যশোর টু ঢাকা ট্রেনের সময়সূচী খুঁজতে গিয়ে অনেক যাত্রী পুরোনো তালিকা, বদলে যাওয়া ছুটির দিন এবং ভাড়ার অসামঞ্জস্যপূর্ণ তথ্য নিয়ে সমস্যায় পড়েন। তাই ২০২৬ সালে ভ্রমণের পরিকল্পনা করলে প্রকাশিত ২০২৫ সালের সূচি একটি প্রাথমিক রেফারেন্স হিসেবে কাজে লাগতে পারে। তবে টিকিট কাটার আগে বাংলাদেশ রেলওয়ের অফিসিয়াল সময়সূচী ও আসন-তথ্য অবশ্যই মিলিয়ে নিন।
সরবরাহ করা তালিকা অনুযায়ী যশোর থেকে ঢাকায় তিনটি আন্তঃনগর ট্রেন চলাচল করে। যেমন, সুন্দরবন এক্সপ্রেস রাতের যাত্রার জন্য সুবিধাজনক, চিত্রা এক্সপ্রেস দিনের বেলার বিকল্প এবং বেনাপোল এক্সপ্রেস দুপুরের পর ছাড়ে। সাধারণত যাত্রার সময় ৭ থেকে ৮ ঘণ্টা ধরা হয়েছে। তবে ক্রসিং, রক্ষণাবেক্ষণ বা বিশেষ দিনের কারণে সময় বাড়তে পারে।
সংক্ষিপ্ত সারাংশ
- যশোর থেকে ঢাকার পথে তালিকায় থাকা ট্রেন তিনটি হলো সুন্দরবন, চিত্রা ও বেনাপোল এক্সপ্রেস।
- সাধারণত যশোর থেকে ঢাকা যেতে প্রায় ৭ থেকে ৮ ঘণ্টা সময় লাগে।
- তালিকাভুক্ত ভাড়া শ্রেণিভেদে ৩৫০ টাকা থেকে ১,৯৩৮ টাকা পর্যন্ত।
- তাই ২০২৬ সালের যাত্রার আগে ২০২৫ সালের প্রকাশিত তথ্য অফিসিয়াল উৎসে পুনরায় যাচাই করা জরুরি।
যশোর টু ঢাকা ট্রেনের সময়সূচী
যশোর টু ঢাকা ট্রেনের সময়সূচী অনুযায়ী সুন্দরবন এক্সপ্রেস, চিত্রা এক্সপ্রেস এবং বেনাপোল এক্সপ্রেস এই রুটের প্রধান আন্তঃনগর বিকল্প। নিচের সময়গুলো সরবরাহ করা ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বরের তালিকা থেকে নেওয়া। তবে ২০২৬ সালে ছুটির দিন বা পরিচালনসূচি বদলালে নতুন সময় কার্যকর হতে পারে।
| ট্রেনের নাম | ট্রেন নম্বর | সাপ্তাহিক ছুটি | যশোর ছাড়ে | ঢাকায় পৌঁছায় | সময়কাল |
|---|---|---|---|---|---|
| সুন্দরবন এক্সপ্রেস | ৭২৫ | মঙ্গলবার | রাত ১১:২০ | সকাল ৭:০০ | ৭ ঘণ্টা ৪০ মিনিট |
| চিত্রা এক্সপ্রেস | ৭৬৩ | রবিবার | সকাল ১০:০৫ | বিকেল ৬:০৫ | ৮ ঘণ্টা |
| বেনাপোল এক্সপ্রেস | ৭৯৫ | বুধবার | দুপুর ১:৪৫ | রাত ৮:৪৫ | ৭ ঘণ্টা |
সুন্দরবন এক্সপ্রেস ৭২৫ রাত ১১:২০ মিনিটে যশোর ছাড়ে এবং পরদিন সকাল ৭টায় ঢাকার কমলাপুর রেলস্টেশনে পৌঁছানোর কথা। ফলে কর্মজীবী বা সকালে ঢাকায় পৌঁছাতে চান এমন যাত্রীরা এই বিকল্পটি বিবেচনা করতে পারেন। সরবরাহ করা তথ্যে কোটচাঁদপুর, চুয়াডাঙ্গা এবং ঈশ্বরদীকে মধ্যবর্তী স্টপ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
চিত্রা এক্সপ্রেস ৭৬৩ সকাল ১০:০৫ মিনিটে ছেড়ে বিকেল ৬:০৫ মিনিটে ঢাকায় পৌঁছায়। তাই দিনের আলোয় দীর্ঘ পথ ভ্রমণ করতে চান এমন পরিবার বা প্রবীণ যাত্রীদের কাছে এই সময়টি তুলনামূলক স্বস্তিদায়ক হতে পারে। মোবারকগঞ্জ ও দর্শনা এই ট্রেনের উল্লেখ করা মধ্যবর্তী স্টপ।
বেনাপোল এক্সপ্রেস ৭৯৫ দুপুর ১:৪৫ মিনিটে যশোর ছাড়ে এবং রাত ৮:৪৫ মিনিটে ঢাকায় পৌঁছানোর কথা। বেনাপোল সীমান্তকেন্দ্রিক যাতায়াতের সঙ্গে যুক্ত যাত্রীদের জন্য নাম ও রুটের দিক থেকে এটি পরিচিত বিকল্প। সরবরাহ করা তালিকায় মোবারকপুর ও কুষ্টিয়াকে মধ্যবর্তী স্টপ বলা হয়েছে।
ঢাকা থেকে যশোরের ট্রেন কখন
ঢাকা থেকে যশোরের ট্রেনের তালিকায়ও সুন্দরবন, চিত্রা এবং বেনাপোল এক্সপ্রেস রয়েছে। তবে ট্রেনভেদে যাত্রা শুরু হয় কমলাপুর বা ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট স্টেশন থেকে। নিচের সময়গুলো সরবরাহ করা ২০২৫ সালের সূচি অনুসারে দেওয়া হলো।
| ট্রেনের নাম | ট্রেন নম্বর | সাপ্তাহিক ছুটি | ঢাকা ছাড়ে | যশোরে পৌঁছায় | সময়কাল |
|---|---|---|---|---|---|
| সুন্দরবন এক্সপ্রেস | ৭২৪ | রবিবার | সকাল ৮:১৫ | বিকেল ২:৩২ | ৬ ঘণ্টা ১৭ মিনিট |
| চিত্রা এক্সপ্রেস | ৭৬২ | মঙ্গলবার | রাত ৭:৩০ | ভোর ৩:৪০ | ৮ ঘণ্টা ১০ মিনিট |
| বেনাপোল এক্সপ্রেস | ৭৯৪ | বৃহস্পতিবার | সকাল ৯:৩০ | বিকেল ৩:৪০ | ৬ ঘণ্টা ১০ মিনিট |
ঢাকা থেকে যশোর ফেরার সময় নির্বাচন করার ক্ষেত্রে শুধু ট্রেন ছাড়ার সময় দেখলেই হবে না। বরং ভোরে যশোরে পৌঁছানো আপনার জন্য সুবিধাজনক কি না সেটিও ভাবুন। বিশেষ করে রাতের চিত্রা এক্সপ্রেস বেছে নিলে স্টেশন থেকে গন্তব্যে যাওয়ার স্থানীয় পরিবহন আগে ঠিক করে রাখা বাস্তবসম্মত।
এছাড়া রেলক্রসিং, সিগন্যাল, স্টেশন-ব্যস্ততা বা অপারেশনাল কারণে নির্ধারিত সময়ের চেয়ে বেশি লাগতে পারে। তাই যশোরে কোনো পরীক্ষা, অফিসের রিপোর্টিং সময় বা সংযোগকারী পরিবহন থাকলে অন্তত ১ থেকে ২ ঘণ্টার অতিরিক্ত সময় হাতে রাখা ভালো।
যশোর-ঢাকা ট্রেনের ভাড়া
যশোর টু ঢাকা ট্রেনের সময়সূচীর পাশাপাশি ভাড়া নির্ভর করে আসনের শ্রেণি ও ট্রেনের ওপর। সরবরাহ করা তালিকায় ভ্যাটসহ ভাড়া দেওয়া হয়েছে। একই তালিকা অনুযায়ী ঢাকা থেকে যশোর এবং যশোর থেকে ঢাকার ক্ষেত্রে ভাড়া অপরিবর্তিত ধরা হয়েছে। তবে বাংলাদেশ রেলওয়ে ভাড়া পরিবর্তন করলে পুরোনো তালিকা আর প্রযোজ্য নাও হতে পারে।
সুন্দরবন এক্সপ্রেসের ভাড়া
| আসনের শ্রেণি | ভাড়া |
|---|---|
| শোভন নন-এসি চেয়ার | ৩৫০ টাকা |
| শোভন চেয়ার | ৪২০ টাকা |
| স্নিগ্ধা এসি চেয়ার | ৫৬০ টাকা |
| এসি | ৭০০ টাকা |
| এসি বার্থ | ১,০৫০ টাকা |
চিত্রা এক্সপ্রেসের ভাড়া
| আসনের শ্রেণি | ভাড়া |
|---|---|
| শোভন চেয়ার | ৫৬৫ টাকা |
| স্নিগ্ধা | ১,০৮১ টাকা |
| এসি | ১,৯৩৮ টাকা |
| ফার্স্ট সিট | ৬১০ টাকা |
বেনাপোল এক্সপ্রেসের ভাড়া
| আসনের শ্রেণি | ভাড়া |
|---|---|
| শোভন চেয়ার | ৫৩৪ টাকা |
| ফার্স্ট সিট | ১,২১৩ টাকা |
| এসি সিট | ১,০১৩ টাকা |
| এসি বার্থ | ১,৮৬৯ টাকা |
ভাড়ার তালিকায় কিছু শ্রেণির নাম এক ট্রেন থেকে অন্য ট্রেনে আলাদা। তাই শুধু “এসি” লিখে ভাড়া তুলনা করলে ভুল বোঝাবুঝি হতে পারে। টিকিট কাটার সময় আসনের ধরন, যাত্রার তারিখ এবং প্রযোজ্য সার্ভিস চার্জ একসঙ্গে দেখুন।
কোন ট্রেন কার জন্য সুবিধাজনক
একজন ব্যস্ত যাত্রীর জন্য সেরা ট্রেন নির্ভর করে গন্তব্যে পৌঁছানোর সময়ের ওপর। যেমন সকালে ঢাকায় কাজ থাকলে সুন্দরবন এক্সপ্রেস কার্যকর হতে পারে। দিনের বেলায় যাত্রা করতে চাইলে চিত্রা এক্সপ্রেস এবং বিকেলে রওনা দিয়ে রাতে পৌঁছাতে চাইলে বেনাপোল এক্সপ্রেস বিবেচনা করা যায়।
| প্রয়োজন | সম্ভাব্য পছন্দ | কারণ |
|---|---|---|
| সকালে ঢাকায় পৌঁছানো | সুন্দরবন এক্সপ্রেস | রাতে ছেড়ে সকাল ৭টার মধ্যে পৌঁছানোর সূচি |
| দিনের আলোয় ভ্রমণ | চিত্রা এক্সপ্রেস | সকাল ১০:০৫ মিনিটে যাত্রা শুরু |
| দুপুরের পর রওনা | বেনাপোল এক্সপ্রেস | দুপুর ১:৪৫ মিনিটে ছাড়ার তালিকা |
বাসের তুলনায় ট্রেন সাধারণত দীর্ঘ যাত্রায় বেশি স্থির ও আরামদায়ক অনুভূতি দিতে পারে। অন্যদিকে বাসে আসন পাওয়া কখনো দ্রুত হতে পারে, বিশেষ করে ট্রেনের টিকিট শেষ হয়ে গেলে। যশোরের নিউ মার্কেট বা মনিহার এলাকা থেকে বাসের বিকল্প খোঁজা যায়; সরবরাহ করা তথ্যে রিকশা ভাড়া প্রায় ৪০ টাকা এবং বাসভাড়া ৫০০ থেকে ৮০০ টাকা বলা হয়েছে। তবে যানজটের ঝুঁকি অবশ্যই বিবেচনা করতে হবে।
টিকিট বুকিংয়ের বাস্তব পদ্ধতি
অনলাইনে টিকিট কাটার জন্য বাংলাদেশ রেলওয়ের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট ব্যবহার করা যায়। সরবরাহ করা তথ্যে railway.gov.bd এবং Shohoz অ্যাপের মাধ্যমে বুকিংয়ের কথা বলা হয়েছে। যাত্রার প্রায় ৩০ দিন আগে টিকিট ছাড়ার তথ্যও সেখানে উল্লেখ আছে। তবে প্রকৃত বুকিং উইন্ডো পরিবর্তিত হতে পারে।
- প্রথমে যাত্রার তারিখ, গন্তব্য এবং ট্রেনের নাম ঠিক করুন।
- এরপর অফিসিয়াল প্ল্যাটফর্মে লগইন করে আসন খালি আছে কি না দেখুন।
- শ্রেণি নির্বাচন করার আগে ভাড়া ও সার্ভিস চার্জ মিলিয়ে নিন।
- তারপর যাত্রীর নাম, পরিচয়সংক্রান্ত তথ্য এবং মোবাইল নম্বর সতর্কভাবে লিখুন।
- সবশেষে পেমেন্টের পর ই-টিকিট সংরক্ষণ করুন এবং প্রয়োজনে প্রিন্ট বা অফলাইন কপি রাখুন।
সহায়তার জন্য ১৬২২২ নম্বর হেল্পলাইন ব্যবহার করার তথ্য দেওয়া হয়েছে। তবে টিকিট বুকিংয়ের সময় নামের বানান বা যাত্রার তারিখে ভুল হলে পরে সংশোধনের সুযোগ সীমিত হতে পারে। তাই পেমেন্টের আগে প্রতিটি তথ্য একবার ধীরে পড়ে নেওয়া জরুরি।
যাত্রার আগে যে প্রস্তুতি নেবেন
স্টেশনে অন্তত ৩০ মিনিট আগে পৌঁছানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। তবে ঈদ, সরকারি ছুটি, পরীক্ষার মৌসুম বা বড় অনুষ্ঠানে ভিড় বাড়তে পারে। তখন শুধু ৩০ মিনিট নয়, ব্যাগ চেকিং, প্ল্যাটফর্ম খোঁজা এবং পরিবারের সদস্যদের সামলানোর জন্য আরও সময় রাখা নিরাপদ।
- ই-টিকিট ও পরিচয়পত্র সহজে পাওয়া যায় এমন স্থানে রাখুন।
- এছাড়া রাতের ট্রেনে উঠলে ফোন, মানিব্যাগ এবং ছোট ব্যাগ শরীরের কাছাকাছি রাখুন।
- বর্ষাকালে বিলম্বের সম্ভাবনা ধরে সংযোগকারী পরিবহনের সময় নির্ধারণ করুন।
- এসি শ্রেণিতে খাবার বা অতিরিক্ত সেবার সুবিধা থাকলেও তা প্রতিটি ট্রিপে একই থাকবে ধরে নেবেন না।
- সরবরাহ করা তথ্য অনুযায়ী খাবারের খরচ ১৫০ থেকে ৩০০ টাকা হতে পারে। তাই কেনার আগে দাম জেনে নিন।
মাস্ক ব্যবহারের পরামর্শও দেওয়া হয়েছে, বিশেষ করে ভিড়ের সময়। পাশাপাশি পানির বোতল, প্রয়োজনীয় ওষুধ এবং হালকা খাবার সঙ্গে রাখলে দীর্ঘ যাত্রায় অস্বস্তি কমে। তবে ট্রেনে খাবার নেওয়ার ক্ষেত্রে পরিচ্ছন্নতা ও সংরক্ষণযোগ্যতার দিকে নজর দিন।
সাধারণ ভুল ও সতর্কতা
সবচেয়ে সাধারণ ভুল হলো পুরোনো সূচিকে নতুন বছরের চূড়ান্ত সময়সূচী ধরে নেওয়া। ২০২৫ সালের প্রকাশিত তালিকা ২০২৬ সালের যাত্রার জন্য সহায়ক হতে পারে। কিন্তু এটিকে নিশ্চিত বর্তমান তথ্য বলা ঠিক হবে না। তাই ট্রেনের ছুটির দিন, আসন এবং ভাড়া অফিসিয়াল বুকিং পেজে মিলিয়ে নিন।
আরেকটি ভুল হলো ঢাকায় পৌঁছানোর সময়ের সঙ্গে সঙ্গে পরবর্তী কাজের সময় নির্ধারণ করা। নির্ধারিত সময়ে পৌঁছালেও রেলক্রসিং বা অপারেশনাল বিলম্ব হতে পারে। বিশেষ করে সকাল ৮টার অফিস, হাসপাতালের অ্যাপয়েন্টমেন্ট বা বিমানযাত্রা থাকলে পর্যাপ্ত বাফার রাখুন।
যশোর টু ঢাকা ট্রেনের সময়সূচী: প্রশ্নোত্তর
যশোর থেকে ঢাকা সরাসরি ট্রেন আছে?
হ্যাঁ, সরবরাহ করা তালিকা অনুযায়ী যশোর থেকে ঢাকায় সরাসরি তিনটি ট্রেন আছে: সুন্দরবন এক্সপ্রেস, চিত্রা এক্সপ্রেস এবং বেনাপোল এক্সপ্রেস।
ঢাকা থেকে যশোর ট্রেন আছে?
ঢাকা থেকে যশোরে যাওয়ার জন্যও তিনটি ট্রেনের তালিকা দেওয়া হয়েছে। এগুলো হলো সুন্দরবন এক্সপ্রেস, চিত্রা এক্সপ্রেস এবং বেনাপোল এক্সপ্রেস।
যশোর থেকে ঢাকায় যেতে কত সময় লাগে?
প্রকাশিত সময়সূচী অনুযায়ী প্রায় ৭ থেকে ৮ ঘণ্টা লাগে। তবে ট্রেন চলাচলের বাস্তব সময় সিগন্যাল, ক্রসিং ও বিশেষ পরিস্থিতির কারণে কিছুটা বাড়তে পারে।
সুন্দরবন এক্সপ্রেস যশোর থেকে কখন ছাড়ে?
সরবরাহ করা ২০২৫ সালের তালিকায় সুন্দরবন এক্সপ্রেস ৭২৫ যশোর থেকে রাত ১১:২০ মিনিটে ছাড়ে এবং পরদিন সকাল ৭টায় ঢাকায় পৌঁছানোর কথা।
যশোর থেকে ঢাকা ট্রেনের সর্বনিম্ন ভাড়া কত?
দেওয়া ভাড়া তালিকায় সুন্দরবন এক্সপ্রেসের শোভন নন-এসি চেয়ারের ভাড়া ৩৫০ টাকা, যা উল্লেখিত শ্রেণিগুলোর মধ্যে সর্বনিম্ন। তবে বর্তমান ভাড়া বুকিংয়ের সময় যাচাই করুন।
ট্রেনের টিকিট কত দিন আগে বুক করা যায়?
সরবরাহ করা তথ্যে ৩০ দিন আগে অনলাইন বুকিংয়ের কথা বলা হয়েছে। তাই বাংলাদেশ রেলওয়ে বা অনুমোদিত বুকিং প্ল্যাটফর্মে আপনার নির্দিষ্ট যাত্রার জন্য সময়সীমা দেখে নিন।
ট্রেনের টিকিট না পেলে বাসে যাওয়া যাবে?
যশোরের নিউ মার্কেট বা মনিহার এলাকা থেকে ঢাকার বাসের বিকল্প খোঁজা যায়। উল্লেখিত বাসভাড়া ৫০০ থেকে ৮০০ টাকা। তবে রাস্তায় যানজট হলে সময় অনিশ্চিত হতে পারে।
যাত্রার আগে শেষ যাচাই
যশোর টু ঢাকা ট্রেনের সময়সূচী, সাপ্তাহিক ছুটি এবং ভাড়া সম্পর্কে প্রকাশিত তথ্য যাত্রা পরিকল্পনার ভালো ভিত্তি দিতে পারে। তবু ২০২৬ সালের প্রতিটি ভ্রমণের আগে অফিসিয়াল বুকিং সিস্টেমে ট্রেন নম্বর, ছুটির দিন, আসন এবং চূড়ান্ত ভাড়া মিলিয়ে নিন। এতে পুরোনো তথ্যের কারণে ভুল ট্রেন বা ভুল সময় বেছে নেওয়ার ঝুঁকি কমবে।
যাত্রার দিন টিকিট, পরিচয়পত্র এবং প্রয়োজনীয় যোগাযোগ নম্বর সঙ্গে রাখুন। পাশাপাশি ট্রেনের সময়ের ওপর নির্ভর করে পরবর্তী বাস বা অফিসের পরিকল্পনা না করে বাস্তবসম্মত অতিরিক্ত সময় রাখাই সবচেয়ে নিরাপদ সিদ্ধান্ত।