ঢালারচর এক্সপ্রেস ট্রেনের সময়সূচী ২০২৬ অনুযায়ী ট্রেনটি সকাল ৬টা ৩০ মিনিটে ঢালারচর থেকে ছেড়ে রাজশাহী জংশনে পৌঁছায় সকাল ১০টা ২৫ মিনিটে। ফিরতি পথে রাজশাহী থেকে ট্রেনটি বিকেল ৫টা ২০ মিনিটে ছাড়ে এবং রাত ৯টা ১৫ মিনিটে ঢালারচরে পৌঁছে। এছাড়াও ভাড়া, বন্ধের দিন এবং মোবাইলে ট্রেনের অবস্থান জানার পদ্ধতিও নিচে দেওয়া হলো।
সংক্ষিপ্ত সারাংশ
- ঢালারচর থেকে রাজশাহী: সকাল ৬টা ৩০ মিনিট থেকে সকাল ১০টা ২৫ মিনিট।
- রাজশাহী থেকে ঢালারচর: বিকেল ৫টা ২০ মিনিট থেকে রাত ৯টা ১৫ মিনিট।
- ৭৭৯ নম্বর ট্রেন বৃহস্পতিবার এবং ৭৮০ নম্বর ট্রেন বুধবার বন্ধ থাকে।
- ভাড়া: শোভন ১৩৫ টাকা এবং শোভন চেয়ার ১৬৫ টাকা।
ঢালারচর এক্সপ্রেস ট্রেনের সময়সূচী ২০২৬
ঢালারচর এক্সপ্রেস বাংলাদেশের একটি আন্তঃনগর ট্রেন। এটি পাবনার ঢালারচর স্টেশন থেকে রাজশাহী জংশন পর্যন্ত চলাচল করে। প্রকাশিত রুটতথ্য অনুযায়ী, ঢালারচর থেকে রাজশাহী যেতে মোট সময় লাগে প্রায় ৩ ঘণ্টা ৫৫ মিনিট।
পাবনা শহর থেকে যাত্রী উঠতে চাইলে পাবনা স্টেশনের নির্ধারিত সময়টি বিশেষভাবে খেয়াল করুন। কারণ ঢালারচর থেকে ছাড়ার পর ট্রেনটি মাঝপথের ১৫টি স্টেশনে বিরতি দেয়। তাই স্টেশনে পৌঁছানোর জন্য নির্ধারিত সময়ের অন্তত ১৫ থেকে ২০ মিনিট আগে উপস্থিত থাকা নিরাপদ।
ঢালারচর থেকে রাজশাহী
| স্টেশনের নাম | ছাড়ার বা পৌঁছানোর সময় |
|---|---|
| ঢালারচর | সকাল ৬টা ৩০ মিনিট |
| বাদেরহাট | সকাল ৬টা ৪১ মিনিট |
| কাশিনাথপুর | সকাল ৬টা ৫৮ মিনিট |
| সাথিয়া রাজাপুর | সকাল ৭টা ১৩ মিনিট |
| তাঁতিবান্ধ | সকাল ৭টা ২৬ মিনিট |
| দেবুলিয়া | সকাল ৭টা ৩৬ মিনিট |
| রাঘবপুর | সকাল ৭টা ৪৮ মিনিট |
| পাবনা | সকাল ৮টা ১ মিনিট |
| তেবুনিয়া | সকাল ৮টা ১৮ মিনিট |
| দাশুরিয়া | সকাল ৮টা ৩০ মিনিট |
| মাঝগ্রাম | সকাল ৮টা ৪৩ মিনিট |
| ঈশ্বরদী বাইপাস | সকাল ৯টা ০০ মিনিট |
| আজিমনগর | সকাল ৯টা ১৫ মিনিট |
| আব্দুলপুর | সকাল ৯টা ২৫ মিনিট |
| আড়ানি | সকাল ৯টা ৩৮ মিনিট |
| সারদাহ রোড | সকাল ৯টা ৫৬ মিনিট |
| রাজশাহী জংশন | সকাল ১০টা ২৫ মিনিট |
পাবনা স্টেশন থেকে ট্রেনে উঠলে নির্ধারিত সময় সকাল ৮টা ১ মিনিট। তবে রেলপথে সাময়িক বিলম্ব, পরিচালনাগত পরিবর্তন বা বিশেষ দিনের সূচির কারণে সময় বদলাতে পারে। তাই যাত্রার দিন স্টেশন কাউন্টার অথবা বাংলাদেশ রেলওয়ের অফিসিয়াল তথ্য যাচাই করা ভালো।
রাজশাহী থেকে ঢালারচর
রাজশাহী থেকে ঢালারচরগামী ট্রেনটি বিকেল ৫টা ২০ মিনিটে ছাড়ে। এরপর পথে নির্ধারিত স্টেশনগুলোতে বিরতি দিয়ে রাত ৯টা ১৫ মিনিটে ঢালারচরে পৌঁছানোর কথা। প্রকাশিত ফিরতি সময়গুলো নিচে সাজানো হলো।
| স্টেশনের নাম | সময় |
|---|---|
| রাজশাহী জংশন | বিকেল ৫টা ২০ মিনিট |
| সারদাহ রোড | বিকেল ৫টা ৩৭ মিনিট |
| আড়ানি | বিকেল ৫টা ৫৫ মিনিট |
| আব্দুলপুর | সন্ধ্যা ৬টা ১০ মিনিট |
| আজিমনগর | সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিট |
| ঈশ্বরদী বাইপাস | সন্ধ্যা ৬টা ৩০ মিনিট |
| মাঝগ্রাম | সন্ধ্যা ৬টা ৪০ মিনিট |
| দাশুরিয়া | সন্ধ্যা ৬টা ৫২ মিনিট |
| তেবুনিয়া | সন্ধ্যা ৭টা ১০ মিনিট |
| পাবনা | সন্ধ্যা ৭টা ২৫ মিনিট |
| রাঘবপুর | সন্ধ্যা ৭টা ৩৫ মিনিট |
| দেবুলিয়া | সন্ধ্যা ৭টা ৫০ মিনিট |
| তাঁতিবান্ধ | রাত ৮টা ০০ মিনিট |
| সাথিয়া রাজাপুর | রাত ৮টা ১২ মিনিট |
| কাশিনাথপুর | রাত ৮টা ৩০ মিনিট |
| বাদেরহাট | রাত ৮টা ৪৮ মিনিট |
| ঢালারচর | রাত ৯টা ১৫ মিনিট |
রাজশাহী থেকে পাবনা যেতে চাইলে সন্ধ্যা ৭টা ২৫ মিনিটের পাবনা-সময়টি মনে রাখা জরুরি। এরপর পাবনা পার হয়ে ট্রেনটি ঢালারচরের দিকে যায়। তবে স্টেশনের নামের বানান বা সময়সূচিতে অনলাইন উৎসভেদে সামান্য পার্থক্য দেখা গেলে টিকিট কাউন্টারকে অগ্রাধিকার দিন।
ঢালারচর এক্সপ্রেসের ভাড়া
প্রকাশিত ভাড়ার তালিকা অনুযায়ী ঢালারচর এক্সপ্রেসে শোভন আসনের ভাড়া ১৩৫ টাকা এবং শোভন চেয়ারের ভাড়া ১৬৫ টাকা। ফলে একই রুটে আসনের ধরন বদলালে ভাড়ার পার্থক্য হয় ৩০ টাকা।
| আসনের ধরন | ভাড়া |
|---|---|
| শোভন | ১৩৫ টাকা |
| শোভন চেয়ার | ১৬৫ টাকা |
রেলওয়ে সময়ে সময়ে ভাড়া, আসনব্যবস্থা বা টিকিট বিক্রির নিয়ম পরিবর্তন করতে পারে। তাই ২০২৬ সালে যাত্রার আগে কাউন্টার, অনলাইন টিকিট ব্যবস্থা বা অফিসিয়াল রেলওয়ে তথ্য থেকে ভাড়া মিলিয়ে নিন। এছাড়া টিকিট কেনার সময় নির্ধারিত মূল্যের অতিরিক্ত টাকা দেওয়া উচিত নয়।
ভাড়া যাচাইয়ের সহজ উপায়
- প্রথমে টিকিটে মুদ্রিত ভাড়া দেখে নিন।
- এরপর আসনের শ্রেণি শোভন নাকি শোভন চেয়ার, তা মিলিয়ে নিন।
- অনলাইন বুকিংয়ের ক্ষেত্রে সার্ভিস চার্জ থাকলে সেটি ভাড়ার বাইরে আলাদা করে দেখানো হয়েছে কি না যাচাই করুন।
সাপ্তাহিক বন্ধের দিন
ঢালারচর এক্সপ্রেস সপ্তাহে দুই দিন বন্ধ থাকে। ঢালারচর থেকে রাজশাহীগামী ৭৭৯ নম্বর ট্রেন বৃহস্পতিবার চলাচল করে না। অন্যদিকে রাজশাহী থেকে ঢালারচরগামী ৭৮০ নম্বর ট্রেনের সাপ্তাহিক বন্ধের দিন বুধবার।
| ট্রেন নম্বর | রুট | বন্ধের দিন |
|---|---|---|
| ৭৭৯ | ঢালারচর থেকে রাজশাহী | বৃহস্পতিবার |
| ৭৮০ | রাজশাহী থেকে ঢালারচর | বুধবার |
বাকি পাঁচ দিন ট্রেনটি নিয়মিত চলার কথা। তবে ঈদ বা সরকারি ছুটির সময় বিশেষ সূচি প্রযোজ্য হতে পারে। তাই উৎসবের দিনে শুধু সাপ্তাহিক বন্ধের তালিকার ওপর নির্ভর না করে স্টেশন থেকে চলাচলের তথ্য নিশ্চিত করুন।
ট্রেনের অবস্থান জানার নিয়ম
ঢালারচর এক্সপ্রেস এখন কোথায় আছে জানতে মোবাইলের মেসেজ অপশন ব্যবহার করা যায়। ৭৭৯ নম্বর ট্রেনের জন্য TR 779 এবং ৭৮০ নম্বর ট্রেনের জন্য TR 780 লিখে ১৬৩১৮ নম্বরে এসএমএস পাঠাতে হবে।
- প্রথমে মোবাইলের মেসেজ অপশন খুলুন।
- ঢালারচর থেকে রাজশাহী ট্রেনের অবস্থান জানতে লিখুন TR 779।
- অন্যদিকে রাজশাহী থেকে ঢালারচারের ট্রেনের অবস্থান জানতে লিখুন TR 780।
- সবশেষে বার্তাটি ১৬৩১৮ নম্বরে পাঠিয়ে ফিরতি এসএমএসের জন্য অপেক্ষা করুন।
ফিরতি বার্তায় ট্রেনের অবস্থান বা চলাচল-সংক্রান্ত তথ্য পাওয়া যেতে পারে। তবে এসএমএস সেবা সাময়িকভাবে বন্ধ থাকলে অথবা উত্তর পেতে দেরি হলে নেটওয়ার্ক, সার্ভিসের কার্যকারিতা এবং ট্রেন নম্বরটি আবার যাচাই করুন।
পাবনা ও রাজশাহী রুটের দূরত্ব
পাবনা থেকে রাজশাহীর রেলপথের দূরত্ব প্রায় ৯৬ দশমিক ৪ কিলোমিটার। বিপরীত দিকেও দূরত্ব একই ধরা হয়। তবে সড়কপথের দূরত্ব, রেলপথের দূরত্ব এবং গন্তব্য স্টেশনের অবস্থান এক নয়। তাই যাত্রার পরিকল্পনায় রেলপথের এই দূরত্ব ব্যবহার করা উচিত।
পাবনা স্টেশন থেকে রাজশাহী যেতে ঢালারচর এক্সপ্রেসে প্রায় চার ঘণ্টা সময় লাগে। তবে টেবিলের সময় ধরে পাবনা থেকে রাজশাহী যাত্রার নির্ধারিত সময় সকাল ৮টা ১ মিনিট থেকে সকাল ১০টা ২৫ মিনিট, অর্থাৎ প্রায় ২ ঘণ্টা ২৪ মিনিট। এখানে একটি বিষয় খেয়ালযোগ্য: পুরো ঢালারচর-রাজশাহী রুটের সময় এবং শুধু পাবনা-রাজশাহী অংশের সময় এক নয়।
এই পার্থক্যটি উন্নত যাত্রা পরিকল্পনায় কাজে লাগে। উদাহরণ হিসেবে, পাবনা থেকে রাজশাহী যাওয়া যাত্রী যদি পুরো রুটের চার ঘণ্টার হিসাব করেন, তবে গন্তব্যে পৌঁছানোর সময় অযথা বেশি ধরে ফেলতে পারেন। তাই টিকিটের স্টেশন ও ট্রেনের নির্ধারিত সময় মিলিয়ে পরিকল্পনা করাই বেশি নির্ভরযোগ্য।
যাত্রার আগে যা যাচাই করবেন
ঢালারচর এক্সপ্রেস ট্রেনের সময়সূচী ২০২৬ অনুসরণ করলেও বাস্তব যাত্রার দিনে সাময়িক পরিবর্তন হতে পারে। বিশেষ করে ঈদ, ঘন কুয়াশা, রক্ষণাবেক্ষণ, প্রাকৃতিক দুর্যোগ বা রেল পরিচালনার সিদ্ধান্তে ট্রেন দেরিতে চলতে পারে।
ব্যবহারিক পরামর্শ
- প্রথমত, স্টেশনে নির্ধারিত সময়ের ১৫ থেকে ২০ মিনিট আগে পৌঁছান।
- পাবনা ও রাজশাহী নামের কাছাকাছি স্টেশন থাকলে টিকিটের স্টেশনটি ভালোভাবে পড়ুন।
- এছাড়াও বৃহস্পতিবার ঢালারচর থেকে এবং বুধবার রাজশাহী থেকে ট্রেন না চলার বিষয়টি মনে রাখুন।
- ট্রেন নম্বর ৭৭৯ বা ৭৮০ সঠিকভাবে লিখে এসএমএস পাঠান।
- সবশেষে, ভাড়া পরিবর্তন হয়েছে কি না, টিকিট কাটার আগে তা যাচাই করুন।
সাধারণ ভুলগুলো
অনেক যাত্রী ঢালারচর থেকে রাজশাহী এবং পাবনা থেকে রাজশাহী অংশের সময়কে একই ধরে নেন। আবার কেউ ফিরতি ট্রেনের বন্ধের দিনকে যাওয়ার ট্রেনের বন্ধের দিন মনে করেন। তাই এই দুটি ভুল এড়াতে রুট, ট্রেন নম্বর এবং যাত্রার তারিখ একসঙ্গে মিলিয়ে নিন।
আরেকটি সাধারণ ভুল হলো পুরোনো অনলাইন সময়সূচীকে চূড়ান্ত ধরে নেওয়া। তাই ২০২৬ সালের যাত্রার ক্ষেত্রে প্রকাশিত তথ্যের পাশাপাশি স্টেশন কাউন্টার বা বাংলাদেশ রেলওয়ের সর্বশেষ ঘোষণাও দেখা দরকার।
ঢালারচর এক্সপ্রেস নিয়ে প্রশ্ন
ঢালারচর এক্সপ্রেস কখন ঢালারচর থেকে ছাড়ে?
ঢালারচর এক্সপ্রেস ঢালারচর স্টেশন থেকে সকাল ৬টা ৩০ মিনিটে ছাড়ার কথা। তবে বৃহস্পতিবার ৭৭৯ নম্বর ট্রেনের সাপ্তাহিক বন্ধের দিন হওয়ায় ওই দিন চলাচল থাকে না।
রাজশাহী থেকে ট্রেনটি কখন ছাড়ে?
রাজশাহী জংশন থেকে ঢালারচরগামী ৭৮০ নম্বর ট্রেন বিকেল ৫টা ২০ মিনিটে ছাড়ে। অন্যদিকে বুধবার এই ট্রেনের সাপ্তাহিক বন্ধের দিন।
ঢালারচর এক্সপ্রেসের শোভন চেয়ারের ভাড়া কত?
প্রকাশিত তালিকা অনুযায়ী শোভন চেয়ারের ভাড়া ১৬৫ টাকা। তবে ভাড়া পরিবর্তন হলে টিকিট কাটার সময় কাউন্টার বা অফিসিয়াল রেলওয়ে তথ্যকে চূড়ান্ত হিসেবে ধরুন।
ঢালারচর এক্সপ্রেসের লোকেশন কীভাবে জানা যায়?
৭৭৯ নম্বরের জন্য TR 779 এবং ৭৮০ নম্বরের জন্য TR 780 লিখে ১৬৩১৮ নম্বরে এসএমএস পাঠান। এরপর ফিরতি বার্তায় ট্রেনের অবস্থান-সংক্রান্ত তথ্য পাওয়া যেতে পারে।
পাবনা থেকে রাজশাহী যেতে কত সময় লাগে?
ঢালারচর এক্সপ্রেসের প্রকাশিত স্টেশন সময় অনুযায়ী পাবনা থেকে রাজশাহী অংশে প্রায় ২ ঘণ্টা ২৪ মিনিট লাগে। তবে পুরো ঢালারচর-রাজশাহী রুটে সময় লাগে প্রায় ৩ ঘণ্টা ৫৫ মিনিট।
পাবনা থেকে রাজশাহীর দূরত্ব কত?
রেলপথে পাবনা থেকে রাজশাহীর দূরত্ব প্রায় ৯৬ দশমিক ৪ কিলোমিটার। তবে সড়কপথের দূরত্ব আলাদা হতে পারে, তাই ভ্রমণের ধরন অনুযায়ী দূরত্ব ব্যবহার করুন।
যাত্রার পরিকল্পনা সহজ করুন
ঢালারচর এক্সপ্রেস ট্রেনের সময়সূচী ২০২৬ অনুযায়ী যাওয়া ও ফেরার সময়, বন্ধের দিন এবং ভাড়া আগে মিলিয়ে নিলে স্টেশনে অপ্রয়োজনীয় অপেক্ষা কমে। বিশেষ করে পাবনা স্টেশনের সকাল ৮টা ১ মিনিট এবং রাজশাহী জংশনের বিকেল ৫টা ২০ মিনিটের সময় দুটি পরিকল্পনার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
তবে তথ্যগুলো প্রকাশিত সময়সূচীর ভিত্তিতে সাজানো হয়েছে। তাই যাত্রার দিন ট্রেন চলাচল, ভাড়া এবং বিলম্বের সর্বশেষ তথ্য স্টেশন কাউন্টার বা বাংলাদেশ রেলওয়ের অফিসিয়াল মাধ্যমে যাচাই করে টিকিট কাটুন।