প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রম জোরদার করতে সংগীত শিক্ষক নিয়োগের পরিকল্পনা করা হয়েছে। ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার অংশ হিসেবে প্রতিটি ক্লাস্টারে একজন করে শারীরিক ও সংগীত শিক্ষক নিয়োগের কথা জানিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর।
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের সাম্প্রতিক অর্জন, চ্যালেঞ্জ ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সংক্রান্ত প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে। প্রতিবেদনে শিক্ষক নিয়োগের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের নিয়মিত গড় উপস্থিতি ৮০ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্যও উল্লেখ করা হয়েছে।
ভবিষ্যৎ পরিকল্পনায় চাহিদাভিত্তিতে শিক্ষকের নতুন পদ সৃষ্টি এবং প্রতিটি ক্লাস্টারে একজন করে শারীরিক ও সংগীত শিক্ষক নিয়োগের কথা বলা হয়েছে। এর মাধ্যমে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রম আরও জোরদার করার পরিকল্পনা রয়েছে।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, সিভিল রেজিস্ট্রেশন অ্যান্ড ভাইটাল স্ট্যাটিসটিকসের (সিআরভিএস) সঙ্গে সম্পৃক্ততা বজায় রেখে সব শিক্ষার্থীর ছবিসহ আইডি কার্ড ও ডাটাবেইজ প্রণয়ন করা হবে। পর্যায়ক্রমে দুই শিফটের বিদ্যালয়কে এক শিফটে রূপান্তর করে শিক্ষার্থীদের কন্ট্যাক্ট সময় বাড়ানোর পরিকল্পনাও রয়েছে।
জাতীয় শিক্ষানীতি ২০১০-এর আলোকে প্রাক-প্রাথমিক স্তর এক বছর থেকে দুই বছরে উন্নীত করার বিষয়টিও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনায় উল্লেখ করা হয়েছে।
২০২৪-২৫ অর্থবছরের সম্ভাব্য প্রধান অর্জনের তালিকায় শিক্ষাবর্ষের শুরুতেই বিনামূল্যের পাঠ্যবই বিতরণ, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভৌত অবকাঠামো উন্নয়ন এবং শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের চাহিদাভিত্তিক প্রশিক্ষণের কথা বলা হয়েছে।
এ ছাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে স্কুল লেভেল ইম্প্রুভমেন্ট প্ল্যান বাস্তবায়ন, প্রাপ্যতাযোগ্য সব শিক্ষার্থীকে উপবৃত্তি দেওয়া, শিক্ষক-শিক্ষার্থীর অনুপাত কাঙ্ক্ষিত পর্যায়ে উন্নীত করা এবং বিদ্যালয় ও মাঠ পর্যায়ের দপ্তরগুলোতে নিবিড় পরিবীক্ষণ ও তত্ত্বাবধানের বিষয়ও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কাবিং কার্যক্রম সম্প্রসারণ এবং ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রমের উন্নয়নও সম্ভাব্য অর্জনের তালিকায় রয়েছে।