চট্টগ্রাম টু ঢাকা ট্রেনের সময়সূচী ২০২৭ | Chattogram to Dhaka train Schedule

আপডেট পেতে WhatsApp চ্যানেল ফলো করুন 🥳 ফলো করুন

চট্টগ্রাম টু ঢাকা ট্রেনের সময়সূচী ২০২৭ খুঁজছেন? ২০২৭ সালের নতুন সরকারি সময়সূচী এখনো প্রকাশিত না হলে ২০২৬ সালের প্রচলিত তথ্য দেখে টিকিট কাটা নিরাপদ নয়। কারণ ট্রেনের সময়, সাপ্তাহিক বন্ধের দিন, ভাড়া ও আসনের শ্রেণি পরিবর্তিত হতে পারে। তাই যাত্রার আগে বাংলাদেশ রেলওয়ের অফিসিয়াল সেবা বা ই-টিকিট প্ল্যাটফর্মে তথ্য মিলিয়ে নিন।

চট্টগ্রাম থেকে ঢাকা রেলপথে যেতে সাধারণত আন্তঃনগর, মেইল ও এক্সপ্রেস ট্রেনের বিকল্প থাকে। তবে সরবরাহ করা পুরোনো তালিকায় কয়েকটি ট্রেনের শ্রেণিবিন্যাস এবং পৌঁছানোর সময়ে অসঙ্গতি আছে। ফলে নিচের তথ্যগুলো পরিকল্পনার সহায়ক হিসেবে দেওয়া হলো, চূড়ান্ত টিকিটের বিকল্প হিসেবে নয়।

  • ২০২৭ সালের নিশ্চিত সময়সূচী প্রকাশ না হওয়া পর্যন্ত ২০২৬ সালের তথ্যকে অস্থায়ী রেফারেন্স হিসেবে ধরুন।
  • কিছু সরবরাহ করা সময়ে ছাড়ার পর পৌঁছানোর সময় আগের দেখানো হয়েছে। তাই টিকিট কাটার আগে তা যাচাই জরুরি।
  • অনলাইন টিকিটের অফিসিয়াল ঠিকানা: বাংলাদেশ রেলওয়ের ই-টিকিট সেবা।

চট্টগ্রাম টু ঢাকা ট্রেনের সময়সূচী ২০২৭

চট্টগ্রাম টু ঢাকা ট্রেনের সময়সূচী ২০২৭ এখনই নিশ্চিতভাবে বলা যাবে না। কারণ বাংলাদেশ রেলওয়ের নতুন বার্ষিক বা সংশোধিত সময়সূচী প্রকাশের পরেই তথ্য নির্ভরযোগ্য হয়। যাত্রার তারিখ, ট্রেনের নম্বর এবং স্টেশনভেদে সময় বদলাতে পারে। ফলে ২০২৬ সালের তালিকাকে কেবল সম্ভাব্য রুট-পরিকল্পনার ভিত্তি হিসেবে ব্যবহার করুন।

ট্রেনের নামনম্বরসরবরাহ করা ছাড়ার সময়সরবরাহ করা পৌঁছানোর সময়
চট্টলা এক্সপ্রেস৮০১সকাল ৬:০০রাত ৮:১০
সুবর্ণ এক্সপ্রেস৭০১সকাল ৭:৩০রাত ৯:২৫
কর্ণফুলী লোকাল০৩সকাল ১০:০০সন্ধ্যা ৭:৪৫
মহানগর এক্সপ্রেস৭২১দুপুর ১২:৩০বিকেল ৩:৩০
মহানগর গোধূলি৭০৩বিকেল ৩:০০দুপুর ১:৩৫
কক্সবাজার এক্সপ্রেস৮১৩বিকেল ৪:০০ভোর ৩:৪০
সোনার বাংলা এক্সপ্রেস৭৮৭বিকেল ৪:৪৫সকাল ১১:৫৫
পর্যটক এক্সপ্রেস৮১৫রাত ১১:১৫সকাল ১১:২০
ঢাকা মেইল০১রাত ১০:৩০সকাল ৬:৫৫
তূর্ণা এক্সপ্রেস৭৪১রাত ১১:৩০ভোর ৫:১৫

গুরুত্বপূর্ণ যাচাই: সারণির কয়েকটি পৌঁছানোর সময় ছাড়ার সময়ের আগে দেখা যাচ্ছে। যেমন মহানগর গোধূলির ক্ষেত্রে বিকেল ৩টার পর দুপুর ১:৩৫ দেখানো হয়েছে। তাই এই সময়গুলোকে নিশ্চিত সূচি ধরে টিকিট বা যাত্রা পরিকল্পনা করবেন না। বরং অফিসিয়াল সিস্টেমে যে সময় দেখাবে, সেটিই প্রাধান্য পাবে।

চট্টগ্রাম থেকে চলা ট্রেনগুলোর নাম

সরবরাহ করা তথ্যে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকার পথে ১০টি ট্রেনের নাম রয়েছে। তালিকায় মহানগর এক্সপ্রেস, কর্ণফুলী লোকাল, সুবর্ণ এক্সপ্রেস, কক্সবাজার এক্সপ্রেস, চট্টলা এক্সপ্রেস, তূর্ণা এক্সপ্রেস, ঢাকা মেইল, সোনার বাংলা এক্সপ্রেস, মহানগর গোধূলি এবং পর্যটক এক্সপ্রেস রয়েছে।

Read More:  ১৫ অক্টোবর থেকে রাবি স্টেশনে যাত্রা বিরতি দিবে দুই ট্রেন

তবে সবগুলোকে আন্তঃনগর বলা ঠিক নাও হতে পারে। যেমন কর্ণফুলী লোকাল ও ঢাকা মেইল আলাদা পরিষেবা শ্রেণির হতে পারে। তাই টিকিট কাটার সময় ট্রেনের নামের পাশাপাশি নম্বর ও পরিষেবার ধরন মিলিয়ে নিন।

ঢাকা থেকে চট্টগ্রামের ফিরতি সূচি

ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটের ফিরতি সময়ও ২০২৭ সালের জন্য অফিসিয়ালভাবে যাচাই করা দরকার। সরবরাহ করা তালিকায় আন্তঃনগর ট্রেনের মধ্যে সোনার বাংলা এক্সপ্রেস, মহানগর প্রভাতী, মহানগর গোধূলি, সুবর্ণ এক্সপ্রেস এবং তূর্ণা এক্সপ্রেস রয়েছে।

ট্রেননম্বরঢাকা থেকে ছাড়েছুটির দিনআনুমানিক সময়
সোনার বাংলা এক্সপ্রেস৭৮৭সকাল ৭:০০শনিবারপ্রায় ৫ ঘণ্টা
মহানগর প্রভাতী৭০৪সকাল ৭:৪০রবিবারপ্রায় ৬ ঘণ্টা
মহানগর গোধূলি৭০৩দুপুর ৩:০০বন্ধ নেইপ্রায় ৬ ঘণ্টা
সুবর্ণ এক্সপ্রেস৭০২বিকেল ৪:৩০শুক্রবারপ্রায় ৫ ঘণ্টা
তূর্ণা এক্সপ্রেস৭৪১রাত ১১:৩০–১১:৪০বন্ধ নেইপ্রায় ৬ ঘণ্টা

মেইল ও এক্সপ্রেস পরিষেবার তালিকায় চট্টগ্রাম মেইল, কর্ণফুলী এক্সপ্রেস এবং চট্টলা এক্সপ্রেসের নাম দেওয়া হয়েছে। চট্টগ্রাম মেইলের নম্বর ০২ এবং সম্ভাব্য ছাড়ার সময় রাত ১০:৩০। অন্যদিকে কর্ণফুলী এক্সপ্রেসের নম্বর ০৪ এবং ছাড়ার সময় সকাল ৮:৩০ হিসেবে উল্লেখ আছে।

চট্টলা এক্সপ্রেসের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট ছাড়ার সময় না দিয়ে সাধারণত দুপুরে ছাড়ার কথা বলা হয়েছে। তাই এমন অস্পষ্ট তথ্যের ক্ষেত্রে স্টেশন কাউন্টার বা অফিসিয়াল অনলাইন সার্চে যাত্রার তারিখ দিয়ে ফলাফল যাচাই করুন।

কোন ট্রেনে সময় বাঁচতে পারে

চট্টগ্রাম টু ঢাকা ট্রেনের সময়সূচী বাছাই করার সময় শুধু ছাড়ার সময় দেখলে হবে না। বরং নির্ধারিত বিরতি, পরিষেবার ধরন, সাপ্তাহিক বন্ধ এবং আসনের প্রাপ্যতা মিলিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে হয়। দ্রুত পৌঁছানো দরকার হলে আন্তঃনগর ট্রেন সাধারণত সুবিধাজনক হতে পারে। অন্যদিকে কম বাজেটে মেইল ট্রেন বিবেচনা করা যায়।

  • সকালবেলার যাত্রা: দিনের আলোয় ভ্রমণ করতে চাইলে সকাল ৬টা বা ৭টা ৩০ মিনিটের তালিকাভুক্ত ট্রেন বিবেচনা করা যায়।
  • রাতের যাত্রা: কাজ শেষে রওনা হলে ঢাকা মেইল বা তূর্ণা এক্সপ্রেসের মতো রাতের পরিষেবা প্রাসঙ্গিক হতে পারে।
  • কম বাজেট: তাই আসনের শ্রেণি ও ট্রেনের ধরন দেখে ভাড়া তুলনা করুন।
  • পরিবারসহ ভ্রমণ: একই কোচে আসন পাওয়া যাচ্ছে কি না, পেমেন্টের আগে তা যাচাই করুন।

সীমিত বাজেটের যাত্রীর জন্য সবচেয়ে বাস্তব কৌশল হলো আগে যাত্রার তারিখ ঠিক করা। এরপর বন্ধের দিন বাদ দিয়ে আসন খুঁজুন। এতে পছন্দের ট্রেন না পেলে বিকল্প পরিষেবা বাছাইয়ের সুযোগ থাকে।

Read More:  যশোর টু ঢাকা ট্রেনের সময়সূচী ও ভাড়া ২০২৬

চট্টগ্রাম টু ঢাকা ট্রেনের ভাড়া

চট্টগ্রাম টু ঢাকা ট্রেনের ভাড়া আসনের শ্রেণি, ট্রেনের ধরন এবং বাংলাদেশ রেলওয়ের সংশোধিত ভাড়ার ওপর নির্ভর করে। সরবরাহ করা ২০২৬ সালের তালিকায় শোভন চেয়ারের ভাড়া ৪০৫ বা ৪৫০ টাকা হিসেবে দেওয়া হয়েছে। তবে একই শ্রেণিতে দুই ধরনের অঙ্ক থাকায় পেমেন্টের আগে সরকারি ভাড়া অবশ্যই মিলিয়ে নিন।

আসনের শ্রেণিসরবরাহ করা ভাড়া
শোভন চেয়ার৪০৫ বা ৪৫০ টাকা
ফার্স্ট সিট৬৮৫ টাকা
ফার্স্ট বার্থ৯৩২ টাকা
স্নিগ্ধা৭৭৭ বা ৮৫৫ টাকা
এসি১,০২৫ টাকা
এসি বার্থ১,৩৯৮ টাকা

অনলাইন টিকিটে মূল ভাড়ার সঙ্গে প্রযোজ্য সেবা বা পেমেন্ট চার্জ যুক্ত হতে পারে। তাই শুধু সামাজিক মাধ্যমে দেখা ভাড়া নয়, পেমেন্ট পেজে প্রদর্শিত মোট টাকা দেখেই লেনদেন সম্পন্ন করুন। একই কারণে অতিরিক্ত টাকা দাবি করা হলে রসিদ ছাড়া অর্থ দেবেন না।

কোন দিন ট্রেন বন্ধ থাকে

চট্টগ্রাম টু ঢাকা ট্রেনের সময়সূচী ২০২৭ পরিকল্পনা করার আগে সাপ্তাহিক বন্ধের দিন দেখা জরুরি। সরবরাহ করা তালিকায় চট্টলা এক্সপ্রেস ও কক্সবাজার এক্সপ্রেসের বন্ধ মঙ্গলবার, সুবর্ণ এক্সপ্রেসের সোমবার এবং মহানগর এক্সপ্রেসের রবিবার।

ট্রেনসরবরাহ করা বন্ধের দিন
চট্টলা এক্সপ্রেস ৮০১মঙ্গলবার
কক্সবাজার এক্সপ্রেস ৮১৩মঙ্গলবার
সুবর্ণ এক্সপ্রেস ৭০১সোমবার
কর্ণফুলী লোকাল ০৩বন্ধ নেই
মহানগর এক্সপ্রেস ৭২১রবিবার
পর্যটক এক্সপ্রেস ৮১৫রবিবার
মহানগর গোধূলি ৭০৩বন্ধ নেই
সোনার বাংলা এক্সপ্রেস ৭৮৭মঙ্গলবার
ঢাকা মেইল ০১বন্ধ নেই
তূর্ণা এক্সপ্রেস ৭৪১বন্ধ নেই

রক্ষণাবেক্ষণ, বিশেষ পরিচালনা বা নতুন রেলওয়ে আদেশের কারণে এই দিন বদলাতে পারে। তাই টিকিট কেনার সময় নির্দিষ্ট তারিখে ট্রেনটি চালু আছে কি না, সেটিই চূড়ান্ত প্রমাণ হিসেবে ধরুন।

লোকেশন জানার সহজ পদ্ধতি

চট্টগ্রাম থেকে ঢাকা ট্রেন এখন কোথায় আছে তা জানতে মোবাইলের মেসেজ অপশন ব্যবহার করা যায় বলে সরবরাহ করা তথ্যে উল্লেখ রয়েছে। সাধারণ পদ্ধতিতে TR স্পেস ট্রেনের কোড লিখে ১৬৩১৮ নম্বরে পাঠাতে বলা হয়েছে। এরপর ফিরতি বার্তায় ট্রেনের অবস্থান জানানো হতে পারে।

এই এসএমএস সেবায় চার্জ প্রযোজ্য হতে পারে। আবার ট্রেনের কোড ভুল লিখলে ফলাফল নাও আসতে পারে। নেটওয়ার্ক বা সেবা-সংক্রান্ত কারণে তথ্য পেতে দেরি হতে পারে। তাই জরুরি সংযোগের জন্য স্টেশন ঘোষণাও শুনুন।

অনলাইনে টিকিট কাটার নিয়ম

চট্টগ্রাম টু ঢাকা ট্রেনের টিকিট অনলাইনে কাটতে বাংলাদেশ রেলওয়ের ই-টিকিট ওয়েবসাইটে প্রবেশ করুন। যাত্রার তারিখ, গন্তব্য, ট্রেন এবং আসনের তথ্য ঠিকভাবে নির্বাচন না করলে ভুল টিকিট তৈরি হতে পারে। তাই পেমেন্টের আগে প্রতিটি ঘর আবার দেখে নেওয়া দরকার।

  1. প্রথমে ই-টিকিট প্ল্যাটফর্মে নিজের মোবাইল নম্বর বা অ্যাকাউন্ট দিয়ে প্রবেশ করুন।
  2. এরপর যাত্রার স্থান হিসেবে চট্টগ্রাম এবং গন্তব্য হিসেবে ঢাকা নির্বাচন করুন।
  3. যাত্রার তারিখ ও যাত্রীর সংখ্যা লিখুন।
  4. তারপর উপলভ্য ট্রেনের নাম, ছাড়ার সময় এবং আসনের শ্রেণি তুলনা করুন।
  5. যাত্রীর নাম ও পরিচয়সংক্রান্ত তথ্য নির্ভুলভাবে পূরণ করুন।
  6. এরপর মোবাইল ব্যাংকিং বা প্রদর্শিত অনুমোদিত পেমেন্ট পদ্ধতিতে টাকা দিন।
  7. পেমেন্ট সফল হলে ই-টিকিট সংরক্ষণ করুন এবং প্রয়োজনে প্রিন্ট বা অফলাইন কপি রাখুন।
Read More:  ঢাকা টু শেরপুর হানিফ বাসের সময়সূচী, ভাড়া, কাউন্টার নাম্বার ২০২৬

একই যাত্রীর নামে একাধিক ভুল বুকিং এড়াতে পেমেন্টের আগে ট্রেন নম্বর ও তারিখ যাচাই করুন। অনলাইন কপি ফোনে রাখলেও ব্যাটারি, নেটওয়ার্ক এবং পরিচয়পত্রের বিষয়টি মাথায় রাখুন।

টিকিট কাটার সময় সাতটি বাস্তব টিপস

  • ছাড়ার অন্তত ৩০ মিনিট আগে স্টেশনে পৌঁছানোর পরিকল্পনা করুন।
  • সাপ্তাহিক বন্ধের দিন আগে বাদ দিন।
  • একই ট্রেনের আসন শ্রেণির ভাড়া মিলিয়ে দেখুন।
  • পেমেন্টের পর টিকিট নম্বর সংরক্ষণ করুন।
  • নাম, মোবাইল নম্বর এবং যাত্রার তারিখে বানানভুল রাখবেন না।
  • ট্রেনের নম্বর মিলিয়ে কোচ ও আসন খুঁজুন।
  • সবশেষে চূড়ান্ত যাত্রার আগে সরকারি প্ল্যাটফর্মে সময় আবার পরীক্ষা করুন।

ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটের গুরুত্ব

ঢাকা ও চট্টগ্রাম বাংলাদেশের প্রশাসনিক এবং বাণিজ্যিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ দুই শহর। সরবরাহ করা তথ্যে এই রেলপথের দূরত্ব প্রায় ৩৪৬ কিলোমিটার বলা হয়েছে। ব্যবসা, চাকরি, শিক্ষা, চিকিৎসা, পর্যটন ও পারিবারিক কাজে প্রতিদিন বহু মানুষ এই পথে চলাচল করেন।

রুটটির ঐতিহাসিক বিকাশ ব্রিটিশ আমলের সঙ্গে যুক্ত এবং এটি মিটার গেজ রেলপথ হিসেবে পরিচিত। সরবরাহ করা তথ্যে ১৯২৯ সালে এই পথে প্রথম ট্রেন চালুর কথা বলা হয়েছে। ফেনী, কুমিল্লা ও লাকসামের আশপাশের দৃশ্য যাত্রীদের কাছে আকর্ষণীয় হলেও প্রকৃত যাত্রাকাল ট্রেনভেদে আলাদা।

চট্টগ্রাম বন্দরের কারণে এই রেলপথের পণ্য পরিবহন গুরুত্বও রয়েছে। যাত্রীদের জন্য ট্রেনের বড় সুবিধা হলো সড়কপথের যানজট এড়ানোর সুযোগ। তবে নিরাপত্তা, গতি ও আরামের দাবি ট্রেনের ধরন এবং নির্দিষ্ট পরিষেবার ওপর নির্ভর করে। ফলে সব ট্রেনকে একই মানের বলা ঠিক নয়।

সাধারণ ভুল ও সতর্কতা

চট্টগ্রাম টু ঢাকা ট্রেনের সময়সূচী খোঁজার সময় সবচেয়ে সাধারণ ভুল হলো পুরোনো সারণিকে নতুন বছরের নিশ্চিত তথ্য ধরে নেওয়া। তাই সময়ের পাশে তারিখ না থাকলে সেটি কোন বছরের, তা যাচাই করুন। একইভাবে একটি ট্রেনের নাম মিললেই সেটি প্রতিদিন চলবে ধরে নেওয়া উচিত নয়।

  • পৌঁছানোর সময় ছাড়ার সময়ের আগে দেখালে সঙ্গে সঙ্গে যাচাই করুন।
  • আন্তঃনগর, মেইল ও লোকাল পরিষেবার নাম একসঙ্গে দেখলেও শ্রেণি আলাদা হতে পারে।
  • ভাড়ার দুটি অঙ্ক থাকলে কোন আসন বা কোন সংশোধিত তালিকার জন্য তা প্রযোজ্য, জেনে নিন।
  • অফিসিয়াল সাইটের বাইরে পেমেন্ট লিংকে ব্যক্তিগত তথ্য দেবেন না।
  • সামাজিক মাধ্যমের পোস্টকে চূড়ান্ত সূচি না ধরে টিকিট সিস্টেমে ফলাফল মিলিয়ে নিন।

প্রশ্নোত্তর

২০২৭ সালের চট্টগ্রাম টু ঢাকা ট্রেনের সময়সূচী কি প্রকাশিত?

সরবরাহ করা তথ্যে ২০২৭ সালের নিশ্চিত সূচী নেই। তাই বাংলাদেশ রেলওয়ের অফিসিয়াল ই-টিকিট সিস্টেমে যাত্রার তারিখ দিয়ে খুঁজলে সর্বশেষ কার্যকর সময় দেখা যাবে।

চট্টগ্রাম থেকে ঢাকায় কয়টি ট্রেনের নাম দেওয়া হয়েছে?

তালিকায় ১০টি ট্রেনের নাম রয়েছে। এর মধ্যে আন্তঃনগর, মেইল ও লোকাল পরিষেবা থাকতে পারে। তাই ট্রেনের ধরন আলাদা করে যাচাই করুন।

চট্টগ্রাম টু ঢাকা ট্রেনের ভাড়া কত?

সরবরাহ করা তালিকায় শোভন চেয়ার ৪০৫ বা ৪৫০ টাকা থেকে এসি বার্থ ১,৩৯৮ টাকা পর্যন্ত দেখানো হয়েছে। তবে বর্তমান ভাড়া পেমেন্ট পেজে নিশ্চিত করুন।

ট্রেনের অবস্থান কীভাবে জানা যায়?

সরবরাহ করা পদ্ধতিতে TR স্পেস ট্রেনের কোড লিখে ১৬৩১৮ নম্বরে এসএমএস পাঠাতে বলা হয়েছে। তবে এই সেবায় চার্জ ও প্রাপ্যতা প্রযোজ্য হতে পারে।

অনলাইনে কোথা থেকে টিকিট কাটব?

বাংলাদেশ রেলওয়ের ই-টিকিট প্ল্যাটফর্মে চট্টগ্রাম, ঢাকা, যাত্রার তারিখ ও ট্রেন নির্বাচন করে পেমেন্ট করা যায়।

স্টেশনে কত আগে পৌঁছানো ভালো?

ভিড়, নিরাপত্তা যাচাই ও কোচ খুঁজে নেওয়ার সময় ধরতে অন্তত ৩০ মিনিট আগে পৌঁছানো ভালো। তবে ছুটির দিন বা ব্যস্ত সময়ে আরও আগে যাওয়া সুবিধাজনক।

যাত্রার আগে শেষ যাচাই

চট্টগ্রাম টু ঢাকা ট্রেনের সময়সূচী ২০২৭, ভাড়া ও বন্ধের দিন সম্পর্কে পুরোনো তথ্য ব্যবহার করলে ভুলের ঝুঁকি থাকে। তাই টিকিট কাটার ঠিক আগে বাংলাদেশ রেলওয়ের ই-টিকিট সিস্টেমে ট্রেন নম্বর, যাত্রার তারিখ, আসন এবং মোট ভাড়া মিলিয়ে নিন। একই সঙ্গে সরবরাহ করা সারণিতে থাকা সময়ের অসঙ্গতিগুলোও উপেক্ষা করবেন না।

সঠিক তারিখে টিকিট নিশ্চিত হওয়ার পর ই-টিকিট সংরক্ষণ করুন, নির্ধারিত সময়ের আগে চট্টগ্রাম স্টেশনে পৌঁছান এবং যাত্রার দিন স্টেশন ঘোষণা শুনুন। ২০২৭ সালের নতুন সরকারি সূচী প্রকাশ হলে পুরোনো তথ্যের বদলে সেটিকেই চূড়ান্ত হিসেবে গ্রহণ করুন।

Rakib Hasan

আমি একজন লেখক ও কনটেন্ট ক্রিয়েটর। তিনি খবর, চাকরি, শিক্ষা, প্রযুক্তি, অর্থনীতি ও দৈনন্দিন প্রয়োজনীয় বিষয় নিয়ে তথ্যবহুল ও সহজবোধ্য কনটেন্ট প্রকাশ করেন। তাঁর লক্ষ্য পাঠকদের সঠিক ও সময়োপযোগী তথ্য প্রদান করা।

Sharing Is Caring:

Leave a Comment