মালয়েশিয়া কলিং ভিসা আপডেট ২০২৬ | মালয়েশিয়া কলিং ভিসা কবে চালু হবে ২০২৬

আপডেট পেতে WhatsApp চ্যানেল ফলো করুন 🥳 ফলো করুন

মালয়েশিয়া কলিং ভিসা আপডেট নিয়ে আপনার সবচেয়ে জরুরি প্রশ্ন কি হলো—ভিসা সত্যিই খুলেছে, নাকি শুধু এজেন্সির প্রচার? প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী ২১ আগস্ট ২০২৬ থেকে কলিং ভিসা চালুর ঘোষণা এসেছে। তবে মেডিকেল, ওয়ার্ক অর্ডার, ভিসা প্রসেসিং ও যাত্রার কার্যক্রম ধাপে ধাপে শুরু হওয়ার কথা। তাই টাকা বা পাসপোর্ট জমা দেওয়ার আগে BMET-এর নোটিশ যাচাই করা জরুরি।

  • FWCMS-এ বাংলাদেশের ২৫টি রিক্রুটিং এজেন্সি অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।
  • এছাড়াও, এই ২৫ এজেন্সির অধীনে ২৫০টি সাব-এজেন্সি রয়েছে।
  • BOESL-এর ৬২টি এজেন্সিসহ মোট তালিকায় ৩৩৮টি এজেন্সি স্থান পেয়েছে।
  • তবে মেডিকেলের নির্দিষ্ট তারিখ এখনো নিশ্চিতভাবে ঘোষণা করা হয়নি।

মালয়েশিয়া কলিং ভিসা আপডেট কী বলছে?

মালয়েশিয়া কলিং ভিসা আপডেট অনুযায়ী ২১ আগস্ট ২০২৬ থেকে ভিসা কার্যক্রম চালুর ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। তবে ঘোষণা হওয়া আর বাস্তবে মেডিকেল, ভিসা স্টিকার, ম্যানপাওয়ার ক্লিয়ারেন্স ও ফ্লাইট শুরু হওয়া এক বিষয় নয়। ফলে প্রতিটি ধাপের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদন এবং নোটিশ প্রয়োজন।

প্রাপ্ত তথ্যে চলতি মাসের শেষদিকে মেডিকেল ও ভিসা কার্যক্রম শুরু হওয়ার সম্ভাবনার কথা বলা হয়েছে। তবে এটি সম্ভাব্য সময়সূচি, চূড়ান্ত সরকারি নিশ্চয়তা নয়। ফলে কোনো এজেন্সি দ্রুত টাকা জমা দেওয়ার চাপ দিলে আগে জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর নোটিশ দেখে নিন।

FWCMS-এ থাকা ২৫ এজেন্সি

বাংলাদেশ থেকে মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানোর জন্য FWCMS-এ ২৫টি রিক্রুটিং এজেন্সির নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। তালিকায় থাকা মানে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান কর্মী নিয়োগ প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত হতে পারে। তবে তালিকাভুক্ত হওয়াকে কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তির ভিসা অনুমোদনের নিশ্চয়তা হিসেবে ধরা যাবে না।

ক্রমিকদেশরিক্রুটিং এজেন্সি
১বাংলাদেশBangladesh One Overseas Ltd
২বাংলাদেশBengal Human Resources Development
৩বাংলাদেশGeneral Trading Company
৪বাংলাদেশM/S United Gulf Services
৫বাংলাদেশAnnesa Air International
৬বাংলাদেশAtt-Taqwa Overseas Ltd
৭বাংলাদেশEarth-Smart Bangladesh Ltd
৮বাংলাদেশKhan Jahan Ali Overseas
৯বাংলাদেশM/S Al-Shupto Overseas
১০বাংলাদেশMotherland Overseas Ltd
১১বাংলাদেশRifa International
১২বাংলাদেশVely Trade International
১৩বাংলাদেশA-Plus International
১৪বাংলাদেশAl-Hayat Overseas
১৫বাংলাদেশBhaluka Overseas
১৬বাংলাদেশBrothers Trading & Contracting Ltd
১৭বাংলাদেশChandpur International
১৮বাংলাদেশCountry Employment Agency
১৯বাংলাদেশGoodness Services Limited
২০বাংলাদেশJewel Rinku Enterprise
২১বাংলাদেশM/S Satkhira International
২২বাংলাদেশMangrove Career Link
২৩বাংলাদেশNeighbour Associates Ltd
২৪বাংলাদেশTania Trade International
২৫বাংলাদেশThe Anchor Care Global Migration

সাব-এজেন্সি ও মোট তালিকা

তালিকাভুক্ত ২৫টি রিক্রুটিং এজেন্সির অধীনে আরও ২৫০টি প্রতিষ্ঠানকে সাব-এজেন্সি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এর সঙ্গে BOESL-এর অধীনে থাকা ৬২টি এজেন্সি যোগ করলে বাংলাদেশ থেকে মালয়েশিয়ায় কর্মী নিয়োগে যুক্ত মোট এজেন্সির সংখ্যা দাঁড়ায় ৩৩৮টি।

Read More:  সরকারি চাকরিতে ‘তদবির’ করলেই বিভাগীয় ব্যবস্থা, ডোসিয়ারে থাকবে তথ্য

তবে সাব-এজেন্সির মাধ্যমে যোগাযোগ করলেও মূল রিক্রুটিং এজেন্সির নাম, অনুমোদন, চাহিদাপত্র এবং অর্থ গ্রহণের রসিদ যাচাই করুন। একইভাবে, শুধু পরিচিত ব্যক্তি বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পোস্ট দেখে সিদ্ধান্ত নেওয়া নিরাপদ নয়।

কলিং ভিসা স্ট্যাটাস কীভাবে দেখবেন?

মালয়েশিয়া কলিং ভিসা আপডেট বা ভিসার স্ট্যাটাস দেখতে সাধারণত পাসপোর্ট নম্বর, দেশের নাম এবং ভিসা অ্যাপ্লিকেশন নম্বর লাগে। এছাড়াও, সার্চ ফর্মে যেসব ঘরে লাল তারকা চিহ্ন থাকে, সেগুলো বাধ্যতামূলক তথ্য হিসেবে পূরণ করতে হয়।

  1. Document Number: নিজের পাসপোর্ট নম্বর লিখুন।
  2. Country Issue: পাসপোর্ট যে দেশের, সেই দেশের নাম নির্বাচন করুন।
  3. Application Number: ভিসা আবেদনের নম্বর দিন।
  4. এরপর তথ্য মিলিয়ে সার্চ বাটনে ক্লিক করুন।
  5. রেকর্ড পাওয়া গেলে প্রদর্শিত তথ্যের নাম, পাসপোর্ট নম্বর ও আবেদনসংক্রান্ত বিবরণ মিলিয়ে দেখুন।

ভিসা প্রসেস হয়ে থাকলে সাধারণত আবেদনকারীর তথ্য দেখা যেতে পারে। অন্যদিকে, কোনো রেকর্ড না থাকলে “No Record Found” বার্তা প্রদর্শিত হতে পারে। তবে এই বার্তা দেখলেই আবেদন বাতিল হয়েছে—এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া ঠিক নয়; কারণ তথ্য আপডেট হতে সময় লাগতে পারে বা আবেদন নম্বরে ভুল থাকতে পারে।

ভিসার পর কোন ধাপগুলো থাকে?

ভিসা পাওয়ার পর বাংলাদেশি কর্মীর জন্য BMET ট্রেনিং এবং ফিঙ্গারপ্রিন্ট সম্পন্ন করা প্রয়োজন। সাধারণত নিজ জেলার জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো কার্যালয়ে এই ধাপ সম্পন্ন করা হয়। এরপর সংশ্লিষ্ট এজেন্সি ম্যানপাওয়ার ক্লিয়ারেন্সের প্রক্রিয়া এগিয়ে নেয়।

প্রয়োজনীয় প্রস্তুতির তালিকা

  • প্রথমে পাসপোর্টের তথ্য ও ভিসার তথ্য মিলিয়ে নিন।
  • এছাড়াও, BMET ট্রেনিংয়ের সময়সূচি ও স্থান নিশ্চিত করুন।
  • ফিঙ্গারপ্রিন্ট দেওয়ার আগে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সঙ্গে রাখুন।
  • এরপর এজেন্সির কাছ থেকে ম্যানপাওয়ার ক্লিয়ারেন্সের অগ্রগতি জেনে নিন।
  • সবশেষে, ফ্লাইটের আগে নিয়োগকর্তা, কাজের খাত ও চুক্তির তথ্য পড়ে নিন।

একটি সাধারণ ভুল হলো ভিসা পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ফ্লাইট নিশ্চিত ধরে নেওয়া। বাস্তবে ট্রেনিং, ফিঙ্গারপ্রিন্ট, ক্লিয়ারেন্স, টিকিট এবং নিয়োগকর্তার নির্দেশনা—সব ধাপ সম্পন্ন হওয়ার পর যাত্রা সম্ভব হয়। তাই ভিসা পাওয়ার পরও প্রতিটি ধাপের অগ্রগতি লিখিতভাবে জেনে নিন।

Read More:  এবার চন্দ্রগ্রহণ, শুক্রবার যে বিরল দৃশ্যের সাক্ষী হবে বিশ্ব

মেডিকেল কবে শুরু হতে পারে?

মালয়েশিয়া কলিং ভিসার মেডিকেলের নির্দিষ্ট তারিখ নিশ্চিতভাবে ঘোষণা করা হয়নি। প্রদত্ত তথ্যের বিভিন্ন অংশে সেপ্টেম্বরের ২৫ তারিখ, অক্টোবরের ১৫ তারিখের পর এবং ডিসেম্বরের সম্ভাব্য সময়ের কথা বলা হয়েছে। তবে এই পরস্পরভিন্ন তারিখগুলোকে চূড়ান্ত সময়সূচি হিসেবে ধরা যাবে না।

বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বৈঠকের পর মেডিকেল শুরুর বিষয়ে সিদ্ধান্ত আসতে পারে বলে ধারণা করা হয়েছে। তাই মেডিকেলের জন্য নির্দিষ্ট তারিখ, অনুমোদিত সেন্টার এবং পরীক্ষার নিয়ম BMET বা সংশ্লিষ্ট সরকারি নোটিশ থেকে যাচাই করুন। একই কারণে, অনুমোদন ছাড়া কোনো সেন্টারে টাকা জমা দেবেন না।

কাজের ভিসায় বয়সসীমা কত?

প্রদত্ত তথ্য অনুযায়ী মালয়েশিয়ার কাজের ভিসায় সাধারণ কর্মীদের বয়সসীমা ১৮ থেকে ৪৫ বছর। গৃহকর্মীদের ক্ষেত্রে ২১ থেকে ৪৫ বছর বলা হয়েছে। এছাড়া, পেশাদার ও দক্ষ কর্মীদের ক্ষেত্রে কিছু ক্যাটাগরিতে ২৩ বছর বয়স গ্রহণযোগ্য হতে পারে। আইটি খাতেও ন্যূনতম ২৩ বছর বয়সের কথা উল্লেখ রয়েছে।

কর্মীর ধরনউল্লেখিত বয়সসীমা
সাধারণ কর্মী১৮ থেকে ৪৫ বছর
গৃহকর্মী২১ থেকে ৪৫ বছর
দক্ষ বা পেশাদার কর্মীকিছু ক্ষেত্রে ২৩ বছর থেকে
আইটি কর্মীন্যূনতম ২৩ বছর উল্লেখিত

বয়সসীমা নিয়োগের খাত, কর্মীর পেশা এবং মালয়েশিয়ার অনুমোদিত শর্ত অনুযায়ী বদলাতে পারে। তাই আবেদন করার আগে নিজের ক্যাটাগরির সর্বশেষ শর্ত যাচাই করা দরকার।

মালয়েশিয়ার সম্ভাব্য শ্রমবাজার

মালয়েশিয়া সরকার বিদেশি শ্রমিক নিয়োগে কোটা উন্মুক্ত করার ঘোষণা দিয়েছে বলে প্রদত্ত তথ্যে উল্লেখ আছে। বাগান, কৃষি ও খনিসহ মোট ১৩টি খাত থেকে প্রায় ২৫ লাখ কর্মী নেওয়ার কথা বলা হয়েছে। তবে এই সংখ্যার মধ্যে বাংলাদেশি কর্মীরা কতজন আবেদন করতে পারবেন, তা এখনো স্পষ্ট নয়।

তাই মোট শ্রমিকের সম্ভাব্য সংখ্যা দেখে কোনো নির্দিষ্ট বাংলাদেশি আবেদনকারীর ভিসা নিশ্চিত ধরে নেওয়া ঠিক হবে না। বরং নিয়োগকর্তার চাহিদা, খাতভিত্তিক কোটা, কর্মীর যোগ্যতা এবং সরকারি অনুমোদন—সবকিছু মিলেই বাস্তব সুযোগ নির্ধারিত হবে।

ভিসার খরচ সম্পর্কে কী জানা যায়?

প্রদত্ত তথ্য অনুযায়ী ভিসার ধরন ও আবেদনপদ্ধতি অনুযায়ী খরচ আলাদা হতে পারে। ভিজিট বা ট্যুরিস্ট ভিসার অফিসিয়াল ফি প্রায় ৩,৮০০ থেকে ৪,০০০ টাকা বলা হয়েছে। অন্যদিকে, এজেন্সির মাধ্যমে আবেদন করলে খরচ প্রায় ৫,০০০ থেকে ৫,৫০০ টাকা হতে পারে।

কলিং ভিসার সরকারি ফি হিসেবে ৭৮,৯৯০ টাকা উল্লেখ করা হয়েছে। তবে এই অর্থের বাইরে মেডিকেল, প্রশিক্ষণ, ফিঙ্গারপ্রিন্ট, ক্লিয়ারেন্স, টিকিট বা সেবাশুল্ক থাকতে পারে। তাই মোট খরচের লিখিত হিসাব এবং প্রতিটি পেমেন্টের রসিদ নিন। ফি পরিবর্তন হলে সরকারি নোটিশই চূড়ান্ত বলে বিবেচিত হবে।

Read More:  সিনিয়র শিক্ষক হচ্ছেন ১০২০ জন, খসড়া তালিকা প্রকাশ করল মাউশি

প্রতারক এজেন্সি থেকে নিরাপদ থাকুন

ওয়ার্ক অর্ডার ও কার্যকর সরকারি প্রক্রিয়া নিশ্চিত হওয়ার আগে কিছু প্রতিষ্ঠান ভিসা খোলার দাবি করে পাসপোর্ট এবং অগ্রিম টাকা চাইতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে পরিচিত কারও সুপারিশও যাচাইয়ের বিকল্প নয়। তাই পাসপোর্ট জমা দেওয়ার আগে রসিদ, প্রতিষ্ঠানের পরিচয় এবং অনুমোদনের তথ্য লিখিতভাবে নিন।

টাকা দেওয়ার আগে পাঁচটি যাচাই

  1. প্রথমে BMET-এর সর্বশেষ নোটিশে ভিসা কার্যক্রমের তথ্য আছে কি না দেখুন।
  2. এরপর এজেন্সির নাম ২৫টি মূল এজেন্সি বা অনুমোদিত তালিকার সঙ্গে মিলিয়ে নিন।
  3. চাকরির খাত, বেতন, কর্মস্থল ও চুক্তির কপি পড়ুন।
  4. এছাড়াও, মেডিকেল ও ভিসা ফি আলাদা করে লিখিতভাবে জেনে নিন।
  5. সবশেষে, পাসপোর্ট জমা দিলে গ্রহণপত্র এবং টাকা দিলে মানি রসিদ সংগ্রহ করুন।

লক্ষ্য করার মতো বিষয় হলো, “ভিসা খুলেছে” কথাটি একা যথেষ্ট প্রমাণ নয়। বরং আবেদন নম্বর, নিয়োগকর্তার চাহিদা, অনুমোদিত মেডিকেল এবং BMET-এর প্রক্রিয়া—এই চারটি বিষয়ের মধ্যে যত বেশি তথ্য মেলে, সিদ্ধান্ত তত নিরাপদ হয়।

সাধারণ ভুলগুলো এড়িয়ে চলুন

  • শুধু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পোস্ট দেখে টাকা পাঠানো।
  • এছাড়া, অ্যাপ্লিকেশন নম্বর না নিয়ে ভিসা হয়েছে বলে বিশ্বাস করা।
  • “No Record Found” দেখেই আবেদন বাতিল ধরে নেওয়া।
  • অন্যদিকে, সাব-এজেন্সিকে মূল এজেন্সি ভেবে চুক্তি করা।
  • সরকারি ফি ও এজেন্সি সেবাশুল্কের পার্থক্য না বোঝা।
  • তাছাড়া, মেডিকেলের তারিখ নিশ্চিত না হয়েই পরীক্ষা বাবদ অর্থ দেওয়া।

প্রশ্নোত্তর

মালয়েশিয়া কলিং ভিসা কবে খুলেছে?

প্রদত্ত তথ্য অনুযায়ী ২১ আগস্ট ২০২৬ থেকে কলিং ভিসা চালুর ঘোষণা এসেছে। তবে বাস্তব কার্যক্রম ধাপে ধাপে শুরু হওয়ার কথা।

মালয়েশিয়া কলিং ভিসা কি পুরোপুরি চালু হয়েছে?

ভিসা চালুর ঘোষণা এসেছে, কিন্তু মেডিকেল, ওয়ার্ক অর্ডার ও ম্যানপাওয়ার ক্লিয়ারেন্সের কার্যক্রম আলাদা ধাপে সম্পন্ন হবে। তাই সব ধাপ শেষ না হওয়া পর্যন্ত পুরো প্রক্রিয়া চালু হয়েছে বলা যাবে না।

মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠাতে কতটি এজেন্সি তালিকাভুক্ত?

FWCMS-এ বাংলাদেশের ২৫টি মূল রিক্রুটিং এজেন্সি অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। এছাড়া, সাব-এজেন্সি ও BOESL-এর প্রতিষ্ঠানসহ মোট সংখ্যা ৩৩৮টি।

কলিং ভিসা চেক করতে কী কী লাগে?

পাসপোর্ট নম্বর, Country Issue হিসেবে দেশের নাম এবং ভিসা অ্যাপ্লিকেশন নম্বর প্রয়োজন। এরপর সার্চ করলে আবেদনসংক্রান্ত রেকর্ড দেখা যেতে পারে।

ভিসা না হলে কী দেখা যাবে?

রেকর্ড না থাকলে “No Record Found” দেখা যেতে পারে। তবে আবেদন নম্বর বা তথ্যের বানান ভুল আছে কি না, সেটিও আগে যাচাই করুন।

ভিসার পর প্রথমে কী করতে হয়?

প্রথমে BMET ট্রেনিং ও ফিঙ্গারপ্রিন্ট সম্পন্ন করতে হয়। এরপর সংশ্লিষ্ট এজেন্সি ম্যানপাওয়ার ক্লিয়ারেন্সের কাজ এগিয়ে নেয়।

মালয়েশিয়ার কাজের ভিসায় বয়স কত লাগে?

সাধারণ কর্মীদের জন্য ১৮ থেকে ৪৫ বছর বলা হয়েছে। গৃহকর্মীদের ক্ষেত্রে ২১ থেকে ৪৫ বছর এবং কিছু দক্ষ পেশায় ২৩ বছর থেকে শর্ত প্রযোজ্য হতে পারে।

মেডিকেল কবে শুরু হবে?

নির্দিষ্ট তারিখ নিশ্চিত নয়। বিভিন্ন তথ্যে সেপ্টেম্বরের ২৫ তারিখ, অক্টোবরের ১৫ তারিখের পর এবং ডিসেম্বরের সম্ভাব্য সময় উল্লেখ থাকলেও সরকারি নোটিশ ছাড়া কোনোটি চূড়ান্ত নয়।

মালয়েশিয়া কলিং ভিসার সরকারি ফি কত?

প্রদত্ত তথ্যে কলিং ভিসার সরকারি ফি ৭৮,৯৯০ টাকা বলা হয়েছে। তবে পরিবর্তিত ফি বা অতিরিক্ত খরচের জন্য সংশ্লিষ্ট সরকারি সূত্র যাচাই করুন।

টাকা দেওয়ার আগে কী যাচাই করা উচিত?

BMET-এর নোটিশ, এজেন্সির অনুমোদন, ওয়ার্ক অর্ডার, আবেদন নম্বর, লিখিত চুক্তি এবং অর্থের রসিদ যাচাই না করে অগ্রিম টাকা বা পাসপোর্ট জমা দেবেন না।

নিরাপদ সিদ্ধান্তের শেষ ধাপ

মালয়েশিয়া কলিং ভিসা আপডেটের মূল তথ্য হলো ২১ আগস্ট ২০২৬ থেকে চালুর ঘোষণা এবং FWCMS-এ ২৫টি বাংলাদেশি এজেন্সির অন্তর্ভুক্তি। একই সঙ্গে মনে রাখতে হবে, মেডিকেল ও পূর্ণ ভিসা প্রক্রিয়ার নির্দিষ্ট সময়সূচি নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত কোনো অর্থনৈতিক সিদ্ধান্ত তাড়াহুড়ো করে নেওয়া উচিত নয়।

আবেদন করার আগে BMET, সংশ্লিষ্ট রিক্রুটিং এজেন্সি এবং প্রয়োজনে FWCMS-এর তথ্য মিলিয়ে নিন। তাই ভিসা প্রদান বা অনুমোদনের নিশ্চয়তা কোনো অনলাইন তথ্যের মাধ্যমে দেওয়া যায় না।

Rakib Hasan

আমি একজন লেখক ও কনটেন্ট ক্রিয়েটর। তিনি খবর, চাকরি, শিক্ষা, প্রযুক্তি, অর্থনীতি ও দৈনন্দিন প্রয়োজনীয় বিষয় নিয়ে তথ্যবহুল ও সহজবোধ্য কনটেন্ট প্রকাশ করেন। তাঁর লক্ষ্য পাঠকদের সঠিক ও সময়োপযোগী তথ্য প্রদান করা।

Sharing Is Caring:

Leave a Comment