জনতা ব্যাংক ডিপিএস ২০২৬ (সর্বশেষ তথ্য)

জনতা ব্যাংক ডিপিএস মানেই শুধু একটি মাসিক সঞ্চয় প্রকল্প নয়। বরং ২০২৬ সালে জনতা ব্যাংকের বিভিন্ন ডিপিএস ও ডিপোজিট স্কিমে মেয়াদ, কিস্তি, মুনাফা, যোগ্যতা এবং আগাম বন্ধের নিয়ম এক নয়। প্রচলিত ভুল ধারণা হলো সব স্কিমে একই হারে সুদ বা একই কিস্তি-নিয়ম প্রযোজ্য। বাস্তবে অনিবাসী পেনশন স্কিম, জেডিএস, জেবিডিপিএস, নারী কল্যাণ সঞ্চয় প্রকল্প এবং মিলিয়নিয়ার স্কিমের শর্তে বড় পার্থক্য আছে।

নিচে দেওয়া তথ্যগুলো জনতা ব্যাংকের সরবরাহ করা নির্দেশনা ও সার্কুলারের ভিত্তিতে সাজানো হয়েছে। তবে সুদের হার পরিবর্তনশীল হতে পারে। তাই হিসাব খোলার আগে জনতা ব্যাংকের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট বা সংশ্লিষ্ট শাখা থেকে সর্বশেষ হার, কর, আবগারি শুল্ক এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যাচাই করা জরুরি।

  • পাঁচ বছরের মাসিক সঞ্চয়ের জন্য জেডিএস, জেবিডিপিএস এবং অনিবাসী পেনশন স্কিমের শর্ত আলাদা।
  • দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য থাকলে মিলিয়নিয়ার, কোটিপতি বা স্মার্ট অ্যাকাউন্ট বিবেচনা করা যায়।
  • তবে আগাম হিসাব বন্ধ করলে অনেক স্কিমে পূর্ণ মেয়াদের মুনাফা পাওয়া যায় না।
  • অবশেষে সরকারি কর, আবগারি শুল্ক এবং অন্যান্য কর্তন বাদে প্রকৃত প্রাপ্য অর্থ নির্ধারিত হয়।

জনতা ব্যাংক ডিপিএস কোন স্কিমে?

জনতা ব্যাংক ডিপিএস বেছে নেওয়ার প্রথম ধাপ হলো আপনার লক্ষ্য, মাসিক সামর্থ্য এবং কাঙ্ক্ষিত মেয়াদ মিলিয়ে স্কিম নির্বাচন করা। যেমন, পাঁচ বছরের নিয়মিত সঞ্চয়ের জন্য জেডিএস বা জেবিডিপিএস উপযোগী হতে পারে। বিদেশে কর্মরত বাংলাদেশিদের জন্য রয়েছে অনিবাসী পেনশন স্কিম। আবার হজ বা ওমরাহর মতো নির্দিষ্ট ধর্মীয় ভ্রমণের লক্ষ্যেও আলাদা ডিপোজিট স্কিম আছে।

স্কিমের নামমেয়াদকিস্তি বা জমার ধরনঘোষিত হার বা বৈশিষ্ট্য
অনিবাসী পেনশন স্কিম৫ বছর৩,০০০ থেকে ২০,০০০ টাকা মাসিকবার্ষিক ৮.৫% সরল সুদ
জনতা ডিপোজিট স্কিম বা জেডিএস৫ বছর১,০০০ থেকে ২৫,০০০ টাকা মাসিকবার্ষিক ৬% চক্রবৃদ্ধি সুদ
নারী কল্যাণ সঞ্চয় প্রকল্প৫ ও ১০ বছর১,০০০ থেকে ২৫,০০০ টাকা মাসিক৭.৫০%
জনতা মিলিয়নিয়ার ডিপোজিট স্কিম৩ থেকে ১৫ বছরমেয়াদভেদে নির্ধারিত মাসিক কিস্তি৭% চক্রবৃদ্ধি
জেবিডিপিএস৫ ও ১০ বছর৫০০ টাকা থেকে ২৫,০০০ টাকার গুণিতক১০% চক্রবৃদ্ধি
জনতা কোটিপতি ডিপোজিট স্কিম৪ থেকে ১৫ বছরনির্দেশনা অনুযায়ীবার্ষিক ৮.৭৫% চক্রবৃদ্ধি

এই তুলনাটি দেখায়, শুধু সুদের হার দেখে সিদ্ধান্ত নেওয়া ঠিক নয়। একই সঙ্গে কিস্তি জমার সময়সীমা, আগাম বন্ধের সুবিধা, একক বা যৌথ হিসাবের অনুমতি এবং কর কর্তনের নিয়মও গুরুত্বপূর্ণ। উদাহরণ হিসেবে, জেডিএসে কিস্তি মাসের ১ থেকে ১০ তারিখের মধ্যে জমা দিতে হয়। অন্যদিকে অনিবাসী পেনশন স্কিমে ব্যাংক খোলা থাকা সাপেক্ষে পুরো মাসজুড়ে কিস্তি জমা দেওয়া যায়।

পাঁচ বছরের স্কিমের পার্থক্য

পাঁচ বছরের মেয়াদে জনতা ব্যাংকের একাধিক ডিপিএস রয়েছে। তবে একই মেয়াদ হলেও কিস্তির পরিমাণ, সুদের ধরন এবং আগাম বন্ধের ফল ভিন্ন হতে পারে। ফলে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনায় এই পার্থক্যটি গুরুত্বপূর্ণ, কারণ মাসিক কিস্তির সামান্য পরিবর্তনও পাঁচ বছরে মোট জমার পরিমাণে বড় প্রভাব ফেলে।

অনিবাসী পেনশন স্কিম

অনিবাসী পেনশন স্কিম বা এনআরপিএসের মেয়াদ পাঁচ বছর। মাসিক কিস্তির বিকল্প হলো ৩,০০০, ৫,০০০, ১০,০০০, ১৫,০০০ এবং ২০,০০০ টাকা। ঘোষিত সুদের হার বার্ষিক ৮.৫% সরল সুদ। তবে পরিবর্তনশীল সুদের হার সংক্রান্ত সর্বশেষ সার্কুলার প্রযোজ্য হবে।

বিদেশে অবস্থানরত বা কর্মরত বাংলাদেশি নাগরিক এই হিসাব খুলতে পারবেন। হিসাব খোলার ফর্ম, নমুনা স্বাক্ষর কার্ড এবং পাসপোর্টের স্বাক্ষর এক ও অভিন্ন হতে হবে। এ জন্য ফর্ম, নমুনা স্বাক্ষর কার্ড, তিন কপি ছবি এবং পাসপোর্টের প্রথম সাত পাতার ফটোকপিসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সত্যায়িত করে পাঠাতে হবে। পাশাপাশি মনোনীত নমিনির দুই কপি সত্যায়িত ছবিও জমা দিতে হবে।

  • প্রথমত, কিস্তি বৈদেশিক রেমিট্যান্সের মাধ্যমে জমা দিতে হবে।
  • এছাড়া প্রতি মাসের কিস্তি সেই মাসের মধ্যেই জমা করতে হবে।
  • অগ্রিম জমা করা গেলেও অগ্রিম সময়ের জন্য সুদ দেওয়া হবে না।
  • অনিবাসী গ্রাহকের ব্যক্তিগত সঞ্চয়ী হিসাব একই শাখায় থাকতে হবে।
  • রেমিট্যান্স ওই সঞ্চয়ী হিসাবের মাধ্যমে পাঠাতে হবে।
  • তবে নাবালক বা নাবালিকার নামে এবং যৌথ নামে হিসাব খোলা যাবে না।

গ্রাহকের অনুপস্থিতিতে হিসাব বন্ধ হলে যথাযথ নিয়ম অনুসরণ করে হিসাবের স্থিতি মনোনীত নমিনিকে দেওয়া হবে। এক বছর পর্যন্ত হিসাব বন্ধ করলে শুধু জমাকৃত মূল অর্থ ফেরত দেওয়া হবে। এরপর এক বছরের বেশি কিন্তু তিন বছর পর্যন্ত হলে ৫% সরল সুদসহ জমাকৃত আসল ফেরত দেওয়া হবে। আবার তিন বছরের বেশি সময় পরে বন্ধ করলে ৬% সরল সুদসহ অর্থ ফেরতের নিয়ম রয়েছে।

Read More:  সিটি ব্যাংক লোন পাওয়ার উপায় ২০২৬

জনতা ডিপোজিট স্কিম বা জেডিএস

জনতা ডিপোজিট স্কিমের মেয়াদ পাঁচ বছর। মাসিক কিস্তি ১,০০০, ২,০০০, ৫,০০০, ১০,০০০, ১৫,০০০, ২০,০০০ এবং ২৫,০০০ টাকা। ঘোষিত সুদের হার বার্ষিক ৬% চক্রবৃদ্ধি হারে। তাই কিস্তি মাসের ১ থেকে ১০ তারিখের মধ্যে জমা দিতে হয়।

প্রাপ্তবয়স্ক ও সুস্থ মস্তিষ্কসম্পন্ন যেকোনো বাংলাদেশি নাগরিক এই হিসাব খুলতে পারেন। এজন্য জাতীয় পরিচয়পত্র, পাসপোর্ট বা ড্রাইভিং লাইসেন্সের সত্যায়িত ফটোকপি এবং সদ্য তোলা দুই কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি দরকার হবে। পাশাপাশি হিসাবধারী কর্তৃক সত্যায়িত নমিনির এক কপি ছবিও জমা দিতে হবে।

  • প্রথমত, যৌথ নামে হিসাব খোলা যাবে না।
  • এছাড়া একই নামে একাধিক হিসাব খোলা যাবে না।
  • তবে নাবালকের নামে অভিভাবক হিসাব খুলতে ও পরিচালনা করতে পারবেন।
  • এক বছরের আগে বন্ধ করলে সুদ ছাড়া অর্থ ফেরত দেওয়া হবে।
  • অন্যদিকে এক থেকে পাঁচ বছরের মধ্যে বন্ধ করলে প্রচলিত সঞ্চয়ী হিসাবের হারে সরল সুদ দেওয়া হবে।
  • সবশেষে আবগারি শুল্ক, উৎসে কর এবং অন্যান্য পাওনা কর্তনের পর অর্থ ফেরত দেওয়া হবে।

জেডিএসের বড় ব্যবহারিক সুবিধা হলো নাবালকের নামে অভিভাবকের মাধ্যমে হিসাব খোলার সুযোগ। ফলে সন্তানের উচ্চশিক্ষা বা ভবিষ্যৎ খরচের জন্য অভিভাবক এই বৈশিষ্ট্য বিবেচনা করতে পারেন। তবে একই নামে একাধিক হিসাব খোলার সুযোগ না থাকায় পরিবারের লক্ষ্যভেদে হিসাব পরিকল্পনা আগে করে নেওয়া ভালো।

নারী কল্যাণ সঞ্চয় প্রকল্প

জনতা ব্যাংক নারী কল্যাণ সঞ্চয় প্রকল্পে পাঁচ বছর ও দশ বছর মেয়াদের হিসাব খোলা যায়। মাসিক কিস্তি ১,০০০, ১,৫০০, ২,০০০, ২,৫০০, ৩,০০০, ৫,০০০, ১০,০০০, ১৫,০০০, ২০,০০০ এবং ২৫,০০০ টাকা। ঘোষিত সুদের হার ৭.৫০%। তবে আগে খোলা হিসাবগুলোর সুদের হার অপরিবর্তিত থাকবে।

১৮ বছর বা তার বেশি বয়সী সুস্থ মস্তিষ্কসম্পন্ন বাংলাদেশি নারী এই প্রকল্পে হিসাব খুলতে পারেন। এজন্য জাতীয় পরিচয়পত্র, পাসপোর্ট বা ড্রাইভিং লাইসেন্সের ফটোকপি দিতে হবে। হিসাবধারীর সদ্য তোলা পাসপোর্ট সাইজের ছবি ব্যাংকের কাছে গ্রহণযোগ্য ব্যক্তি কর্তৃক সত্যায়িত হতে হবে। একইভাবে নমিনির এক কপি ছবি হিসাবধারী সত্যায়িত করবেন।

এক বছর পূর্ণ হওয়ার আগে হিসাব বন্ধ করলে বা হিসাবধারীর মৃত্যু হলে সুদ দেওয়া হবে না। এরপর এক থেকে পাঁচ বছরের মধ্যে বন্ধ হলে সঞ্চয়ী হিসাবের সুদ হারে সরল সুদ দেওয়া হবে। আবার পাঁচ থেকে দশ বছরের মধ্যে বন্ধ হলে পাঁচ বছর শেষে প্রাপ্য অর্থের নিয়ম প্রযোজ্য হবে। পাশাপাশি পাঁচ বছরের সমসংখ্যক কিস্তির পরের অবশিষ্ট কিস্তি ও পাঁচ বছর পরের অবশিষ্ট সময়ের জন্য সঞ্চয়ী হিসাবের সুদ হারে সরল সুদ দেওয়া হবে। সব ক্ষেত্রেই সরকারি কর ও অন্যান্য পাওনা কর্তনের পর অর্থ পরিশোধ করা হবে।

দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্যভিত্তিক স্কিম

যাদের লক্ষ্য পাঁচ বছরের বেশি সময় ধরে নিয়মিত অর্থ গড়ে তোলা, তাদের জন্য জনতা মিলিয়নিয়ার ডিপোজিট স্কিম, কোটিপতি ডিপোজিট স্কিম এবং স্মার্ট অ্যাকাউন্টের মতো পণ্য রয়েছে। তবে এসব হিসাবের ক্ষেত্রে মাসিক কিস্তি বা মেয়াদ বেছে নেওয়ার ভুল সিদ্ধান্ত দীর্ঘদিনের আর্থিক পরিকল্পনায় চাপ তৈরি করতে পারে।

জনতা মিলিয়নিয়ার ডিপোজিট স্কিম

জনতা মিলিয়নিয়ার ডিপোজিট স্কিমের মেয়াদ ৩, ৪, ৫, ৬, ৭, ৮, ৯, ১০, ১২ এবং ১৫ বছর। মেয়াদ অনুযায়ী মাসিক কিস্তি যথাক্রমে ২৪,৯০০, ১৮,০২০, ১৩,৯০০, ১১,১৬০, ৯,২২০, ৭,৭৬০, ৬,৬৪০, ৫,৭৫০, ৪,৪৩০ এবং ৩,১৪০ টাকা। সুদের হার ৭% চক্রবৃদ্ধি হারে।

হিসাব খোলার সময় জাতীয় পরিচয়পত্র, পাসপোর্ট বা ড্রাইভিং লাইসেন্সের ফটোকপি দিতে হবে। পাশাপাশি হিসাবধারীর দুই কপি সদ্য তোলা পাসপোর্ট সাইজের ছবি এবং হিসাবধারী কর্তৃক সত্যায়িত নমিনির এক কপি ছবি প্রয়োজন। সব দলিলের ফটোকপি ব্যাংকের সিনিয়র অফিসার বা তদূর্ধ্ব কর্মকর্তার মাধ্যমে সত্যায়িত হতে হবে।

  • প্রথমত, হিসাব খোলার নির্ধারিত সময় প্রতি মাসের ১১ থেকে ২০ তারিখ।
  • তবে যৌথ নামে হিসাব খোলা যাবে না।
  • এছাড়া অন্য শাখায় হলেও একই নামে একাধিক হিসাব খোলা যাবে না।
  • ফর্মে মেয়াদ ও কিস্তির ঘষামাজা বা কাটাকাটি গ্রহণযোগ্য নয়।
  • সুবিধার দিক হলো শাখা স্থানান্তর ফি, হিসাব পরিচালনা ফি এবং এসএমএস চার্জ কাটা হবে না।

আগাম বন্ধ করলে এক বছরের আগে সুদ দেওয়া হবে না। এক বছরের বেশি কিন্তু তিন বছরের মধ্যে বন্ধ হলে ৩% সরল সুদ দেওয়া হবে। এরপর তিন বছরের বেশি কিন্তু পাঁচ বছরের মধ্যে বন্ধ হলে ৪% এবং পাঁচ বছরের বেশি কিন্তু দশ বছরের মধ্যে বন্ধ হলে ৫% সরল সুদ প্রযোজ্য হবে। দশ বছরের বেশি সময় পরে বন্ধ করলে ৬% সরল সুদ দেওয়ার নিয়ম রয়েছে। সরকারি কর ও অন্যান্য পাওনা কর্তনের পর হিসাবধারী বা নমিনিকে অর্থ দেওয়া হবে।

Read More:  সোনালী ব্যাংক ডিপিএস তালিকা ২০২৬ (সর্বশেষ তথ্)

জনতা কোটিপতি ডিপোজিট স্কিম

জনতা কোটিপতি ডিপোজিট স্কিমে ৪, ৫, ৬, ৭, ৮, ৯, ১০, ১১, ১২, ১৩, ১৪ এবং ১৫ বছর মেয়াদ রয়েছে। মাসিক কিস্তির পরিমাণ নির্দেশ বিজ্ঞপ্তি ১৩৬৯/২০২৫ এবং ১৪০১/২০২৬ অনুযায়ী নির্ধারিত হবে। ঘোষিত সুদের হার বার্ষিক ৮.৭৫% চক্রবৃদ্ধি হারে।

মেয়াদপূর্তিতে মোট আমানত ও প্রদেয় মুনাফা থেকে সরকারি চার্জ বাদ দিয়ে অবশিষ্ট অর্থ গ্রাহককে দেওয়া হবে। একইভাবে হিসাব খোলার নিয়ম এবং আগাম বন্ধের নিয়ম নির্দেশ বিজ্ঞপ্তি ১৩৬৯/২০২৫, ২০ নভেম্বর ২০২৫ এবং ১৪০১/২০২৬, ১৩ মে ২০২৬ অনুযায়ী অনুসরণ করতে হবে। তাই নির্দিষ্ট কিস্তি বা আগাম বন্ধের হিসাব শাখা থেকে লিখিতভাবে জেনে নেওয়া নিরাপদ।

জনতা স্মার্ট অ্যাকাউন্ট

জনতা স্মার্ট অ্যাকাউন্টে তিন, পাঁচ, সাত ও দশ বছরের মেয়াদ রয়েছে। তিন বছরের জন্য তিন মাস মেয়াদি স্থায়ী আমানতের ব্যক্তিক ঘোষিত সুদের হারের চেয়ে ০.৫০% বেশি হার প্রযোজ্য হবে। একইভাবে পাঁচ বছরে অতিরিক্ত ০.৫৫%, সাত বছরে ০.৬০% এবং দশ বছরে ০.৬৫% বেশি হার দেওয়ার কথা উল্লেখ আছে।

এই স্কিমের হিসাব খোলার ক্ষেত্রে নির্দেশ বিজ্ঞপ্তি ১২৪৪/২০২৪, ১ জানুয়ারি ২০২৪ এবং ১২৬৭/২০২৪, ১১ জুন ২০২৪ অনুসরণ করতে হবে। তবে সরবরাহ করা তথ্যে মাসিক কিস্তির পরিমাণ, কিস্তি প্রদানের তারিখ এবং মেয়াদপূর্ব বন্ধের নির্দিষ্ট নিয়ম উল্লেখ নেই। তাই এই তিন বিষয়ে শাখা থেকে সর্বশেষ লিখিত তথ্য না নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত নয়।

জেবিডিপিএস ও নির্দিষ্ট লক্ষ্য

জনতা ব্যাংক ডিপোজিট পেনশন স্কিম

জনতা ব্যাংক ডিপিএসের মধ্যে জেবিডিপিএস বা জনতা ব্যাংক ডিপোজিট পেনশন স্কিমের মেয়াদ পাঁচ ও দশ বছর। মাসিক কিস্তি ৫০০, ১,০০০, ২,০০০, ৫,০০০, ১০,০০০, ১৫,০০০, ২০,০০০, ২৫,০০০ টাকা এবং ২৫,০০০ টাকার গুণিতক হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। ঘোষিত সুদের হার ১০% চক্রবৃদ্ধি হারে।

হিসাব খোলার নিয়ম নির্দেশ বিজ্ঞপ্তি ১৩১৬/২০২৫ এবং ১৪০১/২০২৬, ১৩ মে ২০২৬ অনুযায়ী অনুসরণ করতে হবে। তবে সরবরাহ করা তথ্যে কিস্তি জমার নির্দিষ্ট তারিখ এবং মেয়াদপূর্ব বন্ধের বিস্তারিত শর্ত আলাদা করে দেওয়া নেই। ফলে জেবিডিপিএস খোলার আগে শাখা থেকে বর্তমান কিস্তি ক্যালেন্ডার, আগাম বন্ধের হিসাব এবং কর কর্তনের তথ্য লিখিতভাবে সংগ্রহ করা দরকার।

অন্যান্য লক্ষ্যভিত্তিক স্কিম

জনতা হজ্ব ডিপোজিট স্কিমে এক থেকে ২০ বছর মেয়াদ নির্ধারণ করা যায়। মেয়াদভেদে কিস্তির পরিমাণ ঠিক হবে এবং স্কিমটি সম্পূর্ণ সুদমুক্ত। এছাড়া মাসের প্রথম থেকে শেষ দিন পর্যন্ত ব্যাংক খোলা থাকা সাপেক্ষে কিস্তি জমা দেওয়া যায়। প্রাপ্তবয়স্ক ও সুস্থ মস্তিষ্কসম্পন্ন বাংলাদেশি নাগরিক এই হিসাব খুলতে পারেন।

  • প্রথমত, জাতীয় পরিচয়পত্র, পাসপোর্ট, জন্ম নিবন্ধন বা ড্রাইভিং লাইসেন্সের সত্যায়িত ফটোকপি লাগবে।
  • এছাড়া সদ্য তোলা দুই কপি পাসপোর্ট সাইজের সত্যায়িত ছবি দিতে হবে।
  • হিসাবধারী কর্তৃক সত্যায়িত নমিনির এক কপি ছবি দিতে হবে।
  • তবে যৌথ নামে এবং একই নামে একাধিক হিসাব খোলা যাবে।
  • প্রয়োজনে যেকোনো সময় হিসাব বন্ধ করে জমাকৃত আমানত উত্তোলন করা যায়।

হিসাব বন্ধের ক্ষেত্রে ব্যাংক চার্জ বা ফি নেওয়া হবে না। তবে সরকারি বিধি অনুযায়ী প্রযোজ্য চার্জ কর্তন হতে পারে। সংশোধিত নির্দেশ বিজ্ঞপ্তি ১৩৭৪/২০২৫, ৯ ডিসেম্বর ২০২৫ অনুযায়ী এই নিয়মগুলো প্রযোজ্য।

জনতা ওমরাহ ডিপোজিট স্কিমে এক বছর থেকে পাঁচ বছর পর্যন্ত মেয়াদ রয়েছে। বছরের যেকোনো কর্মদিবসে এককালীন বা কিস্তিতে টাকা জমা দেওয়া যায়। প্রাথমিক জমা সর্বনিম্ন ৫,০০০ টাকা। প্রকল্পটির কার্যক্রম ৪ জানুয়ারি ২০২৬ থেকে শুরু করার কথা বলা হয়েছে এবং পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত চালু থাকার তথ্য দেওয়া হয়েছে। তবে মুনাফা, কিস্তির সময়সূচি এবং আগাম বন্ধের নিয়ম নির্দেশ বিজ্ঞপ্তি ১৩৭৭/২০২৫, ২২ ডিসেম্বর ২০২৫ অনুযায়ী জানতে হবে।

এককালীন জমার স্কিম

সরবরাহ করা তথ্যে একটি তিন ও পাঁচ বছর মেয়াদি স্কিমের বিবরণ রয়েছে। এতে এককালীন ন্যূনতম এক লাখ টাকা এবং তার গুণিতক জমা দিতে হবে। তিন বছর মেয়াদে বার্ষিক ৯.২৫% এবং পাঁচ বছর মেয়াদে বার্ষিক ৯.৫০% হারের কথা উল্লেখ আছে। একইভাবে মাসের প্রথম থেকে শেষ দিন পর্যন্ত ব্যাংক খোলা থাকা সাপেক্ষে জমা দেওয়া যায়।

১৮ বছর বা তার বেশি বয়সী সুস্থ মস্তিষ্কসম্পন্ন বাংলাদেশি নাগরিক হিসাব খুলতে পারবেন। এজন্য জাতীয় পরিচয়পত্র বা পাসপোর্টের ফটোকপি, হিসাবধারীর দুই কপি ছবি, নমিনির এক কপি ছবি এবং নমিনির জাতীয় পরিচয়পত্র বা পাসপোর্টের ফটোকপি প্রয়োজন। পাশাপাশি হিসাবধারীর টিআইএন সার্টিফিকেটের ফটোকপিও দিতে হবে। আগাম বন্ধ করতে কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করতে হবে।

হিসাব খোলার আগে কী যাচাই করবেন?

জনতা ব্যাংক ডিপিএস খোলার আগে শুধু মাসিক কিস্তি দেখে সিদ্ধান্ত নিলে ভুল হতে পারে। বরং মেয়াদ শেষে সম্ভাব্য অর্থ, কর কর্তন, কিস্তি জমার শেষ তারিখ এবং জরুরি প্রয়োজনে হিসাব বন্ধের নিয়ম একসঙ্গে যাচাই করা দরকার। বিশেষ করে ৫০০ টাকা কিস্তি ও ২৫,০০০ টাকা কিস্তির মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি মোট জমার পার্থক্য যথেষ্ট বড়।

  1. মাসিক বাজেট মেলান: তাই জরুরি খরচ বাদ দিয়ে যে কিস্তি নিয়মিত রাখা সম্ভব সেটি বেছে নিন।
  2. কিস্তির তারিখ লিখে রাখুন: জেডিএস ও নারী কল্যাণ প্রকল্পে ১ থেকে ১০ তারিখের সময়সীমা রয়েছে।
  3. আগাম বন্ধের নিয়ম পড়ুন: কারণ অনেক স্কিমে এক বছরের আগে বন্ধ করলে কোনো সুদ দেওয়া হয় না।
  4. কর ও শুল্ক জেনে নিন: মেয়াদপূর্তির অর্থ থেকে উৎসে কর, আবগারি শুল্ক বা সরকারি পাওনা কাটা হতে পারে।
  5. নমিনি ঠিক করুন: একই সঙ্গে নমিনির ছবি এবং প্রয়োজনীয় পরিচয়পত্র সঠিকভাবে জমা দিন।
  6. সার্কুলার নম্বর মিলিয়ে নিন: কারণ ২০২৫ ও ২০২৬ সালের সংশোধিত নির্দেশনা আগের শর্ত পরিবর্তন করতে পারে।
Read More:  সোনালী ব্যাংক রাউটিং নাম্বার ২০২৬

দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার একটি বাস্তব উদাহরণ ধরা যাক। কারও মাসিক উদ্বৃত্ত ৫,০০০ টাকা হলেও যদি তার আয় অনিয়মিত হয়, ১৫,০০০ টাকার কিস্তির স্কিম আকর্ষণীয় দেখালেও সেটি বাস্তবসম্মত নাও হতে পারে। ফলে নিয়মিত কিস্তি বজায় রাখা অনেক সময় বেশি হারের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে দাঁড়ায়।

সাধারণ ভুলগুলো

  • সব জনতা ব্যাংক ডিপিএসকে একই সুদের স্কিম মনে করা।
  • তাছাড়া চক্রবৃদ্ধি ও সরল সুদের পার্থক্য না বোঝা।
  • কিস্তির নির্দিষ্ট সময়সীমা না মেনে মাসের শেষে জমা দেওয়ার চেষ্টা করা।
  • অগ্রিম জমা দিলে আগাম সময়ের সুদ পাওয়া যাবে ধরে নেওয়া।
  • একইভাবে সরকারি কর ও আবগারি শুল্ক বাদ না দিয়ে মেয়াদপূর্তির অর্থ অনুমান করা।
  • সংশোধিত সার্কুলার যাচাই না করে পুরোনো পোস্টার বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের তথ্য অনুসরণ করা।

কোন স্কিম কার জন্য?

সঠিক স্কিম নির্ভর করে আপনার পরিচয়, লক্ষ্য এবং নগদ প্রবাহের ওপর। বিদেশে কর্মরত বাংলাদেশি নাগরিকের জন্য অনিবাসী পেনশন স্কিমের রেমিট্যান্সভিত্তিক কাঠামো গুরুত্বপূর্ণ। অন্যদিকে সন্তানের ভবিষ্যতের জন্য জেডিএসে অভিভাবকের মাধ্যমে হিসাব খোলার সুবিধা কাজে লাগতে পারে। দীর্ঘ সময় ধরে বড় লক্ষ্য পূরণ করতে চাইলে মিলিয়নিয়ার বা কোটিপতি স্কিমের মেয়াদ ও কিস্তি তুলনা করতে হবে।

আপনার লক্ষ্যবিবেচ্য স্কিমবিশেষভাবে দেখবেন
বিদেশ থেকে নিয়মিত সঞ্চয়অনিবাসী পেনশন স্কিমরেমিট্যান্স, একই শাখার সঞ্চয়ী হিসাব এবং সত্যায়িত কাগজপত্র
পাঁচ বছরের সাধারণ সঞ্চয়জেডিএস বা জেবিডিপিএসকিস্তির সীমা, সুদের ধরন এবং আগাম বন্ধের নিয়ম
নারীর নিজস্ব সঞ্চয়নারী কল্যাণ সঞ্চয় প্রকল্প৫ বা ১০ বছরের মেয়াদ এবং মৃত্যু বা আগাম বন্ধের হিসাব
হজের জন্য সুদমুক্ত সঞ্চয়জনতা হজ্ব ডিপোজিট স্কিমমেয়াদভেদে কিস্তি ও সুদমুক্ত কাঠামো
ওমরাহর জন্য জমাজনতা ওমরাহ ডিপোজিট স্কিমসর্বনিম্ন ৫,০০০ টাকা প্রাথমিক জমা ও বিজ্ঞপ্তি ১৩৭৭/২০২৫
দীর্ঘমেয়াদি বড় লক্ষ্যমিলিয়নিয়ার বা কোটিপতি স্কিমদীর্ঘ মেয়াদ, নির্ধারিত কিস্তি এবং আগাম বন্ধের কর্তন

সার্কুলার ও কাগজপত্রের গুরুত্ব

জনতা ব্যাংকের ডিপোজিট স্কিমে নির্দেশ বিজ্ঞপ্তির নম্বর ও তারিখ গুরুত্বপূর্ণ, কারণ সংশোধিত সার্কুলারে কিস্তি বা যোগ্যতার শর্ত বদলাতে পারে। সরবরাহ করা তথ্যে ১৩৭৪/২০২৫, ১৩৫৩/২০২৫, ১৩৫৪/২০২৫, ১৩১৬/২০২৫, ১৩৬৯/২০২৫, ১২৬৭/২০২৪, ১২৪৪/২০২৪, ১৩৭৭/২০২৫ এবং ১৪০১/২০২৬ নম্বরের উল্লেখ রয়েছে। তাই শাখায় যাওয়ার সময় সংশ্লিষ্ট সার্কুলারের সর্বশেষ কপি চাইতে পারেন।

কাগজপত্রে নাম, স্বাক্ষর, জন্মতারিখ এবং পরিচয়পত্রের তথ্যের অমিল থাকলে হিসাব খোলার প্রক্রিয়া বিলম্বিত হতে পারে। অনিবাসী পেনশন স্কিমে বিশেষভাবে ফর্ম, নমুনা স্বাক্ষর কার্ড এবং পাসপোর্টের স্বাক্ষর এক হওয়া দরকার। এছাড়া ছবি ও দলিল সত্যায়নের ক্ষেত্রেও ব্যাংকের গ্রহণযোগ্য কর্তৃপক্ষের নিয়ম মানতে হবে।

সুদের হার, কর, আবগারি শুল্ক এবং আগাম হিসাব বন্ধের অর্থের হিসাব শাখা থেকে লিখিতভাবে জেনে নেওয়া ভালো। কারণ বাংলাদেশ ব্যাংক বা জনতা ব্যাংকের নতুন নির্দেশনা এলে পুরোনো প্রচারপত্রের তথ্য কার্যকর নাও থাকতে পারে।

প্রশ্নোত্তর

জনতা ব্যাংক ডিপিএসের সুদের হার কি সব স্কিমে একই?

না। স্কিমভেদে হার আলাদা। উদাহরণ হিসেবে জেডিএসে ৬%, নারী কল্যাণ প্রকল্পে ৭.৫০%, জেবিডিপিএসে ১০% এবং কোটিপতি স্কিমে ৮.৭৫% ঘোষিত আছে।

জেডিএসের কিস্তি কখন জমা দিতে হয়?

জেডিএসের মাসিক কিস্তি মাসের ১ থেকে ১০ তারিখের মধ্যে জমা দিতে হয়। তবে ব্যাংক শাখার কার্যদিবস ও সর্বশেষ নির্দেশনা আগে মিলিয়ে নিন।

অনিবাসী পেনশন স্কিমে কারা হিসাব খুলতে পারেন?

বিদেশে অবস্থানরত বা কর্মরত বাংলাদেশি নাগরিক এই হিসাব খুলতে পারেন। একই সঙ্গে কিস্তি বৈদেশিক রেমিট্যান্সের মাধ্যমে দিতে হবে এবং একই শাখায় ব্যক্তিগত সঞ্চয়ী হিসাব থাকতে হবে।

ডিপিএসের কিস্তি অগ্রিম জমা দিলে অতিরিক্ত সুদ পাওয়া যায়?

অনিবাসী পেনশন স্কিমে অগ্রিম জমা করা গেলেও অগ্রিম সময়ের জন্য সুদ দেওয়া হয় না। তবে অন্য স্কিমে নিয়ম ভিন্ন হতে পারে।

জেডিএস কি নাবালকের নামে খোলা যায়?

হ্যাঁ। জেডিএসে অভিভাবক নাবালকের নামে হিসাব খুলতে ও পরিচালনা করতে পারেন। তবে সব স্কিমে এই সুবিধা নেই।

নারী কল্যাণ সঞ্চয় প্রকল্পে কারা হিসাব খুলতে পারেন?

১৮ বছর বা তার বেশি বয়সী সুস্থ মস্তিষ্কসম্পন্ন বাংলাদেশি নারী এই প্রকল্পে হিসাব খুলতে পারেন। এজন্য পরিচয়পত্র, ছবি এবং নমিনির কাগজপত্র লাগবে।

ডিপিএস মেয়াদপূর্তির আগে বন্ধ করলে কী হয়?

স্কিমভেদে ফল আলাদা। কোনো ক্ষেত্রে শুধু মূল টাকা ফেরত আসে। আবার নির্দিষ্ট সময় পার হলে সঞ্চয়ী হিসাবের হার বা নির্ধারিত সরল সুদ প্রযোজ্য হতে পারে।

জনতা হজ্ব ডিপোজিট স্কিমে সুদ দেওয়া হয়?

না। সরবরাহ করা তথ্য অনুযায়ী জনতা হজ্ব ডিপোজিট স্কিম সম্পূর্ণ সুদমুক্ত। এর মেয়াদ এক থেকে ২০ বছর এবং কিস্তি মেয়াদভেদে নির্ধারিত হয়।

জেবিডিপিএসে সর্বনিম্ন মাসিক কিস্তি কত?

জেবিডিপিএসে ৫০০ টাকা থেকে কিস্তি শুরু হয়। এরপর ১,০০০, ২,০০০, ৫,০০০, ১০,০০০, ১৫,০০০, ২০,০০০, ২৫,০০০ টাকা এবং ২৫,০০০ টাকার গুণিতক উল্লেখ করা হয়েছে।

সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে শেষ যাচাই

জনতা ব্যাংক ডিপিএস বেছে নেওয়ার ক্ষেত্রে সবচেয়ে নিরাপদ পদ্ধতি হলো নিজের মাসিক বাজেটের সঙ্গে কিস্তি মিলিয়ে নেওয়া এবং মেয়াদপূর্ব বন্ধের নিয়ম আগে পড়া। এরপর সংশ্লিষ্ট শাখা থেকে সর্বশেষ সুদের হার, কর ও চার্জের লিখিত হিসাব নিন। বিশেষ করে ২০২৬ সালের সংশোধিত সার্কুলার কার্যকর আছে কি না তা যাচাই করুন।

মাসিক কিস্তি নিয়মিত রাখা সম্ভব হলে দীর্ঘমেয়াদি সঞ্চয় পরিকল্পনা বেশি কার্যকর হয়। তবে কোনো নির্দিষ্ট স্কিমকে সবার জন্য সেরা বলা যায় না। তাই হিসাব খোলার আগে পরিচয়পত্র, নমিনির তথ্য, কিস্তির তারিখ এবং সম্ভাব্য আগাম বন্ধের অর্থ লিখে মিলিয়ে নিন।

Rakib Hasan

আমি একজন লেখক ও কনটেন্ট ক্রিয়েটর। তিনি খবর, চাকরি, শিক্ষা, প্রযুক্তি, অর্থনীতি ও দৈনন্দিন প্রয়োজনীয় বিষয় নিয়ে তথ্যবহুল ও সহজবোধ্য কনটেন্ট প্রকাশ করেন। তাঁর লক্ষ্য পাঠকদের সঠিক ও সময়োপযোগী তথ্য প্রদান করা।

Sharing Is Caring:

Leave a Comment