লালমনি এক্সপ্রেস ট্রেনের সময়সূচী আগে জানলে রাতের যাত্রায় তারিখ ভুল হওয়া, ভুল স্টেশনে অপেক্ষা করা বা সংযোগ ট্রেন মিস করার ঝুঁকি কমে। ২০২৬ সালে ব্যবহৃত তথ্য অনুযায়ী, ট্রেনটি ঢাকা কমলাপুর থেকে রাত ৯:৪৫ মিনিটে ছেড়ে লালমনিরহাটে ভোর ৭:৩০ মিনিটে পৌঁছায়। ফিরতি যাত্রায় লালমনিরহাট থেকে সকাল ১০টায় ছেড়ে ঢাকা পৌঁছানোর নির্ধারিত সময় সন্ধ্যা ৭:৪০ মিনিট।
তবে একটি বিষয় শুরুতেই পরিষ্কার করা দরকার। সরবরাহ করা বিভিন্ন তালিকায় লালমনিরহাট পৌঁছানোর সময় ৭:২০ ও ৭:৩০ মিনিট এবং ঢাকায় পৌঁছানোর সময় ৮:১০ ও ৭:৪০ মিনিট—দুই ধরনের তথ্য রয়েছে। তাই নিচের স্টেশনভিত্তিক সারণিতে দেওয়া সময়কে মূল রেফারেন্স হিসেবে ধরা হয়েছে। যাত্রার আগে বাংলাদেশ রেলওয়ের ই-টিকিট প্ল্যাটফর্মে আসন ও সর্বশেষ সময় যাচাই করুন।
- ঢাকা থেকে লালমনিরহাট: রাত ৯:৪৫ মিনিট থেকে সকাল ৭:৩০ মিনিট
- লালমনিরহাট থেকে ঢাকা: সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৭:৪০ মিনিট
- সাপ্তাহিক বন্ধ: শুক্রবার
- ট্রেন নম্বর: ঢাকা থেকে ৭৫১, লালমনিরহাট থেকে ৭৫২
লালমনি এক্সপ্রেস ট্রেনের সময়সূচী
লালমনি এক্সপ্রেস ট্রেনের সময়সূচী অনুযায়ী, ঢাকা কমলাপুর থেকে ট্রেনটি রাত ৯:৪৫ মিনিটে ছাড়ে এবং পথে ১৯টি স্টেশনে যাত্রাবিরতি করে। নির্ধারিত সারণিতে লালমনিরহাট পৌঁছানোর সময় সকাল ৭:৩০ মিনিট। ফলে পুরো যাত্রায় প্রায় ৯ ঘণ্টা ৪৫ মিনিট সময় লাগে।
| স্টেশনের নাম | ঢাকা থেকে ছাড়ার পর সময় |
|---|---|
| ঢাকা কমলাপুর | রাত ৯:৪৫ |
| বিমানবন্দর | রাত ১০:১৩ |
| জয়দেবপুর | রাত ১০:৩৯ |
| টাঙ্গাইল | রাত ১১:৩৫ |
| ইব্রাহিমাবাদ | রাত ১২:০৫ |
| এম. মনসুর আলী | রাত ১২:৩৪ |
| উল্লাপাড়া | রাত ১২:৫৩ |
| বড়াল ব্রিজ | রাত ১:১৫ |
| আজিম নগর | রাত ২:০৩ |
| নাটোর | রাত ২:৪২ |
| সান্তাহার | রাত ৩:৫০ |
| বগুড়া | ভোর ৪:৩৩ |
| সোনাতলা | ভোর ৫:০৫ |
| বোনারপাড়া | ভোর ৫:২৫ |
| গাইবান্ধা | ভোর ৫:৫১ |
| বামনডাঙ্গা | ভোর ৬:২২ |
| পীরগাছা | ভোর ৬:৪৩ |
| কাউনিয়া | সকাল ৭:০৩ |
| তিস্তা জংশন | সকাল ৭:১২ |
| লালমনিরহাট | সকাল ৭:৩০ |
লালমনিরহাট থেকে ঢাকা
লালমনি এক্সপ্রেস ট্রেনের সময়সূচী অনুসারে, লালমনিরহাট স্টেশন থেকে ট্রেনটি সকাল ১০টায় ছাড়ে। এরপর নির্ধারিত বিরতিগুলো শেষে ঢাকা কমলাপুরে পৌঁছানোর সময় সন্ধ্যা ৭:৪০ মিনিট। অন্যদিকে, উত্তরবঙ্গের দীর্ঘ রুটে সিগন্যাল, স্টেশন পরিচালনা বা লাইনের পরিস্থিতির কারণে বাস্তবে কিছুটা দেরি হতে পারে।
| স্টেশনের নাম | ছাড়ার সময় |
|---|---|
| লালমনিরহাট | সকাল ১০:০০ |
| তিস্তা জংশন | সকাল ১০:১৮ |
| কাউনিয়া | সকাল ১০:২৮ |
| পীরগাছা | সকাল ১০:৪৫ |
| বামনডাঙ্গা | সকাল ১১:০৫ |
| গাইবান্ধা | সকাল ১১:৩৭ |
| বোনারপাড়া | দুপুর ১২:০২ |
| সোনাতলা | দুপুর ১২:২১ |
| বগুড়া | দুপুর ১২:৫৪ |
| সান্তাহার | দুপুর ১:৪০ |
| নাটোর | দুপুর ২:২৬ |
| আজিম নগর | দুপুর ২:৫৩ |
| বড়াল ব্রিজ | দুপুর ২:৫৩ |
| উল্লাপাড়া | দুপুর ২:৫৩ |
| এম. মনসুর আলী | বিকেল ৪:২১ |
| ইব্রাহিমাবাদ | বিকেল ৫:০৪ |
| টাঙ্গাইল | বিকেল ৫:২৮ |
| জয়দেবপুর | সন্ধ্যা ৬:৪৩ |
| বিমানবন্দর | সন্ধ্যা ৭:১৫ |
| ঢাকা কমলাপুর | সন্ধ্যা ৭:৪০ |
ফিরতি সারণিতে আজিম নগর, বড়াল ব্রিজ ও উল্লাপাড়ার জন্য একই সময় দেখানো হয়েছে। কিন্তু বাস্তবে এই স্টেশনগুলোর মধ্যে ট্রেন চলাচলের দূরত্ব থাকায় সময়টি যাচাই করা জরুরি। তাই টিকিট কাটার সময় অফিসিয়াল সিস্টেমে নির্বাচিত স্টেশনের নির্দিষ্ট সময় দেখুন।
আরও জেনে নিনঃ রাজশাহী কমিউটার ট্রেনের সময়সূচী
কোথায় কোথায় থামে
লালমনি এক্সপ্রেস ঢাকা, টাঙ্গাইল, বগুড়া, গাইবান্ধা ও লালমনিরহাটসহ উত্তর ও মধ্যাঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ স্টেশনে থামে। পুরো রুটে ১৯টি যাত্রাবিরতি থাকায় এটি সরাসরি দ্রুতগামী সেবার চেয়ে বেশি স্টপেজ-নির্ভর আন্তঃনগর সংযোগ দেয়।
- ঢাকা কমলাপুর, বিমানবন্দর ও জয়দেবপুর
- টাঙ্গাইল, ইব্রাহিমাবাদ, এম. মনসুর আলী ও উল্লাপাড়া
- বড়াল ব্রিজ, আজিম নগর, নাটোর ও সান্তাহার
- বগুড়া, সোনাতলা, বোনারপাড়া ও গাইবান্ধা
- বামনডাঙ্গা, পীরগাছা, কাউনিয়া, তিস্তা জংশন ও লালমনিরহাট
উদাহরণ হিসেবে, লালমনিরহাট থেকে গাইবান্ধা যেতে ট্রেনটি সকাল ১০টায় ছাড়ে এবং নির্ধারিত সময়ে সকাল ১১:৩৭ মিনিটে গাইবান্ধায় পৌঁছায়। অর্থাৎ এই অংশের যাত্রা সময় প্রায় ১ ঘণ্টা ৩৭ মিনিট। তবে শিডিউল বিপর্যয় হলে সময় বাড়তে পারে।
টিকিটের ভাড়া কত
লালমনি এক্সপ্রেসে আসনের শ্রেণি অনুযায়ী ভাড়া আলাদা। সরবরাহ করা ভাড়ার তালিকায় শোভন চেয়ার সবচেয়ে কম এবং এসি বার্থ বা স্লিপের ভাড়া সবচেয়ে বেশি। এছাড়া, নিচের মূল্যগুলো টুলসহ বা উল্লেখিত অতিরিক্ত চার্জসহ দেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। তাই টিকিট কাটার আগে সরকারি প্ল্যাটফর্মে চূড়ান্ত মূল্য মিলিয়ে নিন।
| আসনের ধরন | উল্লেখিত টিকিট মূল্য | কার জন্য উপযোগী |
|---|---|---|
| শোভন চেয়ার | ৬৮০ টাকা | কম বাজেটের দিনের বা রাতের যাত্রা |
| স্নিগ্ধা | ১,৩০০ টাকা | আরও আরামদায়ক আসনপ্রত্যাশী যাত্রী |
| এসি বার্থ বা স্লিপ | ২,৩৮৫ টাকা | রাতের দীর্ঘ যাত্রায় বেশি আরাম |
ভাড়া, আসন বরাদ্দ ও কোচের প্রাপ্যতা সময়ে সময়ে পরিবর্তিত হতে পারে। তাই কোনো ব্যক্তিগত WhatsApp নম্বরে প্রতি সিটে ২০ টাকা অতিরিক্ত দেওয়ার দাবি থাকলে আগে তার বৈধতা নিশ্চিত করুন। নিরাপদ পদ্ধতি হলো বাংলাদেশ রেলওয়ের অনুমোদিত টিকিটিং চ্যানেল ব্যবহার করা এবং পেমেন্টের রসিদ সংরক্ষণ করা।
রাতের টিকিটে তারিখের ভুল
ঢাকা থেকে লালমনিরহাটগামী ট্রেনটি রাতে ছাড়ে এবং মাঝরাতে রুটের পরের অংশে পৌঁছায়। ফলে নির্দিষ্ট স্টেশনের জন্য টিকিট কাটার সময় ক্যালেন্ডারের তারিখ ভুল বোঝার সুযোগ থাকে। বিশেষ করে বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব বা তার পরের স্টেশনে উঠতে চাইলে এই বিষয়টি সতর্কভাবে দেখুন।
তারিখ কীভাবে মিলাবেন
ধরা যাক, আপনি ১৫ তারিখ রাতে ঢাকা থেকে রওনা হবেন। রাত ১২টার পর নতুন দিন শুরু হওয়ায় সেতু পূর্বের পরের স্টেশনের জন্য টিকিটের তারিখ ১৬ তারিখ হতে পারে। তবে চূড়ান্ত তারিখ ট্রেনের টিকিটিং সিস্টেমে যাত্রার স্টেশন ও বোর্ডিং সময় মিলিয়ে নির্বাচন করুন।
- প্রথমে বোর্ডিং স্টেশন নির্ধারণ করুন।
- এরপর ঢাকা ছাড়ার সময় এবং আপনার স্টেশনে পৌঁছানোর আনুমানিক সময় আলাদা করে দেখুন।
- মধ্যরাত পার হলে টিকিটের তারিখ বদলেছে কি না যাচাই করুন।
- সবশেষে ই-টিকিটে যাত্রার তারিখ, কোচ ও আসন নম্বর মিলিয়ে নিন।
ইতিহাস ও যাত্রার সুবিধা
লালমনিরহাট রুট ১৯৮৬ সালে চালু হলেও আন্তঃনগর লালমনি এক্সপ্রেস সেবা শুরু হয় ২০০৪ সালের ৭ মার্চ। এরপর দুই দশকের বেশি সময় ধরে ট্রেনটি লালমনিরহাট জেলার যাত্রীদের ঢাকা ও পথে থাকা গুরুত্বপূর্ণ শহরের সঙ্গে যোগাযোগে সহায়তা করছে।
বর্তমানে লালমনি এক্সপ্রেস ইন্দোনেশিয়ান কোচে চলাচল করছে বলে সরবরাহ করা তথ্যে উল্লেখ আছে। তবে কোচ বিন্যাস ও সুবিধা নির্দিষ্ট ট্রিপে বদলাতে পারে। তাই বুকিংয়ের সময় কোচের ধরন দেখা ভালো।
- নির্ধারিত সময়ে ছাড়ার ব্যবস্থা
- দীর্ঘ যাত্রার জন্য তুলনামূলক আরামদায়ক আসন
- খাবার ও পানীয় পাওয়ার সুযোগ
- এসি, নন-এসি এবং স্লিপার শ্রেণির আসন
- মোবাইল চার্জিং সুবিধা
- ইন্দোনেশিয়ান লাল-সবুজ কোচ
- ৭০০-এর বেশি আসন থাকার তথ্য
কম বাজেটের যাত্রী শোভন চেয়ার বেছে নিতে পারেন। অন্যদিকে, রাতের প্রায় ১০ ঘণ্টার যাত্রায় ঘুম বা ব্যক্তিগত আরাম বেশি গুরুত্বপূর্ণ হলে স্নিগ্ধা কিংবা এসি বার্থ বিবেচনা করা যুক্তিযুক্ত। তবে ভাড়া বাড়ার সঙ্গে সুবিধা বাড়ে বলেই প্রত্যেক যাত্রীর জন্য সবচেয়ে দামি শ্রেণিই সেরা হবে, এমন নয়।
বিকল্প ট্রেনের সঙ্গে তুলনা
ঢাকা ও লালমনিরহাট রুটে লালমনি এক্সপ্রেসের পাশাপাশি আন্তঃনগর বুড়িমারী এক্সপ্রেস চলাচল করে। এছাড়াও, সরবরাহ করা তথ্যে রংপুর, কুড়িগ্রাম বা পীরগাছা অভিমুখে কম সময়ে যেতে রংপুর এক্সপ্রেসকেও একটি সম্ভাব্য বিকল্প হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
| বিষয় | লালমনি এক্সপ্রেস | বিকল্প বাছাইয়ের দিক |
|---|---|---|
| প্রধান রুট | ঢাকা–লালমনিরহাট | বুড়িমারী এক্সপ্রেসের সময়ও মিলিয়ে দেখা যায় |
| রাতের যাত্রা | ঢাকা থেকে রাত ৯:৪৫ | রাতের যাত্রা সুবিধাজনক হলে উপযোগী |
| স্টপেজ | ১৯টি নির্ধারিত বিরতি | কম স্টপেজের ট্রেন হলে সময় কম লাগতে পারে |
| বাজেট | শোভন চেয়ার ৬৮০ টাকা উল্লেখিত | উপলভ্য শ্রেণি ও চূড়ান্ত ভাড়া তুলনা করুন |
সাধারণ ভুল হলো শুধু ট্রেনের নাম দেখে সিদ্ধান্ত নেওয়া। প্রকৃতপক্ষে, আপনার বোর্ডিং স্টেশন, নামার স্টেশন, শুক্রবারের বন্ধ এবং যাত্রার তারিখ—এই চারটি বিষয় একসঙ্গে বিচার করলেই তুলনাটি কার্যকর হয়।
বিশেষজ্ঞ পরামর্শ ও ভুল
বুকিংয়ের আগে যা দেখবেন
- প্রথমে শুক্রবার ট্রেনটি বন্ধ কি না যাচাই করুন।
- এরপর সঠিক বোর্ডিং ও গন্তব্য স্টেশন নির্বাচন করুন।
- রাতের যাত্রায় তারিখ পরিবর্তনের বিষয়টি মিলিয়ে নিন।
- ভাড়ার সঙ্গে সার্ভিস চার্জ বা অতিরিক্ত ফি যুক্ত আছে কি না দেখুন।
- সবশেষে ই-টিকিট, পরিচয়পত্র ও পেমেন্ট রসিদ সঙ্গে রাখুন।
যে ভুলগুলো এড়াবেন
একই রুটের বিভিন্ন অনলাইন তালিকায় সময়ের পার্থক্য দেখা গেলে পুরোনো তথ্য ধরে টিকিট কাটা ঠিক নয়। বিশেষ করে লালমনিরহাট পৌঁছানোর ৭:২০ বা ৭:৩০ মিনিট এবং ঢাকায় ফেরার ৭:৪০ বা ৮:১০ মিনিটের মতো অসঙ্গতি থাকলে অফিসিয়াল সিস্টেমের তথ্যকে অগ্রাধিকার দিন।
আরেকটি ভুল হলো ব্যক্তিগত মধ্যস্থতাকারীকে অগ্রিম অর্থ পাঠানো। তাই অনুমোদিত উৎস, লেনদেনের রসিদ এবং টিকিটের পিএনআর যাচাই না করে কোনো বুকিং সম্পন্ন করবেন না।
লালমনি এক্সপ্রেস সম্পর্কে FAQ
লালমনি এক্সপ্রেসের কোড কত?
ঢাকা থেকে লালমনিরহাটগামী লালমনি এক্সপ্রেসের কোড ৭৫১। অন্যদিকে, লালমনিরহাট থেকে ঢাকাগামী ট্রেনের কোড ৭৫২।
লালমনি এক্সপ্রেস কোন দিন বন্ধ?
প্রদত্ত সময়সূচী অনুযায়ী, ৭৫১ ও ৭৫২ নম্বর লালমনি এক্সপ্রেস প্রতি শুক্রবার বন্ধ থাকে। তাই শনিবার থেকে বৃহস্পতিবার ট্রেনটি চলার কথা।
ঢাকা থেকে ট্রেনটি কখন ছাড়ে?
ঢাকা কমলাপুর থেকে লালমনি এক্সপ্রেস রাত ৯:৪৫ মিনিটে ছাড়ে। বিভিন্ন স্টেশনে বিরতির কারণে লালমনিরহাটে পৌঁছাতে প্রায় ৯ ঘণ্টা ৪৫ মিনিট লাগে।
লালমনিরহাট থেকে গাইবান্ধা যেতে কত সময় লাগে?
লালমনিরহাট থেকে সকাল ১০টায় ছেড়ে নির্ধারিত সময়ে গাইবান্ধায় সকাল ১১:৩৭ মিনিটে পৌঁছায়। তবে শিডিউল বিপর্যয় হলে যাত্রার সময় বাড়তে পারে।
লালমনি এক্সপ্রেসে শোভন চেয়ারের ভাড়া কত?
সরবরাহ করা তালিকায় শোভন চেয়ারের ভাড়া ৬৮০ টাকা উল্লেখ আছে। তাই টিকিট কাটার সময় সার্ভিস চার্জসহ সরকারি প্ল্যাটফর্মে চূড়ান্ত মূল্য যাচাই করুন।
ট্রেনটি কি এসি বার্থে চলে?
প্রদত্ত তথ্য অনুযায়ী, এসি বার্থ বা স্লিপার শ্রেণির ভাড়া ২,৩৮৫ টাকা। তবে আসন ও কোচের প্রাপ্যতা ট্রিপভেদে বদলাতে পারে, তাই বুকিংয়ের আগে সিস্টেমে দেখুন।
যাত্রার আগে শেষ যাচাই
লালমনি এক্সপ্রেস উত্তরবঙ্গের দীর্ঘ রুটে গুরুত্বপূর্ণ আন্তঃনগর সংযোগ দেয়। ১৯টি যাত্রাবিরতি, রাতের ঢাকা-গামী যাত্রা এবং শুক্রবারের সাপ্তাহিক বন্ধ—এই তিনটি বিষয় পরিকল্পনায় সবচেয়ে বেশি প্রভাব ফেলে।
তাই টিকিট কাটার আগে অফিসিয়াল রেলওয়ে প্ল্যাটফর্মে সময়, ভাড়া, আসন, কোচ ও যাত্রার তারিখ মিলিয়ে নিন। বিশেষ করে মধ্যরাত অতিক্রম করা স্টেশনের ক্ষেত্রে তারিখটি আবার পরীক্ষা করাই নিরাপদ।