ধুমকেতু এক্সপ্রেস ট্রেনের সময়সূচী ও ভাড়া ২০২৬ | Dhumketu Express Train Schedule

ধুমকেতু এক্সপ্রেস ট্রেনের সময়সূচী ও ভাড়া জানা থাকলে ঢাকা–রাজশাহী যাত্রার পরিকল্পনা অনেক সহজ হয়। ২০২৬ সালের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ৭৬৯ নম্বর ট্রেনটি সকালে ঢাকা থেকে রাজশাহী যায় এবং ৭৭০ নম্বর ট্রেনটি রাতে রাজশাহী থেকে ঢাকায় ফেরে।

তবে ৭৬৯ নম্বর ধূমকেতু এক্সপ্রেস বৃহস্পতিবার বন্ধ থাকে। বিপরীতে ৭৭০ নম্বর ট্রেনের সাপ্তাহিক বন্ধ বুধবার। তাই যাত্রার আগে ট্রেন নম্বর, স্টেশন, আসন শ্রেণি এবং অনলাইন টিকিটে দেখানো সর্বশেষ ভাড়া মিলিয়ে নিন।

সংক্ষিপ্ত সারাংশ

  • ৭৬৯: ঢাকা থেকে সকাল ৬:০০টায় ছেড়ে রাজশাহী পৌঁছায় সকাল ১১:৪০টায়।
  • ৭৭০: রাজশাহী থেকে রাত ১১:২০টায় ছেড়ে পরদিন ভোর ৪:৪০টায় ঢাকায় পৌঁছায়।
  • শোভন চেয়ার ৪০৫ টাকা, স্নিগ্ধা ৭৭১ টাকা এবং এসি সিট ৯২৬ টাকা।
  • তবে অনলাইন টিকিটে সার্ভিস বা প্রসেসিং চার্জ আলাদা হতে পারে।

ধুমকেতু এক্সপ্রেস ট্রেনের সময়সূচী

ধুমকেতু এক্সপ্রেস ট্রেনের সময়সূচী অনুযায়ী, ৭৬৯ নম্বর ট্রেন ঢাকা থেকে রাজশাহী এবং ৭৭০ নম্বর ট্রেন রাজশাহী থেকে ঢাকা রুটে চলে। ঢাকা–রাজশাহী পথে ৭৬৯ নম্বর ট্রেনের নির্ধারিত যাত্রার সময় ৫ ঘণ্টা ৪০ মিনিট। অন্যদিকে, ফেরার পথে ৭৭০ নম্বর ট্রেনের সময় লাগে ৫ ঘণ্টা ২০ মিনিট।

বিষয়তথ্য
ট্রেনের নামধূমকেতু এক্সপ্রেস
ট্রেন নম্বর৭৬৯ ও ৭৭০
রুটঢাকা–রাজশাহী–ঢাকা
৭৬৯ নম্বরের দিকঢাকা → রাজশাহী
৭৭০ নম্বরের দিকরাজশাহী → ঢাকা
৭৬৯-এর সাপ্তাহিক বন্ধবৃহস্পতিবার
৭৭০-এর সাপ্তাহিক বন্ধবুধবার
৭৬৯-এর যাত্রার সময়প্রায় ৫ ঘণ্টা ৪০ মিনিট
৭৭০-এর যাত্রার সময়প্রায় ৫ ঘণ্টা ২০ মিনিট

প্রধান রুটে ঢাকা, বিমানবন্দর, জয়দেবপুর, টাঙ্গাইল, সিরাজগঞ্জ অঞ্চলের বিভিন্ন স্টেশন, ঈশ্বরদী, আব্দুলপুর, আড়ানী এবং রাজশাহী রয়েছে। তবে স্টেশনভেদে বিরতির সময় এক নয়। তাই শুধু ছাড়ার সময় জানলেই যথেষ্ট নয়।

৭৬৯ নম্বর ট্রেনের সময়

৭৬৯ নম্বর ধূমকেতু এক্সপ্রেস ঢাকা রেলওয়ে স্টেশনের কমলাপুর অংশ থেকে সকাল ৬:০০টায় ছাড়ে। নির্ধারিত সময় অনুযায়ী, ট্রেনটি সকাল ১১:৪০টায় রাজশাহী পৌঁছায়। এছাড়া, বিমানবন্দরে ৫ মিনিট এবং জামতৈলে ৬ মিনিটের বিরতি রয়েছে।

Read More:  জয়দেবপুর টু ঢাকা ট্রেনের সময়সূচী ও ভাড়া ২০২৬
স্টেশনআগমনের সময়বিরতিপ্রস্থানের সময়
ঢাকা—০০ মিনিটসকাল ০৬:০০
বিমানবন্দরসকাল ০৬:২৩০৫ মিনিটসকাল ০৬:২৮
জয়দেবপুরসকাল ০৬:৫১০২ মিনিটসকাল ০৬:৫৩
টাঙ্গাইলসকাল ০৭:৪৭০২ মিনিটসকাল ০৭:৪৯
ইব্রাহিমাবাদসকাল ০৮:০৯০২ মিনিটসকাল ০৮:১১
শহীদ এম. মনসুর আলীসকাল ০৮:২৭০৩ মিনিটসকাল ০৮:৩০
জামতৈলসকাল ০৮:৩৮০৬ মিনিটসকাল ০৮:৪৪
উল্লাপাড়াসকাল ০৮:৫৬০৩ মিনিটসকাল ০৮:৫৯
বড়াল ব্রিজসকাল ০৯:২৮০৩ মিনিটসকাল ০৯:৩১
চাটমোহরসকাল ০৯:৪৪০৩ মিনিটসকাল ০৯:৪৭
ঈশ্বরদী বাইপাসসকাল ১০:১২০৩ মিনিটসকাল ১০:১৫
আব্দুলপুরসকাল ১০:৩৩০৩ মিনিটসকাল ১০:৩৬
আড়ানীসকাল ১০:৪৭০২ মিনিটসকাল ১০:৪৯
রাজশাহীসকাল ১১:৪০০০ মিনিট—

সকালের যাত্রায় বিমানবন্দর বা জয়দেবপুর থেকে ওঠার পরিকল্পনা থাকলে নির্ধারিত আগমনের কয়েক মিনিট আগে প্ল্যাটফর্মে থাকা ভালো। কারণ বিমানবন্দরে বিরতি ৫ মিনিট হলেও জয়দেবপুরে নির্ধারিত বিরতি মাত্র ২ মিনিট। ফলে মাঝপথের যাত্রীদের আগে থেকেই প্রস্তুত থাকা দরকার।

৭৭০ নম্বর ট্রেনের সময়

৭৭০ নম্বর ধূমকেতু এক্সপ্রেস রাজশাহী থেকে রাত ১১:২০টায় ছাড়ে। এরপর ট্রেনটি রাত পেরিয়ে পরদিন ভোর ৪:৪০টায় ঢাকায় পৌঁছানোর কথা। ঈশ্বরদী বাইপাস ও চাটমোহরে ৩ মিনিট করে বিরতি রয়েছে। তাই মাঝপথের যাত্রীদের সময় মেনে স্টেশনে পৌঁছানো জরুরি।

স্টেশনআগমনের সময়বিরতিপ্রস্থানের সময়
রাজশাহী—০০ মিনিটরাত ১১:২০
আড়ানীরাত ১১:৫১——
আব্দুলপুররাত ১২:০৫০২ মিনিটরাত ১২:০৭
ঈশ্বরদী বাইপাসরাত ১২:২২০৩ মিনিটরাত ১২:২৫
চাটমোহররাত ১২:৪৫০৩ মিনিটরাত ১২:৪৮
বড়াল ব্রিজরাত ০১:০৫০৩ মিনিটরাত ০১:০৮
শহীদ এম. মনসুর আলীরাত ০১:৫৭০২ মিনিটরাত ০১:৫৯
ইব্রাহিমাবাদরাত ০২:১৬০২ মিনিটরাত ০২:১৮
জয়দেবপুররাত ০৩:৩২০৩ মিনিটরাত ০৩:৩৫
ঢাকাভোর ০৪:৪০০০ মিনিট—

রাতের ট্রেনে যাত্রা করলে টিকিটে দেওয়া কোচ ও আসন নম্বর আগে দেখে রাখুন। বিশেষ করে, আড়ানীর তালিকায় আগমনের সময় রাত ১১:৫১ দেওয়া আছে, কিন্তু আলাদা প্রস্থানের সময় উল্লেখ নেই। এমন ক্ষেত্রে স্টেশনে ট্রেনের কর্মীদের নির্দেশনা অনুসরণ করাই নিরাপদ।

ধুমকেতু এক্সপ্রেস ট্রেনের ভাড়া

ধুমকেতু এক্সপ্রেস ট্রেনের ভাড়া ২০২৬ সালের দেওয়া ঢাকা–রাজশাহী রুটের তথ্য অনুযায়ী আসনের শ্রেণিভেদে পরিবর্তিত হয়। শোভন চেয়ারের ভাড়া ৪০৫ টাকা, স্নিগ্ধার ভাড়া ৭৭১ টাকা এবং এসি সিটের ভাড়া ৯২৬ টাকা।

Read More:  লালমনি এক্সপ্রেস ট্রেনের সময়সূচী ২০২৬ | Lalmoni Express Train Schedule
আসনের শ্রেণিঢাকা → রাজশাহী ভাড়া
শোভন চেয়ার৪০৫ টাকা
স্নিগ্ধা৭৭১ টাকা
এসি সিট৯২৬ টাকা

এই ভাড়ার সঙ্গে অনলাইন সার্ভিস বা প্রসেসিং চার্জ যোগ হতে পারে। ফলে পেমেন্টের আগে মোট payable amount দেখে নেওয়া দরকার। বাংলাদেশ রেলওয়ের ই-টিকিটিং প্ল্যাটফর্মে প্রদর্শিত মূল্যকে বুকিংয়ের সময়কার সর্বশেষ তথ্য হিসেবে বিবেচনা করুন।

সীমিত বাজেটের যাত্রীর জন্য শোভন চেয়ার তুলনামূলক কম খরচের বিকল্প। অন্যদিকে, দীর্ঘ রাতের যাত্রায় বেশি আরাম চাইলে স্নিগ্ধা বা এসি সিট বিবেচনা করা যায়। তবে আসন নির্বাচন করার আগে মোট ভাড়া, উপলভ্যতা এবং অতিরিক্ত চার্জ একসঙ্গে দেখুন।

কোন স্টেশন থেকে ছাড়ে

ঢাকা থেকে ৭৬৯ নম্বর ধূমকেতু এক্সপ্রেস কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন থেকে সকাল ৬:০০টায় ছাড়ে। এরপর পথে বিমানবন্দর, জয়দেবপুর, টাঙ্গাইল, ইব্রাহিমাবাদ, শহীদ এম. মনসুর আলী, জামতৈল, উল্লাপাড়া, বড়াল ব্রিজ, চাটমোহর, ঈশ্বরদী বাইপাস, আব্দুলপুর ও আড়ানীতে থেমে ট্রেনটি রাজশাহীতে যায়।

অন্যদিকে, রাজশাহী থেকে ৭৭০ নম্বর ট্রেন রাত ১১:২০টায় ছাড়ে। ফেরার পথে আড়ানী, আব্দুলপুর, ঈশ্বরদী বাইপাস, চাটমোহর, বড়াল ব্রিজ, শহীদ এম. মনসুর আলী, ইব্রাহিমাবাদ ও জয়দেবপুর স্টেশনে থামে। এরপর ট্রেনটি ঢাকায় পৌঁছায়।

যাত্রীদের একটি সাধারণ ভুল হলো গন্তব্যের সময় দেখে স্টেশনে পৌঁছানো। আসলে বোর্ডিং স্টেশনে ট্রেনের নির্ধারিত প্রস্থানের সময়ই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। তাই ঢাকা থেকে ওঠার ক্ষেত্রে সকাল ৬:০০টা এবং রাজশাহী থেকে ওঠার ক্ষেত্রে রাত ১১:২০টা আলাদা করে মনে রাখুন।

সাপ্তাহিক বন্ধের দিন

ধূমকেতু এক্সপ্রেসের দুই দিকের ট্রেনের সাপ্তাহিক বন্ধ আলাদা। ৭৬৯ নম্বর ঢাকা–রাজশাহী ট্রেন বৃহস্পতিবার চলে না। একইভাবে, ৭৭০ নম্বর রাজশাহী–ঢাকা ট্রেন বুধবার বন্ধ থাকে। তাই টিকিট কাটার আগে যাত্রার দিনটি এই তালিকার সঙ্গে মিলিয়ে নিন।

ট্রেন নম্বররুটসাপ্তাহিক বন্ধ
৭৬৯ঢাকা → রাজশাহীবৃহস্পতিবার
৭৭০রাজশাহী → ঢাকাবুধবার

ধরা যাক, বৃহস্পতিবার সকালে ঢাকা থেকে রাজশাহী যাওয়ার পরিকল্পনা করেছেন। সে ক্ষেত্রে ৭৬৯ নম্বর ট্রেনের ওপর নির্ভর না করে অন্য দিনের আসন খুঁজতে হবে। একইভাবে, বুধবার রাতে রাজশাহী থেকে ফেরার জন্য ৭৭০ নম্বর ট্রেন নির্বাচন করা যাবে না।

টিকিট কাটার নিয়ম

ধূমকেতু এক্সপ্রেসের টিকিট বাংলাদেশ রেলওয়ের অনলাইন ই-টিকিটিং ব্যবস্থা এবং Rail Sheba অ্যাপের মাধ্যমে কেনা যায়। সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, টিকিট সাধারণত যাত্রার কয়েক দিন আগে অনলাইনে বিক্রির জন্য উন্মুক্ত হয়। তবে আসন শেষ হয়ে গেলে একই ট্রেনে পছন্দের শ্রেণি নাও পাওয়া যেতে পারে।

  1. প্রথমে বাংলাদেশ রেলওয়ের ই-টিকিটিং প্ল্যাটফর্ম বা Rail Sheba অ্যাপ খুলুন।
  2. এরপর যাত্রার তারিখ নির্বাচন করুন।
  3. From ঘরে ঢাকা অথবা রাজশাহী বেছে নিন।
  4. To ঘরে নির্ধারিত গন্তব্য লিখুন।
  5. তারপর ৭৬৯ অথবা ৭৭০ নম্বর ধূমকেতু এক্সপ্রেস নির্বাচন করুন।
  6. পছন্দের আসন শ্রেণি বেছে নিন।
  7. যাত্রীর তথ্য দিয়ে পেমেন্ট সম্পন্ন করুন।
  8. সবশেষে টিকিটের কপি ফোনে সংরক্ষণ করুন এবং প্রয়োজনে প্রিন্ট রাখুন।
Read More:  নকশিকাঁথা কমিউটার ট্রেনের সময়সূচী ও ভাড়া ২০২৬

পেমেন্টের পর টিকিটে থাকা ট্রেন নম্বর, তারিখ, যাত্রার সময়, আসন এবং যাত্রীর নাম মিলিয়ে দেখুন। কারণ ভুল তথ্য থাকলে যাত্রার দিন সমস্যায় পড়তে পারেন। আবার অনলাইন বুকিংয়ের মোট মূল্য মূল ভাড়ার চেয়ে বেশি হতে পারে। এর কারণ, সার্ভিস বা প্রসেসিং চার্জ আলাদা যোগ হতে পারে।

টিকিটের আগে যা মিলিয়ে নেবেন

  • প্রথমে দেখুন, যাত্রার দিনটি ৭৬৯ বা ৭৭০ নম্বর ট্রেনের বন্ধের দিনের সঙ্গে মিলে যাচ্ছে কি না।
  • এছাড়াও, From এবং To ঘরে সঠিক স্টেশন নির্বাচন হয়েছে কি না যাচাই করুন।
  • আসনের শ্রেণি এবং মোট পরিশোধযোগ্য টাকা ঠিক আছে কি না মিলিয়ে নিন।
  • সবশেষে টিকিটে দেখানো কোচ, আসন এবং ট্রেন নম্বর সংরক্ষণ করা হয়েছে কি না দেখুন।

ট্রেন এখন কোথায় জানবেন

ধূমকেতু এক্সপ্রেস এখন কোথায় জানতে বাংলাদেশ রেলওয়ের ট্রেন ট্র্যাকিং SMS সেবা ব্যবহার করা যায়। নির্ধারিত নম্বরে সঠিক ট্রেন কোড পাঠালে সংশ্লিষ্ট অবস্থান বা তথ্য পাওয়া যেতে পারে।

  • ৭৬৯ নম্বর ট্রেনের জন্য TR 769 লিখে ১৬৩১৮ নম্বরে SMS পাঠান।
  • ৭৭০ নম্বর ট্রেনের জন্য TR 770 লিখে ১৬৩১৮ নম্বরে SMS পাঠান।

SMS পাঠানোর সময় TR এবং ট্রেন নম্বরের মাঝে একটি স্পেস রাখুন। ফলে যাত্রার আগে এই সেবা ব্যবহার করলে ট্রেনের চলমান অবস্থান সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়। তবে রেলপথের পরিস্থিতি বা সিগন্যালজনিত কারণে বাস্তব সময়সূচী কিছুটা বদলাতে পারে।

সাধারণ ভুল ও কার্যকর টিপস

সময়সূচী দেখে সরাসরি স্টেশনে যাওয়া সবসময় ভালো পরিকল্পনা নয়। বিশেষ করে, ৭৬৯ নম্বর ট্রেনে জামতৈলে বিরতি ৬ মিনিট হলেও জয়দেবপুরে বিরতি ২ মিনিট। তাই মাঝপথের যাত্রীদের অন্তত ১৫ থেকে ২০ মিনিট আগে স্টেশনে পৌঁছানো বাস্তবসম্মত প্রস্তুতি।

  • বৃহস্পতিবার ৭৬৯ এবং বুধবার ৭৭০ বন্ধ থাকে, তাই ক্যালেন্ডারে যাত্রার দিন মিলিয়ে নিন।
  • ঢাকা থেকে সকাল ৬:০০টার ট্রেন ধরতে হলে কমলাপুরে আগেই পৌঁছান।
  • রাত ১১:২০টার ৭৭০ নম্বর ট্রেনের জন্য রাজশাহী স্টেশনে নিরাপদ সময় হাতে রাখুন।
  • টিকিটে থাকা কোচ ও আসন নম্বর দেখে নির্দিষ্ট বগির কাছে দাঁড়ান।
  • ভাড়ার সঙ্গে অনলাইন চার্জ যোগ হয়েছে কি না, পেমেন্টের আগে পরীক্ষা করুন।

বিশেষজ্ঞ টিপস: বাজেট সীমিত হলে শোভন চেয়ারের ৪০৫ টাকা ভাড়া প্রাথমিকভাবে সুবিধাজনক। তবে পরিবারের বয়স্ক সদস্য বা রাতের যাত্রীর ক্ষেত্রে আসনের আরামও হিসাব করুন। তাই কম ভাড়া সব পরিস্থিতিতে সবচেয়ে ভালো সিদ্ধান্ত নয়।

প্রশ্ন ও সংক্ষিপ্ত উত্তর

ধূমকেতু এক্সপ্রেসের ট্রেন নম্বর কত?

ধূমকেতু এক্সপ্রেসের ট্রেন নম্বর ৭৬৯ এবং ৭৭০। ৭৬৯ ঢাকা থেকে রাজশাহী যায়, আর ৭৭০ রাজশাহী থেকে ঢাকার পথে চলে।

ধূমকেতু এক্সপ্রেস ঢাকা থেকে কখন ছাড়ে?

৭৬৯ নম্বর ধূমকেতু এক্সপ্রেস ঢাকা রেলওয়ে স্টেশন থেকে সকাল ৬:০০টায় ছাড়ে। নির্ধারিত সময়ে রাজশাহী পৌঁছানোর কথা সকাল ১১:৪০টায়।

রাজশাহী থেকে ট্রেনটি কখন ছাড়ে?

৭৭০ নম্বর ধূমকেতু এক্সপ্রেস রাজশাহী থেকে রাত ১১:২০টায় ছাড়ে। ট্রেনটির নির্ধারিত গন্তব্য ঢাকা, যেখানে এটি পরদিন ভোর ৪:৪০টায় পৌঁছায়।

ধূমকেতু এক্সপ্রেস ঢাকায় কখন পৌঁছায়?

রাজশাহী থেকে ছেড়ে ৭৭০ নম্বর ট্রেনটি পরদিন ভোর ৪:৪০টায় ঢাকায় পৌঁছানোর কথা। তবে যাত্রার দিন বাস্তব পরিস্থিতির কারণে সময় কিছুটা পরিবর্তিত হতে পারে।

ধূমকেতু এক্সপ্রেসের বন্ধের দিন কবে?

৭৬৯ নম্বর ট্রেনের সাপ্তাহিক বন্ধ বৃহস্পতিবার। অন্যদিকে, ৭৭০ নম্বর ট্রেনের সাপ্তাহিক বন্ধ বুধবার। দুই দিকের বন্ধের দিন আলাদা, তাই ট্রেন নম্বর দেখে দিনটি যাচাই করুন।

ঢাকা–রাজশাহী রুটে ভাড়া কত?

দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, শোভন চেয়ার ৪০৫ টাকা, স্নিগ্ধা ৭৭১ টাকা এবং এসি সিট ৯২৬ টাকা। তবে অনলাইন বুকিংয়ে অতিরিক্ত চার্জ যোগ হতে পারে।

ট্রেনের অবস্থান কীভাবে জানা যায়?

৭৬৯ নম্বরের জন্য TR 769 এবং ৭৭০ নম্বরের জন্য TR 770 লিখে ১৬৩১৮ নম্বরে SMS পাঠানো যায়। এরপর উত্তরের তথ্যের ভিত্তিতে ট্রেনের অবস্থান সম্পর্কে ধারণা মিলবে।

যাত্রার আগে শেষ প্রস্তুতি

ঢাকা–রাজশাহী রুটে ধূমকেতু এক্সপ্রেস দিনের শুরু ও রাতের ফেরার জন্য ব্যবহারিক একটি আন্তঃনগর ট্রেন। ৭৬৯ নম্বর ট্রেন সকাল ৬:০০টায় ঢাকা ছেড়ে সকাল ১১:৪০টায় রাজশাহী পৌঁছায়। অন্যদিকে, ৭৭০ নম্বর ট্রেন রাত ১১:২০টায় রাজশাহী ছেড়ে ভোর ৪:৪০টায় ঢাকায় আসে।

তাই টিকিট কাটার আগে সাপ্তাহিক বন্ধের দিন, আসন শ্রেণি এবং মোট ভাড়া মিলিয়ে নিন। যাত্রার দিন বাংলাদেশ রেলওয়ের ই-টিকিটিং সিস্টেমে দেখানো সর্বশেষ তথ্য যাচাই করে তারপর স্টেশনের উদ্দেশ্যে রওনা হওয়াই সবচেয়ে নিরাপদ প্রস্তুতি।

Rakib Hasan

আমি একজন লেখক ও কনটেন্ট ক্রিয়েটর। তিনি খবর, চাকরি, শিক্ষা, প্রযুক্তি, অর্থনীতি ও দৈনন্দিন প্রয়োজনীয় বিষয় নিয়ে তথ্যবহুল ও সহজবোধ্য কনটেন্ট প্রকাশ করেন। তাঁর লক্ষ্য পাঠকদের সঠিক ও সময়োপযোগী তথ্য প্রদান করা।

Sharing Is Caring:

Leave a Comment