সিরাজগঞ্জ এক্সপ্রেস ট্রেনের সময়সূচী ২০২৬ জানলে ঢাকা ও সিরাজগঞ্জের মধ্যে যাতায়াতের পরিকল্পনা অনেক সহজ হয়। তবে প্রচলিত একটি ভুল ধারণা হলো, শুধু ট্রেনের ছাড়ার সময় জানলেই যাত্রা নিরাপদে পরিকল্পনা করা যায়। বাস্তবে সাপ্তাহিক বন্ধ, স্টেশনভেদে বিরতি, ভাড়া এবং আসনের ধরনও আগে মিলিয়ে নেওয়া জরুরি।

বাংলাদেশ রেলওয়ের আন্তঃনগর সিরাজগঞ্জ এক্সপ্রেস ট্রেনের কোড ৭৭৫ ও ৭৭৬। নির্ধারিত সময় অনুযায়ী সিরাজগঞ্জ বাজার থেকে ট্রেনটি সকাল ৬টায় ঢাকার উদ্দেশে ছাড়ে। অন্যদিকে ঢাকা থেকে বিকেল ৪টা ১৫ মিনিটে সিরাজগঞ্জের পথে যাত্রা শুরু করে। তবে রেলওয়ের সিদ্ধান্তে সময় পরিবর্তন হতে পারে।
- সিরাজগঞ্জ বাজার থেকে ঢাকা: সকাল ৬টা থেকে সকাল ১০টা ১৫ মিনিট।
- ঢাকা থেকে সিরাজগঞ্জ বাজার: বিকেল ৪টা ১৫ মিনিট থেকে রাত ৮টা ১০ মিনিট।
- সাপ্তাহিক বন্ধ: শনিবার।
- ট্রেন নম্বর: সিরাজগঞ্জ থেকে ঢাকা ৭৭৫ এবং ঢাকা থেকে সিরাজগঞ্জ ৭৭৬।
সিরাজগঞ্জ এক্সপ্রেসের সময়সূচী
সিরাজগঞ্জ এক্সপ্রেস ট্রেনের সময়সূচী ২০২৬ অনুযায়ী সিরাজগঞ্জ বাজার থেকে ঢাকার কমলাপুর পর্যন্ত যাত্রায় নির্ধারিত সময় লাগে প্রায় ৪ ঘণ্টা ১৫ মিনিট। বিপরীত পথে ঢাকা থেকে সিরাজগঞ্জ বাজারে পৌঁছাতে সময় লাগে প্রায় ৩ ঘণ্টা ৫৫ মিনিট। তাই ব্যস্ত যাত্রীদের জন্য সকালের ও বিকেলের এই দুই সময় আলাদা করে মনে রাখা সুবিধাজনক।
সিরাজগঞ্জ থেকে ঢাকা
সকাল ৬টায় সিরাজগঞ্জ বাজার থেকে ট্রেনটি ছাড়ে। এরপর সিরাজগঞ্জ রায়পুর, জামতৈল, শহীদ এম মনসুর আলী, সৈয়দাবাদ, ইব্রাহিমাবাদ, টাঙ্গাইল, মির্জাপুর, হাই-টেক সিটি, জয়দেবপুর এবং বিমানবন্দর স্টেশনে বিরতি দেয়। নির্ধারিত সময় অনুযায়ী সকাল ১০টা ১৫ মিনিটে ট্রেনটি ঢাকা কমলাপুরে পৌঁছায়।
| স্টেশনের নাম | সময় |
|---|---|
| সিরাজগঞ্জ বাজার | সকাল ৬:০০ |
| সিরাজগঞ্জ রায়পুর | সকাল ৬:০৮ |
| জামতৈল | সকাল ৬:২৫ |
| শহীদ এম মনসুর আলী | সকাল ৬:৫৩ |
| সৈয়দাবাদ | সকাল ৭:০৩ |
| ইব্রাহিমাবাদ | সকাল ৭:১৮ |
| টাঙ্গাইল | সকাল ৭:৪০ |
| মির্জাপুর | সকাল ৮:১২ |
| হাই-টেক সিটি | সকাল ৮:৩১ |
| জয়দেবপুর | সকাল ৯:১৪ |
| বিমানবন্দর | সকাল ৯:৪৩ |
| ঢাকা কমলাপুর | সকাল ১০:১৫ |
ঢাকা থেকে সিরাজগঞ্জ
বিকেল ৪টা ১৫ মিনিটে ঢাকা কমলাপুর থেকে সিরাজগঞ্জ এক্সপ্রেস ছাড়ে। এরপর বিমানবন্দর, জয়দেবপুর, মির্জাপুর, টাঙ্গাইল, ইব্রাহিমাবাদ, শহীদ এম মনসুর আলী, জামতৈল এবং সিরাজগঞ্জ রায়পুরে বিরতি দেয়। নির্ধারিত সময় অনুযায়ী রাত ৮টা ১০ মিনিটে ট্রেনটি সিরাজগঞ্জ বাজারে পৌঁছায়।
| স্টেশনের নাম | সময় |
|---|---|
| ঢাকা কমলাপুর | বিকেল ৪:১৫ |
| বিমানবন্দর | বিকেল ৪:৩৮ |
| জয়দেবপুর | বিকেল ৫:০৬ |
| মির্জাপুর | বিকেল ৫:৪২ |
| টাঙ্গাইল | সন্ধ্যা ৬:১১ |
| ইব্রাহিমাবাদ | সন্ধ্যা ৬:৩৩ |
| শহীদ এম মনসুর আলী | সন্ধ্যা ৬:৫৫ |
| জামতৈল | রাত ৭:০৫ |
| সিরাজগঞ্জ রায়পুর | রাত ৭:৪৩ |
| সিরাজগঞ্জ বাজার | রাত ৮:১০ |
তবে সময়সূচি রেলওয়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পরিবর্তিত হতে পারে। তাই যাত্রার দিন বাংলাদেশ রেলওয়ের অফিসিয়াল তথ্যসেবা থেকে সর্বশেষ সময় যাচাই করা ভালো।
ট্রেনের ভাড়া কত
সিরাজগঞ্জ এক্সপ্রেসে আসনের ধরন অনুযায়ী ভাড়া আলাদা। শোভন, শোভন চেয়ার, স্নিগ্ধা এবং এসি আসনের কথা উল্লেখ করা হলেও সরবরাহ করা ভাড়ার তালিকায় কিছু শ্রেণির নাম ও দামের মধ্যে পার্থক্য দেখা যায়। ফলে টিকিট কেনার সময় বাংলাদেশ রেলওয়ের কাউন্টার বা অনুমোদিত অনলাইন বিক্রয়ব্যবস্থায় প্রদর্শিত ভাড়াই চূড়ান্ত ধরে নিন।
| রুট | শোভন | শোভন চেয়ার | ফার্স্ট সিট বা এসি |
|---|---|---|---|
| ঢাকা–জয়দেবপুর | ৪৫ টাকা | ৫০ টাকা | ১০৪ টাকা |
| ঢাকা–টাঙ্গাইল | ৯৫ টাকা | ১১৫ টাকা | ১৭৯ টাকা |
| ঢাকা–ইব্রাহিমাবাদ | ১২০ টাকা | ১৪০ টাকা | ২১৩ টাকা |
| ঢাকা–জামতৈল | ২৫৫ টাকা | ৩০৫ টাকা | ৪৬৬ টাকা |
| ঢাকা–সিরাজগঞ্জ | ২৬৫ টাকা | ৩২০ টাকা | এসি ৪৮৯ টাকা |
অন্য একটি ভাড়ার তথ্যে সিরাজগঞ্জ বাজার থেকে ঢাকার জন্য শোভন ২৩০ টাকা, শোভন চেয়ার ২৭৫ টাকা, স্নিগ্ধা ৭৭১ টাকা এবং এসি বার্থ ১,৪৩৬ টাকা উল্লেখ করা হয়েছে। এই পার্থক্য আসনশ্রেণি, রুটের গণনা বা সময়ের সঙ্গে সংশোধিত ভাড়ার কারণে হতে পারে। তাই পুরোনো তালিকা দেখে টাকা জমা না দিয়ে বুকিংয়ের আগে বর্তমান মূল্য যাচাই করুন।
কোন কোন স্টেশনে থামে
সিরাজগঞ্জ এক্সপ্রেস যাত্রাপথে গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি স্টেশনে থামে। তবে স্টেশনে পৌঁছানোর পর ট্রেন কতক্ষণ দাঁড়াবে, তা কার্যকর সময়সূচি ও পরিচালনাগত পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করতে পারে। তাই ব্যস্ত যাত্রীদের জন্য নির্ধারিত সময়ের অন্তত ১৫ থেকে ২০ মিনিট আগে প্ল্যাটফর্মে থাকা নিরাপদ অভ্যাস।
| স্টেশন | সিরাজগঞ্জ থেকে ঢাকার পথে | ঢাকা থেকে সিরাজগঞ্জের পথে |
|---|---|---|
| শহীদ এম মনসুর আলী | সকাল ৬:৫৩ পৌঁছে ৬:৫৬ ছাড়ে | সন্ধ্যা ৬:৫৫ পৌঁছে ৬:৫৭ ছাড়ে |
| জামতৈল | সকাল ৬:২৫ পৌঁছে ৬:৪৫ ছাড়ে | রাত ৭:০৫ পৌঁছে ৭:৩০ ছাড়ে |
| টাঙ্গাইল | সকাল ৭:৪০ পৌঁছে ৭:৪৮ ছাড়ে | সন্ধ্যা ৬:১১ পৌঁছে ৬:১৩ ছাড়ে |
| জয়দেবপুর | সকাল ৯:১৪ পৌঁছে ৯:১৭ ছাড়ে | বিকেল ৫:০৬ পৌঁছে ৫:০৯ ছাড়ে |
| বিমানবন্দর | সকাল ৯:৪৩ পৌঁছে ৯:৪৬ ছাড়ে | বিকেল ৪:৩৮ পৌঁছে ৪:৪৩ ছাড়ে |
উপরের বিরতির সময়ের সঙ্গে পূর্ণ রুটের সময়সূচিতে কিছু অমিল রয়েছে। বিশেষ করে জামতৈল স্টেশনের ক্ষেত্রে এমন পার্থক্য দেখা যায়। তাই কোনো সংযোগকারী বাস, অফিসের শিফট বা পরীক্ষার সময় ধরে পরিকল্পনা করলে স্টেশন কাউন্টার ও রেলওয়ের তাৎক্ষণিক ঘোষণাকে অগ্রাধিকার দিন।
সুবিধা ও সীমাবদ্ধতা
সিরাজগঞ্জ এক্সপ্রেসকে ঢাকা–সিরাজগঞ্জ রুটের একটি আধুনিক আন্তঃনগর ট্রেন হিসেবে বিবেচনা করা হয়। ফলে বিভিন্ন আসনশ্রেণি থাকায় যাত্রীরা বাজেট ও আরামের ভিত্তিতে নির্বাচন করতে পারেন। তবে ভাড়া এবং আসনপ্রাপ্যতা সব সময় একই থাকবে, এমন নিশ্চয়তা নেই।
যে সুবিধাগুলো কাজে লাগে
- শোভন থেকে এসি শ্রেণি পর্যন্ত একাধিক আসনের বিকল্প রয়েছে।
- এছাড়াও বিভিন্ন স্টেশনে বিরতি থাকায় যাত্রী ওঠানামা তুলনামূলক সহজ হয়।
- দীর্ঘ সড়কযাত্রার বদলে নির্দিষ্ট সময়ে রেলপথে যাওয়ার সুযোগ মেলে।
- যেমন স্টেশনভিত্তিক বিরতির কারণে প্রয়োজন হলে খাবার বা পানীয় সংগ্রহের সুযোগ থাকে।
- যাত্রীদের নিরাপত্তায় রেলওয়ে পুলিশ কার্যক্রম পরিচালনা করে।
- উপরন্তু ট্রেনটি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন ও আধুনিক আন্তঃনগর সেবার বৈশিষ্ট্য বহন করে।
যা আগে থেকে মাথায় রাখবেন
- প্রথমত, শনিবার ট্রেনটির সাপ্তাহিক বন্ধের দিন।
- সময়সূচি পরিবর্তিত হলে পুরোনো স্ক্রিনশট বা পোস্ট বিভ্রান্ত করতে পারে।
- তাছাড়া সব আসনশ্রেণির টিকিট প্রতিদিন সমানভাবে পাওয়া নাও যেতে পারে।
- স্টেশনে থামার সময় কম হলে খাবার কেনার ওপর নির্ভর না করে প্রয়োজনীয় পানি সঙ্গে রাখা ভালো।
সিরাজগঞ্জ এক্সপ্রেস প্রথম চালু হয় ২০০৮ সালের ৩০ জানুয়ারি। এর মাধ্যমে ঢাকার সঙ্গে সিরাজগঞ্জ জেলার সরাসরি রেল যোগাযোগ স্থাপিত হয়। সময়ের সঙ্গে ট্রেনটির ব্যবহার বেড়েছে। ফলে সিরাজগঞ্জবাসীর যাতায়াতে এটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হয়ে উঠেছে।
টিকিট ও যাত্রার প্রস্তুতি
টিকিট কাটার আগে গন্তব্য স্টেশন, যাত্রার তারিখ, আসনের ধরন এবং ট্রেনের বন্ধের দিন মিলিয়ে নিন। একই রুটে ভাড়ার তালিকায় পার্থক্য থাকলে অনলাইনে প্রদর্শিত বর্তমান ভাড়া বা স্টেশন কাউন্টারের তথ্য ব্যবহার করুন। এই ছোট যাচাইটি ভুল আসন বা অতিরিক্ত প্রস্তুতির ঝুঁকি কমায়।
- প্রথমে যাত্রার দিনটি শনিবার কি না দেখে নিন।
- এরপর ঢাকা বা সিরাজগঞ্জ বাজার থেকে কোন দিকের ট্রেন ধরবেন তা নিশ্চিত করুন।
- শোভন, শোভন চেয়ার, স্নিগ্ধা বা এসি শ্রেণির মধ্যে বাজেট অনুযায়ী আসন বেছে নিন।
- তারপর টিকিটে লেখা স্টেশন ও সময়সূচি ফোনে সংরক্ষণ করুন।
- সবশেষে যাত্রার দিন নির্ধারিত সময়ের আগে স্টেশনে পৌঁছান।
ধরা যাক, একজন চাকরিজীবী সকালে সিরাজগঞ্জ থেকে ঢাকায় পৌঁছে অফিস করতে চান। সে ক্ষেত্রে সকাল ৬টার ট্রেনটি তাঁর জন্য উপযোগী হতে পারে, কারণ নির্ধারিত সময়ে ঢাকা কমলাপুরে পৌঁছানোর কথা সকাল ১০টা ১৫ মিনিটে। তবে অফিসের জরুরি কাজ থাকলে ট্রেনের সম্ভাব্য বিলম্ব বিবেচনা করে বিকল্প সময় হাতে রাখা উচিত।
সাধারণ ভুলগুলো এড়ান
সিরাজগঞ্জ এক্সপ্রেস ট্রেনের সময়সূচী ২০২৬ খোঁজার সময় অনেকে শুধু ছাড়ার সময়টি দেখেন। কিন্তু গন্তব্যে পৌঁছানোর সময়, সাপ্তাহিক বন্ধ এবং নির্দিষ্ট স্টেশনে থামার তথ্য বাদ পড়লে পুরো যাত্রা পরিকল্পনা দুর্বল হয়ে যায়। বিশেষ করে পুরোনো ২০২৫ সালের তালিকা ২০২৬ সালের জন্য সরাসরি ব্যবহার করা ঠিক নয়।
- সিরাজগঞ্জ বাজার ও সিরাজগঞ্জ রায়পুরকে একই স্টেশন ধরে নেওয়া।
- সাপ্তাহিক বন্ধের দিন না দেখে টিকিট খোঁজা।
- ভাড়ার পুরোনো তালিকাকে চূড়ান্ত মূল্য মনে করা।
- এছাড়া স্টেশনে পৌঁছানোর জন্য কোনো অতিরিক্ত সময় না রাখা।
- ট্রেনের বর্তমান অবস্থান যাচাই না করে প্ল্যাটফর্মে অপেক্ষা করা।
লক্ষ্য করার মতো বিষয় হলো, সময়সূচির একটি মিনিটও কর্মজীবী বা পরীক্ষার্থীর জন্য গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। তাই টিকিটের তথ্য, রেলওয়ের ঘোষণা এবং স্টেশনভিত্তিক বাস্তব পরিস্থিতি—এই তিনটি মিলিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়াই দীর্ঘমেয়াদে সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য পদ্ধতি।
সিরাজগঞ্জ এক্সপ্রেস FAQ
সিরাজগঞ্জ এক্সপ্রেসের ট্রেন নম্বর কত?
সিরাজগঞ্জ থেকে ঢাকার পথে ট্রেন নম্বর ৭৭৫। অন্যদিকে ঢাকা থেকে সিরাজগঞ্জের পথে ট্রেন নম্বর ৭৭৬।
সিরাজগঞ্জ এক্সপ্রেসের বন্ধের দিন কোনটি?
ট্রেনটির সাপ্তাহিক বন্ধের দিন শনিবার। তাই ওই দিনে সিরাজগঞ্জ এক্সপ্রেসের নিয়মিত চলাচল বন্ধ থাকে।
সিরাজগঞ্জ থেকে ঢাকা ট্রেনটি কখন ছাড়ে?
সিরাজগঞ্জ বাজার থেকে নির্ধারিত ছাড়ার সময় সকাল ৬টা। নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী ঢাকা কমলাপুরে পৌঁছানোর সময় সকাল ১০টা ১৫ মিনিট।
ঢাকা থেকে সিরাজগঞ্জ ট্রেনটি কখন ছাড়ে?
ঢাকা কমলাপুর থেকে ট্রেনটি বিকেল ৪টা ১৫ মিনিটে ছাড়ে। এরপর নির্ধারিত সময় অনুযায়ী রাত ৮টা ১০ মিনিটে সিরাজগঞ্জ বাজারে পৌঁছায়।
সিরাজগঞ্জ এক্সপ্রেসের বর্তমান অবস্থান কীভাবে জানব?
মোবাইলের মেসেজ অপশনে TR লিখে একটি স্পেস দিন। এরপর ৭৭৫ বা ৭৭৬ লিখে ১৬৩১৮ নম্বরে পাঠালে ফিরতি মেসেজে ট্রেনের অবস্থান জানানো হবে। এই সেবায় ৫ টাকা চার্জ প্রযোজ্য।
সিরাজগঞ্জ এক্সপ্রেসে কোন কোন আসন আছে?
প্রদত্ত তথ্যে শোভন, শোভন চেয়ার, স্নিগ্ধা এবং এসি আসনের কথা বলা হয়েছে। তবে নির্দিষ্ট দিনে কোন শ্রেণির টিকিট পাওয়া যাবে, তা বুকিংয়ের সময় যাচাই করুন।
সিরাজগঞ্জ এক্সপ্রেস কি বিলাসবহুল ট্রেন?
ট্রেনটিকে বাংলাদেশের অন্যান্য অনেক ট্রেনের তুলনায় আধুনিক ও আরামদায়ক আন্তঃনগর সেবা হিসেবে বর্ণনা করা হয়। তবে বাস্তব আরাম আসনের ধরন, ভিড় ও যাত্রার দিনের ওপর নির্ভর করতে পারে।
Sirajganj express train schedule কোথায় যাচাই করব?
Sirajganj express train schedule যাচাই করতে বাংলাদেশ রেলওয়ের অফিসিয়াল তথ্য, স্টেশন কাউন্টার এবং যাত্রার দিনের ঘোষণাকে অগ্রাধিকার দিন। কারণ অনানুষ্ঠানিক পোস্টে পুরোনো তথ্য থাকতে পারে।
যাত্রার আগে শেষ যাচাই
সিরাজগঞ্জ এক্সপ্রেস ট্রেনের সময়সূচী ২০২৬ অনুযায়ী মূল সময় হলো সিরাজগঞ্জ বাজার থেকে সকাল ৬টা এবং ঢাকা থেকে বিকেল ৪টা ১৫ মিনিট। পাশাপাশি শনিবারের বন্ধ, ভাড়ার শ্রেণি এবং স্টেশনভিত্তিক বিরতি মিলিয়ে নিলে প্রস্তুতি আরও নির্ভরযোগ্য হয়। রেলওয়ের সিদ্ধান্তে পরিবর্তনের সম্ভাবনা থাকায় যাত্রার দিন অফিসিয়াল তথ্য দেখে তারপর স্টেশনে রওনা দিন।