একতা এক্সপ্রেস (৭০৫) ট্রেনের সময়সূচী ২০২৭ অনুযায়ী ট্রেনটি ঢাকা থেকে পঞ্চগড় যায় এবং সপ্তাহের প্রতিদিন চলার তথ্য দেওয়া হয়েছে। তাই ঢাকা থেকে ছাড়ে সকাল ১০:১৫ BST-এ। এরপর পঞ্চগড়ে পৌঁছায় রাত ৯:০০ BST-এ। নির্ধারিত মোট যাত্রার সময় ১০ ঘণ্টা ৪৫ মিনিট। স্টেশনভেদে বিরতি ২ থেকে ১০ মিনিটের মধ্যে; তবে পঞ্চগড়ে পৌঁছানোর পর আর কোনো প্রস্থান সময় দেওয়া নেই।
মূল তথ্য
- ট্রেন নম্বর: ৭০৫; নাম: একতা এক্সপ্রেস।
- রুট: ঢাকা থেকে পঞ্চগড়।
- চলাচলের দিন: শুক্রবার, শনিবার, রবিবার, সোমবার, মঙ্গলবার, বুধবার ও বৃহস্পতিবার—অর্থাৎ সপ্তাহের প্রতিদিন।
- ঢাকা থেকে নির্ধারিত প্রস্থান: সকাল ১০:১৫ BST।
- পঞ্চগড়ে নির্ধারিত আগমন: রাত ৯:০০ BST।
- মোট যাত্রার সময়: ১০ ঘণ্টা ৪৫ মিনিট।
একতা এক্সপ্রেস ৭০৫ কোথায় যায়
একতা এক্সপ্রেস ৭০৫-এর দেওয়া রুট ঢাকা থেকে শুরু হয়ে পঞ্চগড়ে শেষ হয়েছে। পথে বিমানবন্দর, জয়দেবপুর, টাঙ্গাইল, ইব্রাহিমাবাদ, এস এইচ এম মনসুর আলী, উল্লাপাড়া, ঈশ্বরদী বাইপাস, নাটোর ও সান্তাহার রয়েছে। এরপর ট্রেনটি আক্কেলপুর, জয়পুরহাট, পাঁচবিবি, বিরামপুর, ফুলবাড়ী ও পার্বতীপুর অতিক্রম করে।
উত্তরের অংশে পার্বতীপুরের পর চিরিরবন্দর, দিনাজপুর, সেটাবগঞ্জ, পীরগঞ্জ, ঠাকুরগাঁও রোড, রুহিয়া, কিসমত এবং পঞ্চগড় আসে। ফলে মাঝপথের যাত্রীদের জন্য শুধু ঢাকা ও পঞ্চগড় নয়, একাধিক ওঠানামার স্টেশনও গুরুত্বপূর্ণ।
রুটের শুরুতে ঢাকার পর বিমানবন্দর স্টেশনে ৫ মিনিট এবং জয়দেবপুরে ৩ মিনিট বিরতি রয়েছে। অন্যদিকে, পার্বতীপুরে ১০ মিনিটের বিরতি দেওয়া হয়েছে, যা তালিকায় সবচেয়ে দীর্ঘ স্টেশন বিরতি।
স্টেশনভিত্তিক সময়সূচী
নিচের সময়গুলো BST হিসেবে দেওয়া হয়েছে। “আগমন” ট্রেন স্টেশনে পৌঁছানোর সময়, আর “প্রস্থান” স্টেশন ছাড়ার নির্ধারিত সময় বোঝায়। ঢাকায় ট্রেনটির আগমন সময় নেই, কারণ এটি যাত্রার সূচনাস্থল। একইভাবে পঞ্চগড়ে প্রস্থান সময় দেওয়া নেই, কারণ এটি শেষ স্টেশন।
| ক্রম | স্টেশন | আগমন | বিরতি | প্রস্থান |
|---|---|---|---|---|
| ১ | ঢাকা | — | ০০ মিনিট | ১০:১৫ am |
| ২ | বিমানবন্দর | ১০:৩৮ am | ০৫ মিনিট | ১০:৪৩ am |
| ৩ | জয়দেবপুর | ১১:০৬ am | ০৩ মিনিট | ১১:০৯ am |
| ৪ | টাঙ্গাইল | ১২:০৩ pm | ০২ মিনিট | ১২:০৫ pm |
| ৫ | ইব্রাহিমাবাদ | ১২:২৫ pm | ০২ মিনিট | ১২:২৭ pm |
| ৬ | এস এইচ এম মনসুর আলী | ১২:৪৩ pm | ০২ মিনিট | ১২:৪৫ pm |
| ৭ | উল্লাপাড়া | ০১:০১ pm | ০৩ মিনিট | ০১:০৪ pm |
| ৮ | ঈশ্বরদী বাইপাস | ০২:০৯ pm | ০২ মিনিট | ০২:১১ pm |
| ৯ | নাটোর | ০২:৫৩ pm | ০৪ মিনিট | ০২:৫৭ pm |
| ১০ | সান্তাহার | ০৪:০০ pm | ০৫ মিনিট | ০৪:০৫ pm |
| ১১ | আক্কেলপুর | ০৪:২৫ pm | ০২ মিনিট | ০৪:২৭ pm |
| ১২ | জয়পুরহাট | ০৪:৫০ pm | ০৩ মিনিট | ০৪:৫৩ pm |
| ১৩ | পাঁচবিবি | ০৫:১২ pm | ০২ মিনিট | ০৫:১৪ pm |
| ১৪ | বিরামপুর | ০৫:৩৪ pm | ০৩ মিনিট | ০৫:৩৭ pm |
| ১৫ | ফুলবাড়ী | ০৫:৪৮ pm | ০৩ মিনিট | ০৫:৫১ pm |
| ১৬ | পার্বতীপুর | ০৬:১৫ pm | ১০ মিনিট | ০৬:২৫ pm |
| ১৭ | চিরিরবন্দর | ০৬:৪০ pm | ০২ মিনিট | ০৬:৪২ pm |
| ১৮ | দিনাজপুর | ০৭:০০ pm | ০৫ মিনিট | ০৭:০৫ pm |
| ১৯ | সেটাবগঞ্জ | ০৭:৩৫ pm | ০২ মিনিট | ০৭:৩৭ pm |
| ২০ | পীরগঞ্জ | ০৭:৫১ pm | ০২ মিনিট | ০৭:৫৩ pm |
| ২১ | ঠাকুরগাঁও রোড | ০৮:১৫ pm | ০৩ মিনিট | ০৮:১৮ pm |
| ২২ | রুহিয়া | ০৮:৩৩ pm | ০২ মিনিট | ০৮:৩৫ pm |
| ২৩ | কিসমত | ০৮:৪২ pm | ০২ মিনিট | ০৮:৪৪ pm |
| ২৪ | পঞ্চগড় | ০৯:০০ pm | ০০ মিনিট | — |
সময়গুলো ১২ ঘণ্টার ফরম্যাটে দেওয়া হয়েছে। তাই am মানে দুপুরের আগের সময় এবং pm মানে দুপুরের পরের সময়। যেমন, টাঙ্গাইলে দুপুর ১২:০৩ pm-এ পৌঁছে ১২:০৫ pm-এ ছাড়ার কথা; আর দিনাজপুরে সন্ধ্যা ৭:০০ pm-এ পৌঁছে ৭:০৫ pm-এ ছাড়বে।
ঢাকা থেকে কখন ছাড়ে
একতা এক্সপ্রেস ৭০৫ ঢাকার স্টেশন থেকে সকাল ১০:১৫ BST-এ ছাড়ার কথা। বিমানবন্দর স্টেশনে পৌঁছানোর নির্ধারিত সময় ১০:৩৮ am এবং প্রস্থান ১০:৪৩ am। এরপর জয়দেবপুরে ১১:০৬ am-এ পৌঁছে ১১:০৯ am-এ ছাড়বে।
ঢাকা থেকে ওঠার যাত্রীরা তাই নির্ধারিত সময়ের আগে স্টেশনে পৌঁছানো উচিত। প্ল্যাটফর্মে পৌঁছানোর শেষ মুহূর্তের ওপর নির্ভর করা ঝুঁকিপূর্ণ, কারণ স্টেশনভেদে বিরতি খুব কম। দুই বা তিন মিনিটের বিরতিতে ওঠানামা শেষ করতে দেরি হলে ট্রেন মিস হতে পারে।
ঢাকা থেকে বিমানবন্দর বা জয়দেবপুরে ওঠার পরিকল্পনা থাকলে সংশ্লিষ্ট স্টেশনের প্রস্থান সময় আলাদা করে মনে রাখা দরকার। তবে ঢাকার ১০:১৫ am সময়টি বিমানবন্দর বা জয়দেবপুরের জন্য প্রযোজ্য নয়।
মাঝপথের গুরুত্বপূর্ণ স্টপেজ
টাঙ্গাইলে একতা এক্সপ্রেস ১২:০৩ pm-এ পৌঁছাবে এবং ১২:০৫ pm-এ ছাড়বে। ইব্রাহিমাবাদ, এস এইচ এম মনসুর আলী ও উল্লাপাড়ায়ও বিরতি যথাক্রমে ২, ২ ও ৩ মিনিট। ফলে এই অংশে যাত্রীদের দ্রুত ওঠানামার প্রস্তুতি রাখা দরকার।
ঈশ্বরদী বাইপাসে আগমন ০২:০৯ pm এবং প্রস্থান ০২:১১ pm। এরপর নাটোরে ০২:৫৩ pm-এ পৌঁছে ০২:৫৭ pm-এ ছাড়বে। সান্তাহারে ০৪:০০ pm-এ পৌঁছে ৫ মিনিট পর ০৪:০৫ pm-এ ট্রেনটি আবার চলবে।
সান্তাহারের পর আক্কেলপুর, জয়পুরহাট, পাঁচবিবি, বিরামপুর ও ফুলবাড়ীতে থামার সময় ২ বা ৩ মিনিট। যেমন, জয়পুরহাটে আগমন ০৪:৫০ pm ও প্রস্থান ০৪:৫৩ pm। পাঁচবিবিতে এই সময়গুলো ০৫:১২ pm এবং ০৫:১৪ pm।
পার্বতীপুরে দীর্ঘ বিরতি
পার্বতীপুর এই তালিকার বিশেষ স্টপেজ। ট্রেনটি সেখানে ০৬:১৫ pm-এ পৌঁছে ১০ মিনিট বিরতির পর ০৬:২৫ pm-এ ছাড়ার কথা। অন্য স্টেশনগুলোর তুলনায় এই বিরতি বেশি হলেও যাত্রীদের ট্রেন ছেড়ে প্ল্যাটফর্মে দূরে যাওয়া উচিত নয়।
পার্বতীপুরের পর চিরিরবন্দরে আগমন ০৬:৪০ pm এবং প্রস্থান ০৬:৪২ pm। এরপর দিনাজপুরে ০৭:০০ pm-এ পৌঁছে ০৭:০৫ pm-এ ছাড়বে। সেটাবগঞ্জ, পীরগঞ্জ ও ঠাকুরগাঁও রোডে যথাক্রমে ২, ২ ও ৩ মিনিট বিরতি রয়েছে।
পঞ্চগড়ে পৌঁছানোর সময়
একতা এক্সপ্রেস ৭০৫ রুহিয়ায় ০৮:৩৩ pm-এ পৌঁছে ০৮:৩৫ pm-এ ছাড়বে। এরপর কিসমতে আগমন ০৮:৪২ pm এবং প্রস্থান ০৮:৪৪ pm। শেষ গন্তব্য পঞ্চগড়ে পৌঁছানোর নির্ধারিত সময় ০৯:০০ pm।
পঞ্চগড়ের সারিতে কোনো প্রস্থান সময় নেই। এর অর্থ, দেওয়া তথ্য অনুযায়ী পঞ্চগড়ই ট্রেনটির শেষ স্টেশন। তাই যাত্রীরা নামার প্রস্তুতি আগে থেকে নিলে শেষ মুহূর্তে দরজা বা লাগেজ নিয়ে চাপ কমে।
ঢাকা থেকে সকাল ১০:১৫ am থেকে পঞ্চগড়ে রাত ০৯:০০ pm পর্যন্ত ব্যবধান ১০ ঘণ্টা ৪৫ মিনিট। প্রদত্ত মোট যাত্রার সময়ও ১০ ঘণ্টা ৪৫ মিনিট। তবে বাস্তব পরিচালনায় বিলম্ব হলে পৌঁছানোর সময় পরিবর্তিত হতে পারে।
সময়সূচী পড়ার সঠিক পদ্ধতি
স্টেশনভিত্তিক সময়সূচী বুঝতে প্রথমে নিজের ওঠার স্টেশন খুঁজুন। তারপর সেই সারির “প্রস্থান” সময় দেখুন। নামার ক্ষেত্রে “আগমন” সময় অনুসরণ করুন। কারণ একই স্টেশনের আগমন ও প্রস্থানের মাঝের ব্যবধানই নির্ধারিত বিরতি।
উদাহরণস্বরূপ, নাটোরে ০২:৫৩ pm আগমন এবং ০২:৫৭ pm প্রস্থান মানে ৪ মিনিটের বিরতি। আবার পঞ্চগড়ে শুধু ০৯:০০ pm আগমন আছে। সেখানে প্রস্থান সময় না থাকায় পঞ্চগড়কে শেষ গন্তব্য হিসেবে ধরতে হবে।
আরেকটি বিষয় হলো, দেওয়া সময়ে am ও pm আলাদা করে লেখা আছে। তাই ১০:১৫ am-কে সকাল ১০:১৫ এবং ০৯:০০ pm-কে রাত ৯:০০ হিসেবে পড়তে হবে। ১২:০৩ pm দুপুরের সময়; এটিকে রাত ১২:০৩ ভাবলে পুরো যাত্রার হিসাব ভুল হবে।
সাধারণ ভুল ও সতর্কতা
- ঢাকার প্রস্থান সময় দেখে বিমানবন্দর বা জয়দেবপুরে ওঠার পরিকল্পনা করা ভুল। কারণ প্রতিটি স্টেশনের সময় আলাদা।
- আগমন সময়কে ট্রেন ছাড়ার সময় ধরে নেওয়া ঠিক নয়। তাই ওঠার জন্য প্রস্থান সময় বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
- পার্বতীপুরে ১০ মিনিট বিরতি থাকলেও সেটিকে দীর্ঘ বিশ্রামের সুযোগ ভাবা উচিত নয়। ফলে নির্ধারিত সময়ের আগেই ট্রেনে ফিরুন।
- সপ্তাহের দিন না মিলিয়ে টিকিট বা ভ্রমণ পরিকল্পনা করা উচিত নয়। প্রদত্ত তথ্য অনুযায়ী সাত দিনই চলাচলের উল্লেখ আছে, তবু ভ্রমণের আগে অফিসিয়াল তথ্য মিলিয়ে নিন।
- BST সময়কে স্থানীয় সময়ের সঙ্গে গুলিয়ে ফেলবেন না। কারণ তালিকায় সব সময় BST হিসেবে দেওয়া হয়েছে।
- পঞ্চগড়ে প্রস্থান সময় না থাকায় সেখানে ফেরতযাত্রার সময় ধরে নেওয়া যাবে না। ফেরার জন্য আলাদা ট্রেনের তথ্য দরকার।
- সময়সূচীকে বিলম্বের নিশ্চয়তা হিসেবে ব্যবহার করা ঠিক নয়। তবে নির্ধারিত সময় এবং বাস্তব ট্রেন চলাচল এক নাও হতে পারে।
যাত্রার আগে কী করবেন
- বাংলাদেশ রেলওয়ের অফিসিয়াল ট্রেন তথ্য পোর্টাল থেকে ট্রেন নম্বর ৭০৫ ও যাত্রার তারিখ মিলিয়ে নিন।
- নিজের ওঠার স্টেশনের “প্রস্থান” সময় নোট করুন; শুধু ঢাকা থেকে ছাড়ার সময়ের ওপর নির্ভর করবেন না।
- স্টেশনে নির্ধারিত সময়ের আগে পৌঁছান, বিশেষ করে ২ বা ৩ মিনিটের বিরতিসম্পন্ন স্টেশনগুলোর জন্য।
- টিকিটের স্টেশন, যাত্রার দিন ও ট্রেন নম্বর একসঙ্গে যাচাই করুন। কারণ ভুল স্টেশন নির্বাচন করলে একই রুট হলেও বোর্ডিং পরিকল্পনা বদলে যেতে পারে।
- যাত্রার দিনে অফিসিয়াল আপডেট, প্ল্যাটফর্ম তথ্য ও সম্ভাব্য বিলম্ব সম্পর্কে স্টেশন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুসরণ করুন।
- রাত ৯:০০ pm-এর পর পঞ্চগড়ে পৌঁছানোর পরিকল্পনা থাকলে গন্তব্যে যাওয়ার পরের পরিবহন আগে থেকে ভেবে রাখুন।
যা অনেকেই খেয়াল করেন না
শুধু ঢাকা ও পঞ্চগড়ের সময় জানলেই পুরো পরিকল্পনা তৈরি হয় না। মাঝপথে ওঠা যাত্রীদের জন্য মূল সময় হলো সংশ্লিষ্ট স্টেশনের প্রস্থান সময়, আর নামার যাত্রীদের জন্য মূল সময় হলো আগমন সময়। ফলে এই দুই সময়ের পার্থক্য না বুঝলে একই স্টেশনে অপেক্ষা করেও ট্রেন মিস হতে পারে।
আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো, সময়সূচীতে কয়েকটি স্টেশনের নাম ইংরেজি বানানের কাছাকাছি বাংলা রূপে লেখা হয়েছে। যেমন Thakurgaon Road-এর বাংলা নাম ঠাকুরগাঁও রোড এবং SH M Monsur Ali-এর বাংলা রূপ এস এইচ এম মনসুর আলী। তবে টিকিট বা অফিসিয়াল অনুসন্ধানে স্টেশনের বানান ভিন্নভাবে দেখা গেলে ট্রেন নম্বর ও রুট দিয়ে মিলিয়ে নিন।
এখানে স্টেশনভিত্তিক বিরতি ও ভ্রমণপর্বের সময় দেওয়া হয়েছে, কিন্তু ভাড়া, আসন শ্রেণি, টিকিট বিক্রির সময় বা ফেরতযাত্রার সময় দেওয়া নেই। তাই এসব বিষয়ে অনুমান না করে বাংলাদেশ রেলওয়ের সংশ্লিষ্ট অফিসিয়াল তথ্য ব্যবহার করা উচিত।
FAQ
একতা এক্সপ্রেস ৭০৫ কি প্রতিদিন চলে?
প্রদত্ত সময়সূচীতে শুক্রবার, শনিবার, রবিবার, সোমবার, মঙ্গলবার, বুধবার ও বৃহস্পতিবার—সব দিনের উল্লেখ আছে। অর্থাৎ এখানে সাপ্তাহিক বন্ধের দিন দেখানো হয়নি। তবু নির্দিষ্ট তারিখে যাত্রার আগে অফিসিয়াল পোর্টালে চলাচল নিশ্চিত করুন।
একতা এক্সপ্রেস ৭০৫ ঢাকা থেকে কখন ছাড়ে?
একতা এক্সপ্রেস ৭০৫ ঢাকার স্টেশন থেকে সকাল ১০:১৫ BST-এ ছাড়ার কথা। বিমানবন্দর থেকে প্রস্থান ১০:৪৩ am এবং জয়দেবপুর থেকে ১১:০৯ am। তাই ওঠার স্টেশন অনুযায়ী সময় আলাদা করে দেখুন।
পঞ্চগড়ে ট্রেনটি কখন পৌঁছায়?
পঞ্চগড়ে নির্ধারিত আগমন সময় রাত ০৯:০০ BST। পঞ্চগড়ের সারিতে কোনো প্রস্থান সময় নেই, কারণ দেওয়া রুট তালিকায় এটি শেষ স্টেশন হিসেবে দেখানো হয়েছে। তবে বাস্তব বিলম্ব হলে পৌঁছানোর সময় পরিবর্তিত হতে পারে।
একতা এক্সপ্রেস ৭০৫-এর মোট সময় কত?
ঢাকা থেকে পঞ্চগড় পর্যন্ত মোট নির্ধারিত যাত্রার সময় ১০ ঘণ্টা ৪৫ মিনিট। ঢাকা থেকে সকাল ১০:১৫ am ছেড়ে পঞ্চগড়ে রাত ০৯:০০ pm পৌঁছানোর ব্যবধানও ১০ ঘণ্টা ৪৫ মিনিট।
পার্বতীপুরে একতা এক্সপ্রেস কতক্ষণ থামে?
পার্বতীপুরে ট্রেনটির নির্ধারিত বিরতি ১০ মিনিট। আগমন সময় ০৬:১৫ pm এবং প্রস্থান সময় ০৬:২৫ pm। বিরতি তুলনামূলক বেশি হলেও যাত্রীদের প্ল্যাটফর্মে অবস্থান করে নির্ধারিত প্রস্থানের আগেই ট্রেনে ফিরতে হবে।
ট্রেনটির ভাড়া কোথায় জানা যাবে?
প্রদত্ত সময়সূচীতে ভাড়ার তথ্য নেই। ভাড়া আসন শ্রেণি, যাত্রার স্টেশন ও প্রযোজ্য রেলওয়ে নিয়মের ওপর নির্ভর করতে পারে। তাই বাংলাদেশ রেলওয়ের অফিসিয়াল টিকিটিং বা ট্রেন তথ্য পোর্টালে বর্তমান ভাড়া যাচাই করুন।
সারকথা: একতা এক্সপ্রেস ৭০৫ ঢাকা থেকে সকাল ১০:১৫ BST-এ ছেড়ে পঞ্চগড়ে রাত ০৯:০০ BST-এ পৌঁছানোর নির্ধারিত সময়সূচী দেওয়া হয়েছে। তাই যাত্রার আগে নিজের স্টেশনের প্রস্থান সময়, যাত্রার তারিখ এবং অফিসিয়াল সর্বশেষ আপডেট অবশ্যই মিলিয়ে নিন।