসনের ধরন ও বোর্ডিং স্টেশনও মিলিয়ে দেখা দরকার। অনলাইনে প্রতি আসনে ২০ টাকা চার্জের তথ্য থাকলেও পেমেন্ট পেজে প্রদর্শিত মোট টাকা চূড়ান্ত হিসেবে বিবেচনা করুন।
- প্রথমে যাত্রার তারিখ এবং ঢাকা বা চিলাহাটি—কোন স্টেশন থেকে উঠবেন তা নির্বাচন করুন।
- এরপর নীলসাগর এক্সপ্রেসের সঠিক ট্রেন নম্বর ও উপলভ্য আসন মিলিয়ে নিন।
- শোভন চেয়ার, স্নিগ্ধা বা এসি শ্রেণির ভাড়া তুলনা করুন।
- যাত্রীর নাম ও পরিচয়সংক্রান্ত তথ্য টিকিটের নির্দেশনা অনুযায়ী লিখুন।
- সবশেষে পেমেন্টের পর ই-টিকিট সংরক্ষণ করুন এবং প্রয়োজনে প্রিন্ট বা মোবাইলে দেখানোর ব্যবস্থা রাখুন।
নির্ভরযোগ্য আপডেটের জন্য বাংলাদেশ রেলওয়ের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট এবং ই-টিকিট প্ল্যাটফর্ম দেখুন। কারণ রুটে সাময়িক পরিবর্তন, ছুটির দিনের বিশেষ সূচি বা আসনসংক্রান্ত নির্দেশনা থাকলে সেখানেই আগে প্রকাশিত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।
সচরাচর জানতে চাওয়া প্রশ্ন
নীলসাগর এক্সপ্রেস কখন ঢাকা ছাড়ে?
ঢাকা কমলাপুর থেকে নীলসাগর এক্সপ্রেস সকাল ৬টা ৪৫ মিনিটে ছাড়ে। নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী বিকেল ৪টায় চিলাহাটি পৌঁছানোর কথা।
চিলাহাটি থেকে ট্রেনটি কখন ছাড়ে?
চিলাহাটি থেকে ট্রেনটি রাত ৮টায় ছাড়ে। তবে ঢাকা কমলাপুরে পৌঁছানোর নির্ধারিত সময় ভোর ৫টা ২৫ মিনিট।
নীলসাগর এক্সপ্রেস ট্রেনের নম্বর কত?
নীলসাগর এক্সপ্রেসের প্রচলিত ট্রেন নম্বর ৭৬৫ ও ৭৬৭। তাই যাত্রার দিক অনুযায়ী সঠিক নম্বরটি টিকিট কাটার সময় যাচাই করুন।
নীলসাগর এক্সপ্রেসের সাপ্তাহিক বন্ধ কবে?
প্রদত্ত তথ্য অনুযায়ী, নীলসাগর এক্সপ্রেসের সাপ্তাহিক বন্ধ বুধবার। তবে বিশেষ সূচি বা রেলওয়ের পরিবর্তন থাকলে সরকারি প্ল্যাটফর্মে তা মিলিয়ে নিন।
এই ট্রেনের প্রধান স্টপেজ কোনগুলো?
প্রধান স্টপেজের মধ্যে চিলাহাটি, ডোমার, নীলফামারী, সৈয়দপুর, পার্বতীপুর, ফুলবাড়ী, বিরামপুর, জয়পুরহাট, আক্কেলপুর, সান্তাহার, নাটোর ও জয়দেবপুর রয়েছে।
অনলাইনে টিকিট কিনলে অতিরিক্ত টাকা লাগে কি?
দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, অনলাইনে প্রতি আসনে ২০ টাকা চার্জ প্রযোজ্য। তবে পেমেন্টের আগে প্ল্যাটফর্মে দেখানো সর্বশেষ মোট ভাড়া পরীক্ষা করাই নিরাপদ।
যাত্রার আগে শেষ যাচাই
নীলসাগর এক্সপ্রেস ট্রেনের সময়সূচী ধরে পরিকল্পনা করলেও যাত্রার দিন রেলওয়ের সর্বশেষ আপডেট দেখা জরুরি। বিশেষ করে ঢাকা-চিলাহাটি রুটে পৌঁছানোর সময়, স্টেশনের নাম ও ভাড়ার তালিকায় সামান্য পার্থক্য থাকতে পারে।
তাই টিকিট কাটার আগে সরকারি ই-টিকিট প্ল্যাটফর্মে তারিখ, আসন, ট্রেন নম্বর ও মোট ভাড়া মিলিয়ে নিন। এছাড়াও, স্টেশনে নির্ধারিত সময়ের কিছু আগে পৌঁছালে ভিড় ও অনাকাঙ্ক্ষিত বিলম্ব সামলানো সহজ হবে।